গতকাল বুধবার রাতে এক বিবৃতিতে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আসামে উচ্ছেদ অভিযানে গুঁড়িয়ে দেওয়া মসজিদগুলোর কয়েকটি ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেখানে ছিল। কর্তৃপক্ষ সরকারি ও বনভূমি থেকে কথিত অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের যুক্তি দিলেও ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার ভারতের স্বাধীনতারও আগে থেকে ওই অঞ্চলে বসবাস করে আসছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, পর্যাপ্ত পুনর্বাসন ও পুনঃপ্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা না করে কর্তৃপক্ষ বহু পরিবারকে গৃহহীন ও অসহায় অবস্থায় ফেলে রেখেছে।
তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে আটককেন্দ্রে রাখা হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।
এ ঘটনাকে ১৯৯২ সালে ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ঘটনার সঙ্গে তুলনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ওই ঘটনা ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও সাম্প্রদায়িক বিভাজনের স্থায়ী প্রতীক হয়ে আছে। তাঁর অভিযোগ, হিন্দুত্ববাদী ফ্যাসিবাদের অধীনে ভারত মুসলিম, খ্রিষ্টান ও শিখসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এবং নিম্নবর্ণের হিন্দুদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
বিবৃতিতে নাহিদ ইসলাম ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে মুসলিমদের ওপর চলমান নিপীড়নের বিষয়টি অবিলম্বে আমলে নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন ও ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের জন্য ভারত সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
তিনি বলেন, বর্ণ, ধর্ম কিংবা সাংস্কৃতিক পরিচয় যা-ই হোক না কেন, প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকের জন্য ন্যায়বিচার ও সমতার নীতি নিশ্চিত করতে হবে।ভারতের মুসলিমরাও ভারতীয়।

দৈনিক টার্গেট 




























