গিলের ডাবল সেঞ্চুরি, রান তাড়ার নতুন রেকর্ড ভারতের

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:২৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ বার পঠিত হয়েছে

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারাল ভারত। এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতল গিলের দল। এর আগে প্রথম এক দিনের ম্যাচে ৮ উইকেটে জিতেছিল ভারত। ৩ অক্টোবর চন্ডিগড়ে সিরিজের শেষ ম্যাচ খেলতে নামবে দুদল।

বর্ষাপাড়া ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে তিন সেঞ্চুরিতে ৪০৫ রানে করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রান তাড়ায় গিল ও রোহিতের জোড়া সেঞ্চুরিতে ৩৯ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে ভারত। ওয়ানডে ইতিহাসে এটা তাদের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের নতুন রেকর্ড। এর আগে ২০১৩ সালে জয়পুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩৬০ রান তাড়া করে জিতেছিল ভারত।

ভারতের বিপক্ষে করা ৪০৫ রান ওয়ানডের এক ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সর্বোচ্চ। কিন্তু ভারতের ব্যাটিং দাপটে রেকর্ড গড়েও জেতা হলো না শাই হোপের দলের।

ভারতের জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান গিলের। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন তিনি। ১১৭ বলে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন। যা ওয়ানডেতে দ্রুততম। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন ভারতীয় দলপতি। এর আগে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০৮ রান করেছিলেন এই ব্যাটার।

লক্ষ্য তাড়ায় ওপেনিং জুটিতে ২৫৫ রান তোলেন গিল ও রোহিত। ওয়ানডেতে এটা ভারতের হয়ে উদ্বোধনী জুটিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। আগের রেকর্ডটি ছিল শচীন টেন্ডুলকার ও সৌরভ গাঙ্গুলীর দখলে। ২০০১ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে পার্লে ২৫৮ রান করেছিলেন তাঁরা। অল্পের জন্য সাবেক দুই তারকার রেকর্ড ভাঙতে পারলেন না গিল ও রোহিত।

সেঞ্চুরির পরপরই রোহিত জেডন সিলসের বলে এলবিডব্লু হলে ভারতের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে। প্যাভিলিয়নের পথ ধরার আগে ৭৫ বলে ১০ চার ও ৬ ছক্কায় ১০১ রান এনে দেন সাবেক অধিনায়ক। রোহিত ফিরলেও ঝড় অব্যাহত রাখেন গিল। বিরাট কোহলি ও গায়কোয়াদকে নিয়ে বাকি কাজটুকু সারেন তিনি। জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার সময় তাঁর নামের পাশে শোভা পাচ্ছিল ২২৩ রান। ১৩৩ বলের ইনিংসটি সাজানো ২৬ চার ও ৮ ছক্কায়। গায়কোয়াদ অপরাজিত থাকেন ৩১ রানে। এ ছাড়া বিরাট কোহলির ব্যাট থেকে আসে ২৯ রান।

ভারতের পতন হওয়া উইকেট দুটি ভাগাভাগি করেছেন সিলস ও শামার জোসেফ। ৮ ওভারে ৮৯ রান দিয়ে সবচেয়ে বেশি খরুচে ছিলেন আলজারি জোসেফ।

তৃতীয় উইকেটে ভারতকে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হোপকে নিয়ে ১৮২ রান যোগ করেন আমির জাঙ্গো। ১০৪ রান করা হোপকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন কুলদীপ যাদব। সর্বোচ্চ ১১৪ রানের ইনিংস খেলেন আমির। ৭৭ বলে ১৩ চার ও ৩ ছয় মারেন তিনি। আরেক সেঞ্চুরিয়ান ক্যাম্পবেলের ব্যাট থেকে আসে ১০১ রান। ৬৮ বলে ৯ চার ও ৫ ছক্কায় সাজানো তাঁর ইনিংস।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান পাহাড়ের দিনে সবচেয়ে বেশি খরুচে ছিলেন গুরনুর ব্রার। ১০ ওভারে ৯৬ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নেন তিনি। রবীন্দ্র জাদেজা ও যাদবও নেন দুটি করে উইকেট। তাঁদের খরচ ৭৫ ও ৬৫ রান।

ওয়ানডেতে ১২ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়ে নতুন কীর্তি গড়েছেন রোহিত শর্মা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গুয়াহাটিতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক। ২৮২ ইনিংসে ১২ হাজার রান পূর্ণ করে শচীন টেন্ডুলকারকে পেছনে ফেলেছেন তিনি।

গৌহাটিতে রানের পাহাড় গড়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সিরিজের প্রথম দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ভারতের বিপক্ষে ৪০৫ রান করেছে ক্যারিবীয়রা। জিততেই হলে তাই শাই হোপের দলের দেওয়া রানের পাহাড় টপকাতে হবে স্বাগতিকদের।

