মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ: মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আযাদের আপিল শুনানি মুলতবি

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:৪৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩০ বার পঠিত হয়েছে

বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ আজ মঙ্গলবার শুনানি মুলতবি করেন। সুপ্রিম কোর্টের অবকাশের পর চার সপ্তাহের জন্য শুনানি মুলতবি করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে বিলম্ব মার্জনাসহ গত ৬ জুলাই আপিল করেন আবুল কালাম আযাদ। পাশাপাশি আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের সাজা স্থগিতও চাওয়া হয় আবেদনে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মাওলানা আবুল কালাম আযাদকে ২০১৩ সালে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তার আগে থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতন হলে গত বছরের অক্টোবরে আবুল কালাম আযাদের মৃত্যুদণ্ডের সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এদিকে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন আবুল কালাম আযাদ। সেদিন শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আসামিকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সত্যায়িত কপি সরবরাহ করতে নির্দেশ দেন। সেই সঙ্গে আবুল কালাম আযাদ যেমন আছেন, তেমনই থাকবেন বলে আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

আবুল কালাম আযাদের পক্ষে আপিল বিভাগে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিকী, ইমরান এ সিদ্দিকী, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান (নাজিব মোমেন) ও মীর ওসমান বিন নাসিম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

বিটিবি সিইও বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা পর্যটকদের সর্বোত্তম সেবা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। আমরা পর্যটন মহাপরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এগিয়ে যেতে চাই, যা এ বছরের মধ্যেই চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু মশকনিধন কার্যক্রমের ওপর নির্ভর না করে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে মাঠপর্যায়ে সমন্বিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

দুদকের সহকারী পরিচালক তাপস ভট্টাচার্য বলেন, ইকুরিয়া বিআরটিএ কার্যালয়ে বিভিন্ন সেবায় দালালদের দৌরাত্ম্য এবং ঘুষের বিনিময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে দুদকের কর্মকর্তারা ছদ্মবেশে কার্যালয়ে অবস্থান করেন।

জনপ্রিয় টার্গেট

সীমান্ত থেকে মাদক এনে ঢাকায় সরবরাহ, ২ নারীসহ গ্রেপ্তার ৩

মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ: মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আযাদের আপিল শুনানি মুলতবি

প্রকাশ: ০৪:৪৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ আজ মঙ্গলবার শুনানি মুলতবি করেন। সুপ্রিম কোর্টের অবকাশের পর চার সপ্তাহের জন্য শুনানি মুলতবি করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে বিলম্ব মার্জনাসহ গত ৬ জুলাই আপিল করেন আবুল কালাম আযাদ। পাশাপাশি আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের সাজা স্থগিতও চাওয়া হয় আবেদনে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মাওলানা আবুল কালাম আযাদকে ২০১৩ সালে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তার আগে থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতন হলে গত বছরের অক্টোবরে আবুল কালাম আযাদের মৃত্যুদণ্ডের সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এদিকে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন আবুল কালাম আযাদ। সেদিন শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আসামিকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সত্যায়িত কপি সরবরাহ করতে নির্দেশ দেন। সেই সঙ্গে আবুল কালাম আযাদ যেমন আছেন, তেমনই থাকবেন বলে আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

আবুল কালাম আযাদের পক্ষে আপিল বিভাগে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিকী, ইমরান এ সিদ্দিকী, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান (নাজিব মোমেন) ও মীর ওসমান বিন নাসিম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

বিটিবি সিইও বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা পর্যটকদের সর্বোত্তম সেবা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। আমরা পর্যটন মহাপরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এগিয়ে যেতে চাই, যা এ বছরের মধ্যেই চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু মশকনিধন কার্যক্রমের ওপর নির্ভর না করে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে মাঠপর্যায়ে সমন্বিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

দুদকের সহকারী পরিচালক তাপস ভট্টাচার্য বলেন, ইকুরিয়া বিআরটিএ কার্যালয়ে বিভিন্ন সেবায় দালালদের দৌরাত্ম্য এবং ঘুষের বিনিময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে দুদকের কর্মকর্তারা ছদ্মবেশে কার্যালয়ে অবস্থান করেন।