শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ছাগলনাইয়া উপজেলার মুহুরীগঞ্জ দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সকালে একটি কাভার্ড ভ্যান মহাসড়কে বিকল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। পরে কাভার্ড ভ্যানটি সরিয়ে নিতে চালক ও হেলপার একটি লং ভেহিকেলের সহায়তা নেন। লং ভেহিকেলের সঙ্গে কাভার্ড ভ্যানটি বেঁধে সরানোর সময় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাস এসে কাভার্ড ভ্যানটির পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়।
দুর্ঘটনায় চারজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁদের উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসক কাভার্ড ভ্যানের চালক, হেলপার ও ইউনিক পরিবহনের বাসচালককে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
ফাজিলপুর হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু নোমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় চারজনকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। নিহতদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তাঁদের পরিচয় শনাক্তে পিবিআই কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, আহত ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস, কাভার্ড ভ্যান ও লং ভেহিকেল পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে স্কচটেপ লাগানো অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ওই ব্যক্তিকে সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে তাঁর নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
পুলিশ জানায়, প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকার বাসভবন থেকে জয়পুরহাটে যাচ্ছিলেন। তাঁদের গাড়ির সামনে পুলিশ প্রটেকশনের একটি গাড়ি ছিল। গোপীনাথপুর এলাকায় ফিরোজা বেগম সড়ক পার হওয়ার সময় হঠাৎ প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির সামনে চলে আসেন। এ সময় গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লেগে তিনি সড়কে পড়ে যান এবং তাঁর ডান
গ্রেপ্তার আসির মিয়া শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের ধামোদরতপী গ্রামের মৃত শফিক মিয়ার ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা, মারামারি, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দৈনিক টার্গেট 




















