ছেলের জন্মদিনে আবেগঘন পরীমণি

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:৪৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
  • ১৩ বার পঠিত হয়েছে

শাহীম মুহাম্মদ পূণ্য ও পরীমণি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণির ছেলে শাহীম মুহাম্মদ পূণ্য চার বছরে পা দিয়েছে। সন্তানের জন্মদিন উপলক্ষে এবারও ঘরোয়া পরিবেশে বিশেষ মুহূর্ত উদযাপন করেছেন তিনি। যদিও আগের বছরের মতো বড় কোনো আয়োজনের খবর পাওয়া যায়নি, তবুও মধ্যরাতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ছোট্ট পরিসরে কেক কেটে দিনটি উদযাপন করেন অভিনেত্রী।

জন্মদিনের প্রথম প্রহরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন পরীমণি। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, ঘরের একটি টেবিলে সাজানো রয়েছে একাধিক কেক ও রঙিন বেলুন। পাশে বিছানায় নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে আছে ছোট্ট পূণ্য। ছেলের ঘুম না ভেঙেই জন্মদিনের পরিবেশ তৈরি করে রাখেন তিনি। ভিডিওটির সঙ্গে দেওয়া ক্যাপশনে পরীমণি মজার ছলে লেখেন, একদিন বড় হয়ে ছেলে এসব আয়োজন দেখে নিশ্চয়ই তাদের এই ভালোবাসার পাগলামিগুলোর কথা বুঝতে পারবে।

শুধু জন্মদিনের আয়োজনই নয়, এদিন নিজের মাতৃত্বের অনুভূতিও ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন অভিনেত্রী। এক আবেগঘন পোস্টে তিনি জানান, ছেলেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালে পূণ্য উল্টো তাকেই জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানায়। সন্তানের সেই সরল কথাতেই যেন নতুন উপলব্ধি খুঁজে পান পরীমণি।

তিনি বলেন, সন্তানের জন্মের দিনটিই তাঁর নিজের জীবনেও নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা। মা হওয়ার মধ্য দিয়েই যেন তিনি নতুনভাবে জন্ম নিয়েছেন। তাই ছেলের জন্মদিনকে তিনি নিজেরও নতুন জীবনের জন্মদিন হিসেবে দেখেন এবং সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

২০২২ সালের ১০ আগস্ট জন্ম নেয় শাহীম মুহাম্মদ পূণ্য। এরপর থেকে প্রতিবছরই ছেলের জন্মদিনকে ঘিরে ভিন্নধর্মী আয়োজন করতে দেখা গেছে পরীমণিকে। কখনো থিম পার্টি, কখনো পরিবার ও কাছের মানুষদের নিয়ে ছোট্ট উদযাপন-প্রতিবারই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার চেষ্টা করেন তিনি।

এবারের আয়োজন ছিল তুলনামূলকভাবে ব্যক্তিগত ও শান্ত পরিবেশে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা কয়েকটি মুহূর্তই ভক্তদের নজর কাড়ে। অনেকেই মন্তব্যে পূণ্যের দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে পরীমণির মাতৃত্বের অনুভূতিকেও প্রশংসায় ভাসিয়েছেন তাঁর অনুসারীরা।

মাতৃত্বকে জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হিসেবে দেখেন পরীমণি। তাই প্রতি বছর ছেলের জন্মদিন শুধু সন্তানের আনন্দের দিনই নয়, তাঁর নিজের জীবন বদলে যাওয়ার স্মৃতিও হয়ে ফিরে আসে। এবারও সেই অনুভূতির ব্যতিক্রম হয়নি।

ছেলের জন্মদিনে আবেগঘন পরীমণি

প্রকাশ: ০৪:৪৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণির ছেলে শাহীম মুহাম্মদ পূণ্য চার বছরে পা দিয়েছে। সন্তানের জন্মদিন উপলক্ষে এবারও ঘরোয়া পরিবেশে বিশেষ মুহূর্ত উদযাপন করেছেন তিনি। যদিও আগের বছরের মতো বড় কোনো আয়োজনের খবর পাওয়া যায়নি, তবুও মধ্যরাতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ছোট্ট পরিসরে কেক কেটে দিনটি উদযাপন করেন অভিনেত্রী।

জন্মদিনের প্রথম প্রহরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন পরীমণি। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, ঘরের একটি টেবিলে সাজানো রয়েছে একাধিক কেক ও রঙিন বেলুন। পাশে বিছানায় নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে আছে ছোট্ট পূণ্য। ছেলের ঘুম না ভেঙেই জন্মদিনের পরিবেশ তৈরি করে রাখেন তিনি। ভিডিওটির সঙ্গে দেওয়া ক্যাপশনে পরীমণি মজার ছলে লেখেন, একদিন বড় হয়ে ছেলে এসব আয়োজন দেখে নিশ্চয়ই তাদের এই ভালোবাসার পাগলামিগুলোর কথা বুঝতে পারবে।

শুধু জন্মদিনের আয়োজনই নয়, এদিন নিজের মাতৃত্বের অনুভূতিও ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন অভিনেত্রী। এক আবেগঘন পোস্টে তিনি জানান, ছেলেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালে পূণ্য উল্টো তাকেই জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানায়। সন্তানের সেই সরল কথাতেই যেন নতুন উপলব্ধি খুঁজে পান পরীমণি।

তিনি বলেন, সন্তানের জন্মের দিনটিই তাঁর নিজের জীবনেও নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা। মা হওয়ার মধ্য দিয়েই যেন তিনি নতুনভাবে জন্ম নিয়েছেন। তাই ছেলের জন্মদিনকে তিনি নিজেরও নতুন জীবনের জন্মদিন হিসেবে দেখেন এবং সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

২০২২ সালের ১০ আগস্ট জন্ম নেয় শাহীম মুহাম্মদ পূণ্য। এরপর থেকে প্রতিবছরই ছেলের জন্মদিনকে ঘিরে ভিন্নধর্মী আয়োজন করতে দেখা গেছে পরীমণিকে। কখনো থিম পার্টি, কখনো পরিবার ও কাছের মানুষদের নিয়ে ছোট্ট উদযাপন-প্রতিবারই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার চেষ্টা করেন তিনি।

এবারের আয়োজন ছিল তুলনামূলকভাবে ব্যক্তিগত ও শান্ত পরিবেশে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা কয়েকটি মুহূর্তই ভক্তদের নজর কাড়ে। অনেকেই মন্তব্যে পূণ্যের দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে পরীমণির মাতৃত্বের অনুভূতিকেও প্রশংসায় ভাসিয়েছেন তাঁর অনুসারীরা।

মাতৃত্বকে জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হিসেবে দেখেন পরীমণি। তাই প্রতি বছর ছেলের জন্মদিন শুধু সন্তানের আনন্দের দিনই নয়, তাঁর নিজের জীবন বদলে যাওয়ার স্মৃতিও হয়ে ফিরে আসে। এবারও সেই অনুভূতির ব্যতিক্রম হয়নি।