সৌদি আরবে হুতিদের হামলায় আহত ৭৩

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:০৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪৪ বার পঠিত হয়েছে

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ইরানে চলমান এই সংঘাতের বয়স এখন ছয় মাস। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করা, প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর হামলার সক্ষমতা থামানো এবং আঞ্চলিক মিত্র ও প্রক্সিদের প্রতি ইরানের সমর্থন কমানোর লক্ষ্য নিয়ে হামলা শুরু করার পর থেকে সংঘাতটি কয়েক দফা বিরতির পর আবারও পর্যায়ক্রমে তীব্র হয়েছে।

গত সপ্তাহে উপসাগরীয় অঞ্চলে এবং এর আশপাশে জাহাজকে ঘিরে ইরান ও প্রতিপক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার পর ইরান সতর্ক করে দিয়েছিল, উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও গ্যাসের স্বার্থও রয়েছে, ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এর পরই হুতিদের এই হামলা হলো। এসব হামলার কারণে তেলের দাম ছয় সপ্তাহেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে যায়।

সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনায় আগুন ধরে যায় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল বাহিনী ও অন্যান্য জরুরি সেবাদানকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে। ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র জানিয়েছেন, সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের চারটি শহরে চালানো হামলায় অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন।

ইয়েমেনের সবচেয়ে জনবহুল অঞ্চল এবং দেশটির উত্তরাঞ্চলের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণকারী হুতিরা গত জুলাইয়ে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করার পর থেকে দেশটির দিকে হামলা চালিয়ে আসছে। এসব হামলায় লোহিত সাগরে সৌদি আরবের জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এর পাশাপাশি ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সীমিত করে রাখায় চলতি সপ্তাহেও পণ্যবাহী জাহাজের চলাচল আবার কমে গেছে।

এদিকে, ইরান জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলে একটি নতুন সীমিত এলাকা ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে নতুন একটি নৌপথের মানচিত্রও প্রকাশ করা হবে। তবে এসব বিস্তারিত তথ্য ঠিক কখন প্রকাশ করা হবে, তা স্পষ্ট নয়। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ি গত রোববার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, নতুন এই সীমিত এলাকা শুরু হবে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ যেখানে শুরু হয়েছে, সেখান থেকে। এরপর এটি উপসাগরের বিভিন্ন এলাকায় বিস্তৃত হবে। এই এলাকায় প্রবেশকারী যেকোনো জাহাজকে ইরানের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রাখা হবে বলেও তিনি জানান।

মঙ্গলবার রেজায়ি এক্সে আবারও অর্থনৈতিক ও সামরিক, দুই ধরনের হুমকি দেন। তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ওয়াশিংটন ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা পেয়েছে। অর্থনৈতিক যুদ্ধের জবাব দেওয়া হবে পারস্য উপসাগরজুড়ে একটি সামুদ্রিক বর্জন অঞ্চল এবং অবরোধের সীমারেখা পর্যন্ত তা বিস্তারের মাধ্যমে। মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে আমাদের কার্যকর সামরিক অবস্থান মৌলিকভাবে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।’

রেজায়ি সম্ভবত কাসেম বসির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের কথা উল্লেখ করেছেন। ইরানের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির কাছে থাকা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের যুদ্ধজাহাজগুলো কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এড়িয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের ধারাবাহিক হামলায় ইরানের প্রচলিত সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আগে থেকেই দুর্বল দেশটির অর্থনীতির ওপরও চাপ আরও বেড়েছে। তারপরও ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহারের সক্ষমতা ধরে রেখেছে। এর মাধ্যমে তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে, ইরানের অনুমতি ছাড়া চলাচল করলে, হুমকি দিতে পারে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় অঞ্চলের সেই প্রতিবেশী দেশগুলোকেও হামলার হুমকি দিতে পারে, যেসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।

যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো। এর ফলে উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে তেল ও গ্যাস রপ্তানি করতে যাওয়া ট্যাংকারগুলোকে হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা ইরানের হাতে রয়েছে। এতে এমন এক সময়ে জ্বালানির দাম বেড়েছে, যখন জনমত জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে এই যুদ্ধ জনপ্রিয় নয়। ফলে নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় কংগ্রেসের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকিও বেড়েছে।

ইসরায়েলে হামাসের ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামলার প্রায় ১০ দিন আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ব্যক্তিগতভাবে সতর্ক করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন—হামাস ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছে।

রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে প্রথম সড়ক সেতু চালু হয়েছে। তুমেন নদীর ওপর নির্মিত সেতুটি দিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে দুই দেশের মধ্যে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন সহজ হবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩০০টি যানবাহন ও ২ হাজার ৩২৩ জন মানুষ সেতুটি পার হতে পারবেন।

