নির্বাচনের রোডম্যাপ চায় গণসংহতি আন্দোলন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:৪৭:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫
  • ৩৩৮ বার পঠিত হয়েছে

জোনায়েদ সাকি

গণসংহতি আন্দোলন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নির্বাচন, বিচার ও সংস্কারের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ দাবি করেছে।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘সরকার বলেছে, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন হবে। ফলে রাজনৈতিক দলগুলো ডিসেম্বরে নির্বাচন চায়। এখন ডিসেম্বর থেকে কোনো কারণে নির্বাচন পেছায়, তাহলে বাড়তি সময় কেন লাগবে তা সরকারকেই ব্যাখ্যা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশনে সর্বোচ্চ ছাড় দিয়ে ঐকমত্য তৈরি করতে চাই। যেসব প্রস্তাবে ঐকমত্য হবে, তা জুলাই সনদ হিসেবে ঘোষণা করার পক্ষে আমরা। যেসব প্রস্তাবে দ্বিমত থাকবে, তা জনগণের কাছে যাবে, নির্বাচিত সরকার এসে তা বাস্তবায়ন করবে। সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে, তা জনমনে আশঙ্কা তৈরি করছে। নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু করতে সবাইকে উদ্যোগ নিতে হবে।’

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা তিনটি প্রস্তাব দিয়েছি। প্রথমত, কোনো সংস্কার গুরুত্বসহকারে করবেন, কত মাস সময় লাগবে তা রোডম্যাপ দিতে আহ্বান জানিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, নির্বাচনের খুনি শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের বিচার দৃশ্যমান করতে হবে। তৃতীয়ত, ডিসেম্বর থেকে জুন কোন মাসে করবে তা নির্দিষ্ট রোডম্যাপের দাবি জানিয়েছেন।’

জনপ্রিয় টার্গেট

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কা, শিশুসহ আহত ৩

নির্বাচনের রোডম্যাপ চায় গণসংহতি আন্দোলন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

প্রকাশ: ০৯:৪৭:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

গণসংহতি আন্দোলন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নির্বাচন, বিচার ও সংস্কারের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ দাবি করেছে।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘সরকার বলেছে, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন হবে। ফলে রাজনৈতিক দলগুলো ডিসেম্বরে নির্বাচন চায়। এখন ডিসেম্বর থেকে কোনো কারণে নির্বাচন পেছায়, তাহলে বাড়তি সময় কেন লাগবে তা সরকারকেই ব্যাখ্যা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশনে সর্বোচ্চ ছাড় দিয়ে ঐকমত্য তৈরি করতে চাই। যেসব প্রস্তাবে ঐকমত্য হবে, তা জুলাই সনদ হিসেবে ঘোষণা করার পক্ষে আমরা। যেসব প্রস্তাবে দ্বিমত থাকবে, তা জনগণের কাছে যাবে, নির্বাচিত সরকার এসে তা বাস্তবায়ন করবে। সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে, তা জনমনে আশঙ্কা তৈরি করছে। নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু করতে সবাইকে উদ্যোগ নিতে হবে।’

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা তিনটি প্রস্তাব দিয়েছি। প্রথমত, কোনো সংস্কার গুরুত্বসহকারে করবেন, কত মাস সময় লাগবে তা রোডম্যাপ দিতে আহ্বান জানিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, নির্বাচনের খুনি শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের বিচার দৃশ্যমান করতে হবে। তৃতীয়ত, ডিসেম্বর থেকে জুন কোন মাসে করবে তা নির্দিষ্ট রোডম্যাপের দাবি জানিয়েছেন।’