শাপলা চত্বর: রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের প্রতিফলন
রাজধানীতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসান মাহবুব জোবায়ের ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত ঘটনাকে তৎকালীন সরকারের রাজনৈতিক ব্যর্থতা ও নৈতিক সংকটের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত “শাপলা চত্বর দিবস” উপলক্ষে এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ওইদিনের ঘটনাকে সাধারণ কোনো সংঘর্ষ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তার ভাষায়, এটি ছিল সহিংস ও নির্মম দমন-পীড়নের একটি দৃষ্টান্ত, যা পরবর্তীতে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে।
তিনি দাবি করেন, হেফাজতে ইসলাম একটি অরাজনৈতিক ধর্মভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তাদের দাবি তুলে ধরেছিল। কিন্তু তাদের কর্মসূচির প্রতি রাষ্ট্রীয় প্রতিক্রিয়া ছিল অত্যন্ত কঠোর। তার মতে, সেই সময়কার পদক্ষেপগুলো দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে সংকুচিত করেছে।
এহসান মাহবুব জোবায়ের আরও অভিযোগ করেন, গত এক দশকের বেশি সময় ধরে দেশে একাধিক বড় সহিংস ঘটনার জন্ম হয়েছে, যা জাতীয় জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। তিনি এসব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিচারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়েও তিনি কথা বলেন। তার মতে, জনগণের অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা যেকোনো আন্দোলনের মূল শক্তি সাধারণ মানুষ। কোনো একক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর মাধ্যমে এর কৃতিত্ব নির্ধারণ করা উচিত নয়। তিনি ভবিষ্যতে রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
সভায় বক্তারা অতীতের সহিংস ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ অনুসন্ধান এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গণতান্ত্রিক চর্চা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে সুশীল ফোরামের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বক্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং বিষয়টির ওপর নিজেদের মতামত তুলে
