হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৌদি আরবে ৭৩ জন আহত হওয়ার পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও–ও এই অবস্থানের কথা বলেন। তিনি হুতিদের ‘ইরানিদের এজেন্ট ও প্রক্সি’ বলে উল্লেখ করেন এবং তাদের পেছনে ‘ইরানের হাত’ রয়েছে বলে মন্তব্য করেন। এই ব্যাখ্যা আপাত স্বস্তিদায়ক। কারণ, এটি হিজবুল্লাহ এবং ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সের মিলিশিয়াদের নিয়ে তৈরি পরিচিত বিশ্লেষণী কাঠামোর সঙ্গে মিলে যায়। এর ফলে নীতিনির্ধারকেরা ইয়েমেনকে বৃহত্তর ইরান-সংক্রান্ত নীতির একটি অংশ হিসেবেই দেখার সুযোগ পান।
কিন্তু এই ব্যাখ্যা সঠিক নয় এবং এর ওপর ভিত্তি করে হুতিদের বিষয়ে কার্যকর মার্কিন নীতি তৈরি করাও সম্ভব নয়। ইরান হুতিদের অস্ত্র, প্রশিক্ষণ ও সমন্বয় সহায়তা দেয় এবং এই সম্পর্ক অবশ্যই গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে হুতিদের নিজস্ব উৎপত্তি, স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো, নিজস্ব আয়ের উৎস এবং এমন কর্মকাণ্ডের নজির রয়েছে—যেখানে নিজেদের স্বার্থের কারণে তারা তেহরানের পছন্দের বিরুদ্ধেও কাজ করেছে। হুতিদের যদি শুধু ইরানের ইচ্ছা বাস্তবায়নের একটি হাতিয়ার হিসেবে দেখা হয়, তাহলে হুমকিটিকে ভুলভাবে বোঝা হবে এবং মার্কিন নীতিও ভুল জায়গায় চাপ প্রয়োগ করবে।
থিংক ট্যাংক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের (সিএফআর) তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হুতিদের অস্ত্র, প্রশিক্ষণ ও গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে আটক করা একটি চালান থেকেই প্রায় ৭৫০ টন ইরানি অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল—ড্রোনের যন্ত্রাংশ, ক্ষেপণাস্ত্রের ওয়ারহেড এবং রাডার ব্যবস্থা, যা হুতিদের জন্য পাঠানো হচ্ছিল। লোহিত সাগর এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হুতিদের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সক্ষমতা বাড়াতে এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
আরেক থিংক ট্যাংক ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপও হুতিদের ইরানের ‘অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্সের’ গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে। সংস্থাটির মতে, হামলার সময় ও বার্তা নিয়ে হুতিরা তেহরানের সঙ্গে সমন্বয় করে। এর মধ্যে ২০২৬ সালের মার্চে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সরাসরি হামলায় হুতিদের প্রবেশও ছিল। সে সময় তারা মনে করেছিল, আঞ্চলিকভাবে ইরানের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে।
তবে এসব তথ্য ইরান ও হুতিদের সম্পর্ককে হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইরানের সম্পর্কের মতো প্রক্সি সম্পর্ক হিসেবে প্রমাণ করে না। সিএফআর-এর গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো, ইরান হুতিদের তৈরি করেনি। এ ছাড়া দুই পক্ষের ধর্মীয় ধারাও আলাদা। হুতিরা জাইদি শিয়া মতাদর্শ অনুসরণ করে, আর ইরান ‘টুয়েলভার শিয়া’ বা ইসনা আশারিয়া (এটি শিয়া ইসলামের মূল ও সবচেয়ে বড় শাখা, যা মোট শিয়া মুসলিমদের প্রায় ৮৫ শতাংশ। তারা মনে করে হযরত আলী (রা.) থেকে শুরু করে মহানবীর (সা.) বংশানুক্রমিক ১২ জন নির্দিষ্ট ইমামই ইসলামের প্রকৃত নেতা। তাদের বিশ্বাস, ১২ নম্বর ইমাম (মুহাম্মদ আল-মাহদি) নবম শতকে গায়েব বা অদৃশ্য হয়ে গেছেন এবং কেয়ামতের আগে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় পৃথিবীতে ফিরে আসবেন। মতাদর্শ অনুসরণ করে।) তাই হুতিদের ইরানের সরাসরি অধীনস্থ শক্তির বদলে ইরানের একজন ‘অনানুষ্ঠানিক অংশীদার’ হিসেবে দেখা বেশি যুক্তিযুক্ত।
