নিজের পোস্টে ওই ব্যবহারকারী লিখেছিলেন—বালিতে তাঁর সঙ্গে ২৭ বছর বয়সী এক জার্মান তরুণীর দেখা হয়েছে। তিনি একা বিশ্বভ্রমণ করছেন এবং নিজেকে খুঁজে পাওয়ার আশায় চাকরি ছেড়েছেন। তাঁর কোনো বাড়ি বা সঞ্চয় নেই। এখনো শিক্ষাঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হচ্ছে তাঁকে। এমনকি সন্তান নেওয়ার আগে পৃথিবীটা ঘুরে দেখতে চান বলেও জানিয়েছেন ওই তরুণী।
পোস্টে আরও বলা হয়—চলতি বছরে তরুণীর সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল ৮টি ভিন্ন দেশে সূর্যাস্ত দেখা। ওই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পোস্টদাতা মন্তব্য করেন, ইনস্টাগ্রাম তাঁকে এমন এক জীবনযাপনের স্বপ্ন দেখিয়েছে, যা বহন করার সামর্থ্য তাঁর নেই। তবে একই সঙ্গে তরুণীর ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য শুভকামনাও জানিয়েছেন তিনি।
পোস্টটি ঘিরে নেটিজেনরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। এক পক্ষ মনে করছেন, তরুণ বয়সে নিজের পছন্দমতো জীবন কাটানো এবং পৃথিবীকে জানার সুযোগ গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ। অন্য পক্ষের মতে, আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া ভবিষ্যতে অনিশ্চয়তা বাড়াতে পারে।
এক ব্যবহারকারী নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে লিখেছেন, ২৬ বছর বয়সে তিনিও একইভাবে ভ্রমণে বেরিয়েছিলেন। সেই ভ্রমণেই তাঁর বর্তমান স্বামীর সঙ্গে পরিচয় হয়। বর্তমানে তাঁর সুন্দর পরিবার ও সন্তান রয়েছে। তাঁর মতে, প্রত্যেক মানুষের জীবনের পথ আলাদা; নিজের কাছে যা সঠিক মনে হয়, তা অনুসরণ করাই গুরুত্বপূর্ণ।
তবে ভিন্নমতও রয়েছে। এক ভ্রমণপ্রেমী মন্তব্য করেন, ভ্রমণ আনন্দদায়ক হলেও শেষ পর্যন্ত এটি অর্থের অপচয় হতে পারে।
আরেকজন ২৮ বছর বয়সী ব্যবহারকারী জানান, তরুণ বয়সে অর্জিত অর্থ সঞ্চয় না করে মোটরহোম কেনার পেছনে ব্যয় করেছেন তিনি। বর্তমানে ঋণগ্রস্ত হয়ে সেই সিদ্ধান্তের জন্য অনুশোচনা করছেন। তাঁর মতে, তখন অর্থ সঞ্চয় করে নিজের দক্ষতা ও ভবিষ্যতের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত ছিল।

দৈনিক টার্গেট 























