সাড়ে পাঁচ মাসে প্রায় ১ হাজারের বেশি শিশুর অকালমৃত্যু প্রমাণ করে, টিকাদান অভিযানের কথা বলা হলেও রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রের কৌশলগত ঘাটতি রয়ে গেছে। যেখানে ডব্লিউএইচওর তথ্যমতে, আক্রান্ত শিশুদের একটি বড় অংশই চরম অপুষ্টির শিকার। একটি প্রতিরোধযোগ্য সংক্রামক ব্যাধিতে প্রতিদিন গড়ে একাধিক নিষ্পাপ শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রের ব্যর্থতাকেই সামনে নিয়ে আসে। নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে দীর্ঘদিনের গাফিলতি, বিগত বছরগুলোতে টিকা সরবরাহের সংকট এবং বিশেষ টিকা অভিযান বন্ধ থাকার ফলে দেশের একটি বিরাটসংখ্যক শিশু অরক্ষিত থেকে গেছে। এই জাতীয় বিপর্যয় থেকে কোমলমতি শিশুদের বাঁচাতে হলে সরকারকে আমলাতান্ত্রিক অজুহাত অতিক্রম করে অবিলম্বে জরুরি ভিত্তিতে সমন্বিত ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
এখন আর পেছনে ফিরে তাকানোর সুযোগ নেই। সে জন্য জরুরি করণীয় হলো, টিকাদান কর্মসূচির পরিধি দ্রুত বিস্তৃত করা এবং কোনো শিশুই যেন টিকার আওতা থেকে বাদ না পড়ে, তা নিশ্চিত করা। শুধু পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে নজর সীমাবদ্ধ না রেখে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের অন্তত ৯৫ শতাংশকে টিকাদানের আওতায় আনতে হবে। এর জন্য মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাদ পড়া শিশুদের সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করা জরুরি।
অতি দ্রুত যে টিকা আসার কথা রয়েছে, তা যেন কোনো ধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে না পড়ে, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই যেন একটি শিশুও টিকাদান কর্মসূচির বাইরে না থাকে। এ ছাড়া দুর্গম এলাকা, বস্তি ও ভাসমান জনগোষ্ঠীর শিশুদেরও টিকা দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। টিকাদানের বয়সসীমা কমিয়ে এনে দ্রুততম সময়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লক্ষ্য ঠিক করে টিকাদান অভিযান পরিচালনা করা এখন সময়ের দাবি।
হামে আক্রান্ত শিশুদের একটি বিরাট অংশ অপুষ্টির শিকার। তাই মাঠপর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং প্রয়োজনীয় জরুরি ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। সঙ্গে পুষ্টিকর খাবারের ব্যাপারেও শিশুদের অভিভাবকদের সচেতন করা জরুরি।
হামের এই অনাকাঙ্ক্ষিত প্রাদুর্ভাবকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে টিকাদানকাঠামো পুনর্গঠন এবং পর্যাপ্ত টিকার জোগান নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এমন ভয়াবহ মৃত্যু থেকে রক্ষা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। আধুনিক কালে হামের মতো একটি রোগের কারণে শত শত শিশুর মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যাপক প্রসার, বিশেষত সাম্প্রতিককালে বৃহৎ ভাষা মডেল বা লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (এলএলএম) এবং এই প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত চ্যাটবট ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার বিরুদ্ধে নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তাই এ প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক যে আমাদের ব্যক্তিগত…
আজ ২০২৬ সালের এমন এক বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে প্রযুক্তির অন্ধ অনুকরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার এক নীরব কিন্তু শক্তিশালী আন্দোলন শুরু হয়েছে। ২০২০-২১ সালের কোভিড-১৯ মহামারির সেই অবরুদ্ধ দিনগুলোতে বিশ্বজুড়ে শিক্ষাব্যবস্থায় প্রযুক্তির এক অভূতপূর্ব প্রবেশ ঘটেছিল। তখন মনে করা হয়েছিল ডিজিটাল ডিভাইস ছাড়া
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানিয়েছে, আগস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জুলাইয়ে তা ছিল ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। সংখ্যাটি দেখলে মনে হতে পারে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। বাস্তবতা তা বলে না। গত ১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতি এখনো ৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ।
দৈনিক টার্গেট 
























