সৌদি আরবের দাম্মামের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলায় অন্তত ১ জন নিহত ও ৮ জন আহত হওয়ার পর এবং একটি তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় ২ জন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটার পর এই নির্দেশ এল। স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র টমি পিগট এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছেন, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতিদের সৌদি আরবের বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণের মুখে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেবল ‘সৌদি আরবে অবস্থানরত জরুরি নন এমন মার্কিন সরকারি কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের’ দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।
গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ওপর তেহরান হামলা চালায়। তখন অনেক কূটনীতিককে সরিয়ে নেওয়া হলেও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ওয়াশিংটন কিছু কূটনৈতিক কর্মীকে আবার এই অঞ্চলে ফিরিয়ে এনেছিল।
পিগট বলেন, ‘ইরান-সমর্থিত হুতিরা ক্রমবর্ধমানভাবে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সংঘাত বাড়িয়ে চলেছে। এর মধ্যে বেসামরিক বিমানবন্দর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা অন্যতম, যার ফলে বেসামরিক মানুষ হতাহত হচ্ছে এবং ভ্রমণে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে।’
চার মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, পারস্য উপসাগরীয় অন্যান্য দেশের মার্কিন মিশনগুলোও পরিবারের সদস্যদের ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেবে। তবে সৌদি আরবের বাইরের অন্যান্য মিশনের পরিবর্তনের বিষয়ে পিগট কিছু বলেননি।
দেশ ত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার পর, সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার কথা জানায়, যেখানে ১ জন নিহত ও ৮ জন আহত হন। এর আগে দিনের বেলার দিকে, সৌদি অরামকোর শাইবাহ তেলক্ষেত্রের একটি স্থাপনায় হামলার চেষ্টাকারী একটি ড্রোনকে সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী ধ্বংস করার পর ২ জন নিহত হন বলে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
সম্প্রতি রিয়াদের বিমানবন্দরসহ বেশ কয়েকটি প্রাণঘাতী হামলার পর, ইয়েমেনের হুতিদের পক্ষ থেকে সৌদি আরবে আরও হামলা হতে পারে বলে বুধবার রিয়াদের মার্কিন দূতাবাস একটি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে। চলতি মার্চ মাসের শুরুর দিকে ইরান পুরো অঞ্চলে হামলা চালানো শুরু করলে, রিয়াদের মার্কিন দূতাবাস এবং সেখানে অবস্থিত সিআইএ স্টেশন ড্রোন হামলার শিকার হয়েছিল।

দৈনিক টার্গেট 




