এ ছাড়া, ২০২০ সালে মার্কিন থিংক ট্যাংক র্যান্ড করপোরেশনের এক গবেষণাতেও একই ধরনের সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়। গবেষণায় বলা হয়, ২০১৫ সালের পর ইয়েমেনে ইরানের বিনিয়োগ ও সম্পৃক্ততা অনেক বেড়ে গেলেও দুই পক্ষের সম্পর্ক ‘মূলত লেনদেনভিত্তিক’ই থেকে যায়। ১৯৯০-এর দশকে হুসেইন আল-হুতি যখন সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন, তখন এর প্রধান লক্ষ্য ছিল মূলত ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং প্রেসিডেন্ট আলি আবদুল্লাহ সালেহর শাসনামলে জায়দি জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক প্রান্তিকতার বিরুদ্ধে লড়াই। এরপরও সংগঠনটি ইরানের বিপ্লবী আদর্শ অনুকরণে খুব বেশি আগ্রহ দেখায়নি।
ইরানের প্রক্সি হিসেবে হুতিদের দেখার বিরুদ্ধে সবচেয়ে স্পষ্ট যুক্তি দিয়েছেন ব্রুকিংসের গবেষক অ্যালিসন মাইনর। তাঁর মতে, হুতিদের ইরানের প্রক্সি বলা ‘তারা যে হুমকি তৈরি করছে, সেটিকে মৌলিকভাবে ভুলভাবে উপস্থাপন করে’ এবং এর ফলে কার্যকর নীতি গ্রহণ বাধাগ্রস্ত হয়। মাইনর হুতিদের স্বাধীন সিদ্ধান্তের কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ২০১৯ সালে সৌদি আরবের সঙ্গে হুতিদের একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা। ওই সময় ইরান সংঘাত আরও বাড়ানোর পক্ষে ছিল। আরেকটি ঘটনা হলো, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে তেল আবিবে হুতিদের ড্রোন হামলার বিষয়ে তারা ইরানকে হামলার পর জানিয়েছিল বলে খবর প্রকাশিত হয়।
হুতিরা তাদের অস্ত্র সরবরাহের উৎসও বহুমুখী করেছে। ইরানের ওপর পুরোপুরি নির্ভর না করে তারা চীনা যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করেছে এবং নিজেদের দেশে অস্ত্র উৎপাদনের ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।
হুতিদের স্বাধীনতা তাদের অর্থনৈতিক ভিত্তিতেও দেখা যায়। চলতি মাসে ইরানের ‘প্রক্সি মানি মেশিন’ নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুতিরা নিজেদের একটি বহু বিলিয়ন ডলারের আর্থিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। জ্বালানির ওপর কর, বন্দর থেকে আয় এবং চোরাচালানের মাধ্যমে এই অর্থ আসে। বছরের পর বছর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পরও এই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা টিকে আছে।
