পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়েই হবে তারেক রহমানের ভারত সফর: চিফ হুইপ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৫:২০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৩ বার পঠিত হয়েছে

আজ বুধবার জাতীয় সংসদের টানেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ হুইপ।

প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে নূরুল ইসলাম বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতকে বাংলাদেশ উপেক্ষা করবে না। ভারতও বাংলাদেশকে উপেক্ষা করে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী, তাদের সময় মিলে যে সময়টা সুবিধাজনক হবে এবং এটা পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে যখন ভালো হবে, ঠিক তখনই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করবেন।

ভারত সফরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি নেই বলেও জানান চিফ হুইপ। ভারতের দিক থেকেও আপত্তি থাকার কথা নয় বলে তিনি মনে করেন।

সফরের জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘কেউ যদি ঠিক করে দেয় যে এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আসতে হবে, নতুবা নয়, কিন্তু নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে আমার সময় না থাকলে আমি যাব কী করে? সেটাতে কেউ সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। এটা স্বাধীন দেশ।’

চিফ হুইপ বলেন, ‘ইফ এনি কন্ডিশন হ্যাজ বিন ইমপোজড বাই আওয়ার ফ্রেন্ডস, সেটা আমাদের ভালোভাবে নেওয়াটা একটু কষ্টের ব্যাপার হয়ে যায়।’

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে নূরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির কথা বলেছেন। বাংলাদেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে মর্যাদা, সম্মান ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

চিফ হুইপ বলেন, ‘ভারত আমাদের একটা নেইবারিং কান্ট্রি। আমরা কোনো নেইবারকে ইগনোর করি না।’

বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটিও যেন অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার না হয়, সেটি সরকারের অবস্থান বলে উল্লেখ করেন তিনি। একইভাবে অন্য কোনো প্রতিবেশী দেশের ভূখণ্ডও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে না বলে প্রত্যাশা করেন তিনি। ক্ষমতাচ্যুত সরকারের বিভিন্ন ব্যক্তির ভারতে অবস্থানের প্রসঙ্গও তোলেন চিফ হুইপ।

চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির অভিযোগ, গত ১৭ বছরে নিপীড়ন, নির্যাতন, লুটপাট, গুম ও খুনে জড়িত অনেকেই ভারতে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। গণতন্ত্র, অর্থনীতি, মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকার ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে রয়েছে, তাদের আশ্রয় না দিতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

নূরুল ইসলাম বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত কাউকে ভারত আশ্রয় বা প্রশ্রয় দেবে না বলে তারা প্রত্যাশা করেন। গত ১৭ বছরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের ভূমিকারও সমালোচনা করেন চিফ হুইপ। তিনি বলেন, ভারত নিজেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে দাবি করে এবং বাংলাদেশও সেটি বিশ্বাস করে। কিন্তু বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ভারত কথা বলেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

নূরুল ইসলাম বলেন, গত ১৭ বছর ধরে আমাদের দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। এ দেশে মানুষের মানবাধিকার বলতে কিছুই ছিল না। ভারত একবারও কথা বলে নাই। সে দুঃখ আমাদের আছে এবং অনেক দিন ধরে থাকবে।

এই অসন্তোষ দূর করার দায়িত্ব মূলত ভারতের বলে মন্তব্য করেন তিনি।

চিফ হুইপ বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও বাড়বে। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের মর্যাদার ভিত্তিতে।

বাংলাদেশ ও ভারতের সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি ‘ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’ গঠনের প্রস্তাবের কথাও জানান চিফ হুইপ। তিনি বলেন, দীনেশ ত্রিবেদী দুই দেশের সংসদের মধ্যে এমন একটি কাঠামো গড়ে তোলার আগ্রহ জানিয়েছেন।

আগেও বাংলাদেশের সংসদে এ ধরনের বন্ধুত্ব কমিটি ছিল জানিয়ে নূরুল ইসলাম বলেন, নতুন করে সেটি গঠনে কোনো সমস্যা নেই। ভারতের সংসদীয় চর্চাকে বাংলাদেশ বিভিন্ন সময়ে অনুসরণ করেছে বলেও জানান তিনি।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অমীমাংসিত বিষয়গুলোর মধ্যে পানিবণ্টনের সমস্যাকে ‘বড় সমস্যা’ হিসেবে তুলে ধরেন চিফ হুইপ। বাংলাদেশ ভাটির দেশ হওয়ায় উজানের পানি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

