চলতি নারী কৃষক বর্ষ এবং জাতিসংঘের জলবায়ু, জীববৈচিত্র্য ও মরুকরণবিষয়ক কনভেনশনগুলোর বৈঠক গ্রামীণ নারীদের প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবে মূল্যায়নের বড় সুযোগ এনে দিয়েছে। কৃষি নীতি নির্ধারণ ও জলবায়ু বাজেটে তাঁদের কার্যকর নেতৃত্ব নিশ্চিত করা জরুরি। জাতিসংঘ নারী সংস্থা বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, গ্রামীণ নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাধাগুলো দূর করে সরাসরি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। খাদ্য ও প্রকৃতি রক্ষায় তাঁদের যতখানি অবদান, সমাজ ও রাষ্ট্রে তাঁদের ক্ষমতার ভারসাম্যও ততখানি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচারের আন্দোলনে নারীরা প্রায়ই সামনের সারিতে থাকেন। তবে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সংবিধান প্রণয়ন, নীতিনির্ধারণ ও নতুন প্রতিষ্ঠান গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় তাঁদের অংশগ্রহণ অনেক ক্ষেত্রেই সীমিত থাকে। রাজনৈতিক রূপান্তরে নেতৃত্ব দিলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায় থেকে নারীরা
আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ‘গার্লস টেকওভার’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এক দিনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের প্রতীকী দায়িত্ব পালন করেছে এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শীতল। এই উদ্যোগে কন্যাশিশুর শিক্ষা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও নেতৃত্বের সুযোগ তৈরির
দৈনিক টার্গেট 