র্যান্ডের বিশ্লেষণেও একই বিষয় উঠে এসেছে। বন্দর থেকে কর আদায় এবং বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক সুবিধা বা ভাড়া আদায়ের মাধ্যমে নিজেদের আয় থাকায় হুতি নেতৃত্ব ঐতিহাসিকভাবে যথেষ্ট স্বাধীনতা পেয়েছে। কোনো প্রক্সি বাহিনী যদি পুরোপুরি তার পৃষ্ঠপোষকের অর্থের ওপর নির্ভরশীল হয়, তাহলে এমন স্বাধীনতা তার থাকার কথা নয়। হুতিদের আচরণই সম্ভবত নীতিনির্ধারণের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ। ইরান তাদের কোনো নির্দেশ দিলে তারা যে অবশ্যই তা মেনে হামলা বন্ধ করবে, এমনটি দেখা যায়নি। ২০২৫ সালে রয়টার্সের এক অনুসন্ধানে হুতি কর্মকর্তারা সরাসরি জানিয়েছিলেন, মার্কিন সামরিক চাপ কিংবা ইরানি মধ্যস্থতাকারীদের আহ্বানে তারা হামলা ‘কমিয়ে দেবে না।’ তারা তাদের অভিযানকে গাজা যুদ্ধ সম্পর্কে নিজেদের মূল্যায়নের সঙ্গে যুক্ত করেছিল।
মাইনরও একই বিষয়কে আরও কাঠামোগতভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। ২০২৩ সালের সৌদি আরব-ইরান সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তিকে ওয়াশিংটনে অনেক সময় হুতিদের নিয়ন্ত্রণে আনার একটি উপায় হিসেবে দেখা হয়েছিল। ধারণাটি ছিল, তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক হলে ইরান হুতিদের থামাতে পারবে। কিন্তু ওই বছরের পর লোহিত সাগরে হুতিদের হামলা কমাতে এই সমঝোতা কার্যত কোনো ভূমিকা রাখেনি।
বরং ইয়েমেনে সৌদি হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে যে বিষয়টি কার্যকর হয়েছিল, সেটি ছিল আলাদা একটি ২০২২ সালের জাতিসংঘ-মধ্যস্থ যুদ্ধবিরতি, যা সরাসরি হুতিদের সঙ্গে আলোচনা করে করা হয়েছিল। অর্থাৎ, ইরানের কূটনীতি যদি হুতিদের আচরণ বদলাতে না পারে, তাহলে ইরানের ওপর চাপ দিয়ে হুতিদের নিয়ন্ত্রণ করা যাবে, এমন মার্কিন নীতি একটি ভুল হাতিয়ারের ওপর দাঁড়িয়ে থাকবে।
রুবিওর সাম্প্রতিক সৌদি হামলাকে ‘ইরানের হাত’ হিসেবে দেখার ক্ষেত্রেও একই যুক্তি প্রযোজ্য। হুতিদের সৌদি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর জন্য ইরানের কোনো নির্দেশের প্রয়োজন নেই। কারণ, ২০১৫ সাল থেকে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে বোমা হামলা চালিয়েছে এবং দেশটির ওপর কঠোর সামুদ্রিক অবরোধও দিয়েছে। নিজেদের ভূখণ্ডে এক দশক ধরে চলা যুদ্ধই হুতিদের পাল্টা হামলার জন্য যথেষ্ট কারণ। প্রতিটি হামলাকে ইরানের নির্দেশ হিসেবে দেখলে হুতিদের নিজেদের যুদ্ধ এবং সেই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার নিজস্ব কারণগুলো আড়াল হয়ে যায়।
হুতিদের ইতিহাসও তাদের স্বাধীন চরিত্রের বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে। তারা ইয়েমেন রাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের প্রান্তিকীকরণের প্রতিক্রিয়া হিসেবে গড়ে ওঠা একটি স্থানীয় আন্দোলন। এর ধারাবাহিকতায় ইয়েমেনি রাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের একাধিক যুদ্ধ হয়েছে। অর্থাৎ, সংগঠনটি তেহরান থেকে আমদানি করা কোনো শক্তি নয়।
মার্কিন থিংক ট্যাংক আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের মাইকেল রুবিন এই বিষয়টিকেই তাঁর যুক্তির কেন্দ্রে রেখেছেন। তাঁর মতে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান নিজেই টিকে না থাকলেও হুতিরা টিকে থাকতে পারে। তিনি হুতিদের ‘শতাব্দীপ্রাচীন ইতিহাসসমৃদ্ধ একটি উপজাতীয় ও জায়দি সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর মতে, এখন এই আন্দোলন নিজেদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন এবং কিছু ক্ষেত্রে চীনা সহায়তার মাধ্যমে আরও শক্তিশালী হয়েছে।
