পোস্টটিতে ১১ হাজারের বেশি রিঅ্যাকশন, ১ হাজার ৫০০টি কমেন্ট ও তিন হাজারের বেশি বার শেয়ার দেখা যায়। কমেন্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায়, অধিকাংশ ব্যবহারকারী দাবিটিকে সত্য মনে করে কমেন্ট করেছেন।
ছড়িয়ে পড়া দাবির বিষয়ে অনুসন্ধানে দেশের বিভিন্ন মূলধারার গণমাধ্যমে একই ছবি ও ভিডিওসহ প্রতিবেদন পাওয়া যায়। তাহলে কি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতির চেয়ারে বসেছেন—দাবিটি সঠিক?
দাবির সত্যতা যাচাইয়ে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের (বঙ্গভবন) পূর্ববর্তী বিভিন্ন সৌজন্য সাক্ষাতের অফিশিয়াল ছবি ও ভিডিও পর্যালোচনা করে আজকের পত্রিকা ফ্যাক্টচেক টিম।
একই প্রটোকল দেখা যায় সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠকের ছবিগুলোতেও। শেখ হাসিনার বসা চেয়ারের পেছনের পতাকায় ‘রাষ্ট্রপতি’ লেখা পতাকা ও রাষ্ট্রপতির পেছনে ছিল জাতীয় পতাকা।
এমনকি দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কূটনীতিক ও অতিথিদের সঙ্গে বঙ্গভবনের বৈঠকের সময়ও একই ধরনের আসনবিন্যাস দেখা যায়। অর্থাৎ, বঙ্গভবনের এই প্রটোকল বা আসনবিন্যাস নতুন কোনো ঘটনা নয়। এটি দীর্ঘদিনের প্রচলিত সরকারি প্রটোকলচর্চা।
বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতির আসনে বসেছিলেন বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়। বরং, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী নিজ নিজ নির্ধারিত চেয়ারেই বসেছিলেন।
দৈনিক টার্গেট 


