জনপ্রিয় টার্গেট

সৌদি আরবে হুতিদের হামলায় আহত ৭৩

প্রকাশ: ০৪:০৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ইরানে চলমান এই সংঘাতের বয়স এখন ছয় মাস। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করা, প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর হামলার সক্ষমতা থামানো এবং আঞ্চলিক মিত্র ও প্রক্সিদের প্রতি ইরানের সমর্থন কমানোর লক্ষ্য নিয়ে হামলা শুরু করার পর থেকে সংঘাতটি কয়েক দফা বিরতির পর আবারও পর্যায়ক্রমে তীব্র হয়েছে।

গত সপ্তাহে উপসাগরীয় অঞ্চলে এবং এর আশপাশে জাহাজকে ঘিরে ইরান ও প্রতিপক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার পর ইরান সতর্ক করে দিয়েছিল, উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও গ্যাসের স্বার্থও রয়েছে, ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এর পরই হুতিদের এই হামলা হলো। এসব হামলার কারণে তেলের দাম ছয় সপ্তাহেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে যায়।

সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনায় আগুন ধরে যায় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল বাহিনী ও অন্যান্য জরুরি সেবাদানকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে। ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র জানিয়েছেন, সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের চারটি শহরে চালানো হামলায় অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন।

ইয়েমেনের সবচেয়ে জনবহুল অঞ্চল এবং দেশটির উত্তরাঞ্চলের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণকারী হুতিরা গত জুলাইয়ে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করার পর থেকে দেশটির দিকে হামলা চালিয়ে আসছে। এসব হামলায় লোহিত সাগরে সৌদি আরবের জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এর পাশাপাশি ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সীমিত করে রাখায় চলতি সপ্তাহেও পণ্যবাহী জাহাজের চলাচল আবার কমে গেছে।

এদিকে, ইরান জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলে একটি নতুন সীমিত এলাকা ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে নতুন একটি নৌপথের মানচিত্রও প্রকাশ করা হবে। তবে এসব বিস্তারিত তথ্য ঠিক কখন প্রকাশ করা হবে, তা স্পষ্ট নয়। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ি গত রোববার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, নতুন এই সীমিত এলাকা শুরু হবে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ যেখানে শুরু হয়েছে, সেখান থেকে। এরপর এটি উপসাগরের বিভিন্ন এলাকায় বিস্তৃত হবে। এই এলাকায় প্রবেশকারী যেকোনো জাহাজকে ইরানের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রাখা হবে বলেও তিনি জানান।

মঙ্গলবার রেজায়ি এক্সে আবারও অর্থনৈতিক ও সামরিক, দুই ধরনের হুমকি দেন। তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ওয়াশিংটন ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা পেয়েছে। অর্থনৈতিক যুদ্ধের জবাব দেওয়া হবে পারস্য উপসাগরজুড়ে একটি সামুদ্রিক বর্জন অঞ্চল এবং অবরোধের সীমারেখা পর্যন্ত তা বিস্তারের মাধ্যমে। মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে আমাদের কার্যকর সামরিক অবস্থান মৌলিকভাবে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।’

রেজায়ি সম্ভবত কাসেম বসির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের কথা উল্লেখ করেছেন। ইরানের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির কাছে থাকা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের যুদ্ধজাহাজগুলো কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এড়িয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের ধারাবাহিক হামলায় ইরানের প্রচলিত সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আগে থেকেই দুর্বল দেশটির অর্থনীতির ওপরও চাপ আরও বেড়েছে। তারপরও ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহারের সক্ষমতা ধরে রেখেছে। এর মাধ্যমে তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে, ইরানের অনুমতি ছাড়া চলাচল করলে, হুমকি দিতে পারে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় অঞ্চলের সেই প্রতিবেশী দেশগুলোকেও হামলার হুমকি দিতে পারে, যেসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।

যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো। এর ফলে উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে তেল ও গ্যাস রপ্তানি করতে যাওয়া ট্যাংকারগুলোকে হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা ইরানের হাতে রয়েছে। এতে এমন এক সময়ে জ্বালানির দাম বেড়েছে, যখন জনমত জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে এই যুদ্ধ জনপ্রিয় নয়। ফলে নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় কংগ্রেসের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকিও বেড়েছে।

ইসরায়েলে হামাসের ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামলার প্রায় ১০ দিন আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ব্যক্তিগতভাবে সতর্ক করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন—হামাস ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছে।

রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে প্রথম সড়ক সেতু চালু হয়েছে। তুমেন নদীর ওপর নির্মিত সেতুটি দিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে দুই দেশের মধ্যে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন সহজ হবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩০০টি যানবাহন ও ২ হাজার ৩২৩ জন মানুষ সেতুটি পার হতে পারবেন।