রুবিনের যুক্তির প্রতিটি বিষয়কে গ্রহণ করা হোক বা না হোক, তাঁর বক্তব্য ওয়াশিংটনের একটি বাস্তব ঝুঁকি তুলে ধরে। সেই ঝুঁকি হলো, ইরানের ইসলামি সরকারের পতন বা দুর্বলতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে হুতি হুমকিকে শেষ করে দেবে, এমন ধারণা।
হুতিরা যদি শুধু ইরানের হাতের পুতুল হতো, তাহলে নীতিটি খুব সহজ হতো: তেহরানের সঙ্গে সমঝোতা করুন, আর সানা সেই অনুযায়ী চলবে। কিন্তু ২০২৩ সালের সৌদি-ইরান সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ মূলত এই ধারণাটিই পরীক্ষা করেছিল। ওপরের ঘটনাগুলো দেখায়, সেই ধারণা কার্যকর হয়নি।
তাই একটি কার্যকর মার্কিন নীতিকে দুটি পথে এগোতে হবে। প্রথমত, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের পাঠানো ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ ও রাডার ব্যবস্থার মতো নির্দিষ্ট সরবরাহ নেটওয়ার্ক দুর্বল করার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। কারণ এসব সহায়তা সত্যিই হুতিদের হামলার সক্ষমতা এবং হামলার দূরত্ব বাড়ায়।
দ্বিতীয়ত, ইয়েমেনের পরিস্থিতিকে ইয়েমেনের নিজস্ব বাস্তবতার ভিত্তিতে মোকাবিলা করতে হবে। এর জন্য জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় তৈরি যুদ্ধবিরতির কাঠামো আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন, কারণ সরাসরি হুতিদের সঙ্গে করা এই ধরনের উদ্যোগই সহিংসতা কমাতে কার্যকর হয়েছে। একই সঙ্গে হুতিদের নিজস্ব অর্থের উৎস ও চোরাচালান নেটওয়ার্ক মোকাবিলা করতে হবে। পাশাপাশি ইরানের বাইরের পৃষ্ঠপোষকদের, বিশেষ করে চীনকে, গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিতে হবে।
হুতিদের সঠিকভাবে বোঝার অর্থ হলো—তাদের এমন একটি ইয়েমেনি আন্দোলন হিসেবে দেখা, যার নিজস্ব ইতিহাস, অর্থনীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের হিসাব রয়েছে এবং যে একই সঙ্গে ইরানের অংশীদারিত্ব থেকে বাস্তব সুবিধা পায়। এটি হুমকিটির প্রতি নরম দৃষ্টিভঙ্গি নয়। বরং এটিই তুলনামূলকভাবে বেশি বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি এবং একটি দীর্ঘস্থায়ী মার্কিন ইয়েমেন নীতির ভিত্তি হতে পারে।
দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট থেকে অনুবাদ করেছেন আজকের পত্রিকার সহসম্পাদক আব্দুর রহমান
পৃথিবীর কক্ষপথে প্রথমবারের মতো সরাসরি আক্রমণাত্মক সমরাস্ত্র মোতায়েনের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বিমানবাহিনী মন্ত্রী ট্রয় মেঙ্ক জানিয়েছেন, শত্রুভাবাপন্ন দেশের যেকোনো আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে সুরক্ষায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
কর্মব্যস্ত এক দুপুর। বেলা ১২ টা। কলকাতার ট্যাংরা এলাকার শহরের একমাত্র গরু-মহিষ জবাইখানার গলিটিতে কোনো লোকের আনাগোনা নেই। শহরের পৌর করপোরেশনের পরিচালনাধীন ঔপনিবেশিক আমলের ভবনটি দেখতে অনেকটা দুর্গের মতো। বিশাল লোহার ফটক ভেতর থেকে বন্ধ।
বাব এল-মান্দেব প্রণালি আরব উপদ্বীপ ও আফ্রিকার মধ্যকার একটি সরু জলপথ। উত্তরে এটি লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগর ও ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। দক্ষিণে এটি সুয়েজ খালের মাধ্যমে ভূমধ্যসাগরে যাওয়ার পথ তৈরি করেছে।
দৈনিক টার্গেট 


























