বড় সংগ্রহের পথে আগেই নিজের কাজ সেরে রেখেছিল জিম্বাবুয়ে। টেস্ট ক্যারিয়ারের সপ্তম সেঞ্চুরি করেছিলেন ব্রেন্ডন টেলর। আজ তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক ব্রায়ান বেনেটও। জোড়া সেঞ্চুরিতে ৫০০-এর বেশি রান তুলে ফেলেছে জিম্বাবুইয়ানরা। হাতে ৯ উইকেট থাকা সত্ত্বেও আফগানরা এখনো ৩৯৩ রানে পিছিয়ে।
সপ্তম উইকেটে তাফাদজাওয়া সিগার সঙ্গে বেনেট গড়েন ৫৪ রানের জুটি। এই জুটি গড়ার পথেই তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন বেনেট। ১১৭তম ওভারের প্রথম বলে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ককে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন কায়েস আহমেদ। আচমকাই ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায় বেনেটের এবং তিনি কায়েস আহমেদকে স্লগ সুইপ করতে যান। টপ এজ হওয়া বল কাভারে সহজে ক্যাচ ধরেন জিয়া-উর-রেহমান আকবর।
আউট হওয়ার পর বেনেটের চোখে মুখে দেখা যায় হতাশা। জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক ২০৬ বলে ১১ চারে ১২৮ রান করেছেন। তিনি আউট হওয়ার পর শেষের দিকে তেমন কোনো জুটি না হলেও জিম্বাবুয়ে ঠিকই ৫০০ ছাড়িয়েছে। ১৩৪.৩ ওভারে ৫০৪ রানে গুটিয়ে যায় তারা। ইনিংস সর্বোচ্চ ১৩১ রান করেন ব্রেন্ডন টেলর।
বেনেট-টেলরের জোড়া সেঞ্চুরি, মাধেভেরের ফিফটির পাশাপাশি জিম্বাবুয়ের ইনিংসে আরও দুটি চল্লিশোর্ধ্ব রানের ইনিংস রয়েছে। ওপেনার বেন কারান করেন ৪২ রান। উইকেটরক্ষক ব্যাটার সিগা করেন ৪৪ রান। আফগানিস্তানের মোহাম্মদ সেলিম, কায়েস আহমেদ তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন।
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুর দুই বলে দুই দফা জীবন পান সেদিকউল্লাহ আতাল। ইনিংসের প্রথম বলে গালিতে তাঁর ক্যাচ হাতছাড়া হয়ে বাউন্ডারি হয়ে যায়। ঠিক তার পরের বলে (ইনিংসের দ্বিতীয় বলে) শর্ট লেগে তাঁর ক্যাচ মিস হয়। ব্লেসিং মুজারাবানির বলে যে দুইবার তিনি জীবন পেয়েছেন, তখন আতালের রান ছিল ০ ও ৪।
আতাল দুইবার জীবন পেলেও আফগানিস্তানের উদ্বোধনী জুটিতে এসেছে কেবল ১৪ রান। ষষ্ঠ ওভারের দ্বিতীয় বলে আরেক আফগান ওপেনার আব্দুল মালিককে (২) কট বিহাইন্ড করেন নিউমান নিয়ামহুরি। মালিক আউট হওয়ার পর ব্যাটিংয়ে আসেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ। এরই মধ্যে দ্বিতীয় উইকেটে তিনি ও আতাল ৯৯ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়েন। গুরবাজ ৫০ রানে ব্যাটিং করছেন। আতাল অপরাজিত ৫৫ রানে। আফগানিস্তান ৩৫ ওভারে ১ উইকেটে ১১৩ রান করেছে।

দৈনিক টার্গেট 


-d389fe-256x144.webp)






