পানির অভাবে বাংলাদেশকে পানি সংরক্ষণের জন্য বড় প্রকল্প নেওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে বলেও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে। এ সমস্যা সমাধানে ভারত এগিয়ে আসবে বলে প্রত্যাশা করেন নূরুল ইসলাম।

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া এবং বিএসএফের হাতে বাংলাদেশি নিহত হওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। চিফ হুইপ বলেন, ‘আমরা বলি ভারত আমাদের বন্ধু, ভারতও বলে আমরা তাদের বন্ধু। কিন্তু তারা বেড়া দিয়েছে আমাদের ওপরে।’

সীমান্তে বাংলাদেশি নিহত হওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের মানুষ যখন মারা যায়, আমরা কষ্ট পাই। সে হিন্দু কি মুসলমান, যে মানুষই হোক, বাংলাদেশে বসবাস করে।’

সীমান্তের বিষয়গুলো ভারত মানবিকভাবে বিবেচনা করলে দুই দেশের অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেন চিফ হুইপ। তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বজায় রেখে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষা করতে চায়। এ কাজে ভারতের সহযোগিতাও মর্যাদার ভিত্তিতে প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ।

মালয়েশিয়া আগামী ছয় মাসে বাংলাদেশ থেকে ২ লাখ কর্মী নেবে এমনটাই দাবি করেছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তবে তাঁর দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে নাকচ করে দিয়েছেন মালয়েশিয়া সরকারের মুখপাত্র দাতুক সেরি ফাহমি ফাদজিল। তিনি জানান, এই বক্তব্যটি বাংলাদেশের সরকারের কোনো সরকারি সিদ্ধান

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভালো কাজের মূল্যায়ন করার আহ্বান জানিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল। তিনি দেশের বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের অপারেশনাল কাজের প্রশংসাও করেছেন।

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের আওতায় নির্মিত দুটি সার্ভিস সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। আজ সকালে ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত নির্মিত দুই লেনের পৃথক সার্ভিস সেতু দুটি উদ্বোধন করেন সেতুমন্ত্রী।

জনপ্রিয় টার্গেট

বরিশালে মাদ্রাসার সভাপতি নিয়ে চরমোনাই ও বিএনপিতে উত্তেজনা

পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়েই হবে তারেক রহমানের ভারত সফর: চিফ হুইপ

প্রকাশ: ০৫:২০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজ বুধবার জাতীয় সংসদের টানেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ হুইপ।

প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে নূরুল ইসলাম বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতকে বাংলাদেশ উপেক্ষা করবে না। ভারতও বাংলাদেশকে উপেক্ষা করে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী, তাদের সময় মিলে যে সময়টা সুবিধাজনক হবে এবং এটা পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে যখন ভালো হবে, ঠিক তখনই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করবেন।

ভারত সফরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি নেই বলেও জানান চিফ হুইপ। ভারতের দিক থেকেও আপত্তি থাকার কথা নয় বলে তিনি মনে করেন।

সফরের জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘কেউ যদি ঠিক করে দেয় যে এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আসতে হবে, নতুবা নয়, কিন্তু নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে আমার সময় না থাকলে আমি যাব কী করে? সেটাতে কেউ সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। এটা স্বাধীন দেশ।’

চিফ হুইপ বলেন, ‘ইফ এনি কন্ডিশন হ্যাজ বিন ইমপোজড বাই আওয়ার ফ্রেন্ডস, সেটা আমাদের ভালোভাবে নেওয়াটা একটু কষ্টের ব্যাপার হয়ে যায়।’

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে নূরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির কথা বলেছেন। বাংলাদেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে মর্যাদা, সম্মান ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।

চিফ হুইপ বলেন, ‘ভারত আমাদের একটা নেইবারিং কান্ট্রি। আমরা কোনো নেইবারকে ইগনোর করি না।’

বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটিও যেন অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার না হয়, সেটি সরকারের অবস্থান বলে উল্লেখ করেন তিনি। একইভাবে অন্য কোনো প্রতিবেশী দেশের ভূখণ্ডও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে না বলে প্রত্যাশা করেন তিনি। ক্ষমতাচ্যুত সরকারের বিভিন্ন ব্যক্তির ভারতে অবস্থানের প্রসঙ্গও তোলেন চিফ হুইপ।

চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির অভিযোগ, গত ১৭ বছরে নিপীড়ন, নির্যাতন, লুটপাট, গুম ও খুনে জড়িত অনেকেই ভারতে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। গণতন্ত্র, অর্থনীতি, মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকার ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে রয়েছে, তাদের আশ্রয় না দিতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

নূরুল ইসলাম বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত কাউকে ভারত আশ্রয় বা প্রশ্রয় দেবে না বলে তারা প্রত্যাশা করেন। গত ১৭ বছরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের ভূমিকারও সমালোচনা করেন চিফ হুইপ। তিনি বলেন, ভারত নিজেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে দাবি করে এবং বাংলাদেশও সেটি বিশ্বাস করে। কিন্তু বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ভারত কথা বলেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

নূরুল ইসলাম বলেন, গত ১৭ বছর ধরে আমাদের দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। এ দেশে মানুষের মানবাধিকার বলতে কিছুই ছিল না। ভারত একবারও কথা বলে নাই। সে দুঃখ আমাদের আছে এবং অনেক দিন ধরে থাকবে।

এই অসন্তোষ দূর করার দায়িত্ব মূলত ভারতের বলে মন্তব্য করেন তিনি।

চিফ হুইপ বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও বাড়বে। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের মর্যাদার ভিত্তিতে।

বাংলাদেশ ও ভারতের সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি ‘ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’ গঠনের প্রস্তাবের কথাও জানান চিফ হুইপ। তিনি বলেন, দীনেশ ত্রিবেদী দুই দেশের সংসদের মধ্যে এমন একটি কাঠামো গড়ে তোলার আগ্রহ জানিয়েছেন।

আগেও বাংলাদেশের সংসদে এ ধরনের বন্ধুত্ব কমিটি ছিল জানিয়ে নূরুল ইসলাম বলেন, নতুন করে সেটি গঠনে কোনো সমস্যা নেই। ভারতের সংসদীয় চর্চাকে বাংলাদেশ বিভিন্ন সময়ে অনুসরণ করেছে বলেও জানান তিনি।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অমীমাংসিত বিষয়গুলোর মধ্যে পানিবণ্টনের সমস্যাকে ‘বড় সমস্যা’ হিসেবে তুলে ধরেন চিফ হুইপ। বাংলাদেশ ভাটির দেশ হওয়ায় উজানের পানি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

পানির অভাবে বাংলাদেশকে পানি সংরক্ষণের জন্য বড় প্রকল্প নেওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে বলেও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে। এ সমস্যা সমাধানে ভারত এগিয়ে আসবে বলে প্রত্যাশা করেন নূরুল ইসলাম।

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া এবং বিএসএফের হাতে বাংলাদেশি নিহত হওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। চিফ হুইপ বলেন, ‘আমরা বলি ভারত আমাদের বন্ধু, ভারতও বলে আমরা তাদের বন্ধু। কিন্তু তারা বেড়া দিয়েছে আমাদের ওপরে।’

সীমান্তে বাংলাদেশি নিহত হওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের মানুষ যখন মারা যায়, আমরা কষ্ট পাই। সে হিন্দু কি মুসলমান, যে মানুষই হোক, বাংলাদেশে বসবাস করে।’

সীমান্তের বিষয়গুলো ভারত মানবিকভাবে বিবেচনা করলে দুই দেশের অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেন চিফ হুইপ। তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বজায় রেখে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষা করতে চায়। এ কাজে ভারতের সহযোগিতাও মর্যাদার ভিত্তিতে প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ।

মালয়েশিয়া আগামী ছয় মাসে বাংলাদেশ থেকে ২ লাখ কর্মী নেবে এমনটাই দাবি করেছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তবে তাঁর দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে নাকচ করে দিয়েছেন মালয়েশিয়া সরকারের মুখপাত্র দাতুক সেরি ফাহমি ফাদজিল। তিনি জানান, এই বক্তব্যটি বাংলাদেশের সরকারের কোনো সরকারি সিদ্ধান

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভালো কাজের মূল্যায়ন করার আহ্বান জানিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল। তিনি দেশের বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের অপারেশনাল কাজের প্রশংসাও করেছেন।

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের আওতায় নির্মিত দুটি সার্ভিস সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। আজ সকালে ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত নির্মিত দুই লেনের পৃথক সার্ভিস সেতু দুটি উদ্বোধন করেন সেতুমন্ত্রী।