জনপ্রিয় টার্গেট

বগুড়ার শেরপুর: হাজারো মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে চক্র

গিলের ডাবল সেঞ্চুরি, রান তাড়ার নতুন রেকর্ড ভারতের

প্রকাশ: ১২:২৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারাল ভারত। এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতল গিলের দল। এর আগে প্রথম এক দিনের ম্যাচে ৮ উইকেটে জিতেছিল ভারত। ৩ অক্টোবর চন্ডিগড়ে সিরিজের শেষ ম্যাচ খেলতে নামবে দুদল।

বর্ষাপাড়া ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে তিন সেঞ্চুরিতে ৪০৫ রানে করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রান তাড়ায় গিল ও রোহিতের জোড়া সেঞ্চুরিতে ৩৯ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে ভারত। ওয়ানডে ইতিহাসে এটা তাদের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের নতুন রেকর্ড। এর আগে ২০১৩ সালে জয়পুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩৬০ রান তাড়া করে জিতেছিল ভারত।

ভারতের বিপক্ষে করা ৪০৫ রান ওয়ানডের এক ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সর্বোচ্চ। কিন্তু ভারতের ব্যাটিং দাপটে রেকর্ড গড়েও জেতা হলো না শাই হোপের দলের।

ভারতের জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান গিলের। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন তিনি। ১১৭ বলে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন। যা ওয়ানডেতে দ্রুততম। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন ভারতীয় দলপতি। এর আগে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০৮ রান করেছিলেন এই ব্যাটার।

লক্ষ্য তাড়ায় ওপেনিং জুটিতে ২৫৫ রান তোলেন গিল ও রোহিত। ওয়ানডেতে এটা ভারতের হয়ে উদ্বোধনী জুটিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। আগের রেকর্ডটি ছিল শচীন টেন্ডুলকার ও সৌরভ গাঙ্গুলীর দখলে। ২০০১ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে পার্লে ২৫৮ রান করেছিলেন তাঁরা। অল্পের জন্য সাবেক দুই তারকার রেকর্ড ভাঙতে পারলেন না গিল ও রোহিত।

সেঞ্চুরির পরপরই রোহিত জেডন সিলসের বলে এলবিডব্লু হলে ভারতের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে। প্যাভিলিয়নের পথ ধরার আগে ৭৫ বলে ১০ চার ও ৬ ছক্কায় ১০১ রান এনে দেন সাবেক অধিনায়ক। রোহিত ফিরলেও ঝড় অব্যাহত রাখেন গিল। বিরাট কোহলি ও গায়কোয়াদকে নিয়ে বাকি কাজটুকু সারেন তিনি। জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার সময় তাঁর নামের পাশে শোভা পাচ্ছিল ২২৩ রান। ১৩৩ বলের ইনিংসটি সাজানো ২৬ চার ও ৮ ছক্কায়। গায়কোয়াদ অপরাজিত থাকেন ৩১ রানে। এ ছাড়া বিরাট কোহলির ব্যাট থেকে আসে ২৯ রান।

ভারতের পতন হওয়া উইকেট দুটি ভাগাভাগি করেছেন সিলস ও শামার জোসেফ। ৮ ওভারে ৮৯ রান দিয়ে সবচেয়ে বেশি খরুচে ছিলেন আলজারি জোসেফ।

তৃতীয় উইকেটে ভারতকে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হোপকে নিয়ে ১৮২ রান যোগ করেন আমির জাঙ্গো। ১০৪ রান করা হোপকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন কুলদীপ যাদব। সর্বোচ্চ ১১৪ রানের ইনিংস খেলেন আমির। ৭৭ বলে ১৩ চার ও ৩ ছয় মারেন তিনি। আরেক সেঞ্চুরিয়ান ক্যাম্পবেলের ব্যাট থেকে আসে ১০১ রান। ৬৮ বলে ৯ চার ও ৫ ছক্কায় সাজানো তাঁর ইনিংস।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান পাহাড়ের দিনে সবচেয়ে বেশি খরুচে ছিলেন গুরনুর ব্রার। ১০ ওভারে ৯৬ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নেন তিনি। রবীন্দ্র জাদেজা ও যাদবও নেন দুটি করে উইকেট। তাঁদের খরচ ৭৫ ও ৬৫ রান।

ওয়ানডেতে ১২ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়ে নতুন কীর্তি গড়েছেন রোহিত শর্মা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গুয়াহাটিতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক। ২৮২ ইনিংসে ১২ হাজার রান পূর্ণ করে শচীন টেন্ডুলকারকে পেছনে ফেলেছেন তিনি।

গৌহাটিতে রানের পাহাড় গড়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সিরিজের প্রথম দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ভারতের বিপক্ষে ৪০৫ রান করেছে ক্যারিবীয়রা। জিততেই হলে তাই শাই হোপের দলের দেওয়া রানের পাহাড় টপকাতে হবে স্বাগতিকদের।