১৫ দিনে ২০০ মার্কিন সেনা হত্যার দাবি ইরানের

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০২:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • ১৯ বার পঠিত হয়েছে

কয়েকজন মার্কিন সেনার ছবি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক ১৫ দিনের সামরিক সংঘাতে দুই শতাধিকের বেশি মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন হতাহতের যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে, তা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে মিলছে না বলেও অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।

ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি বলেন, ‘অপারেশন ভিক্টরি–২’-এ ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি ওয়াশিংটনের প্রকাশিত তথ্যের চেয়ে অনেক বেশি। তার দাবি, হামলায় নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে এবং আহতের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য।

মোহেবি অভিযোগ করেন, প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশ না করে যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টি গোপন করছে। তিনি দাবি করেন, ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে সাংবাদিকদের প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হলে প্রকৃত পরিস্থিতি সামনে চলে আসবে।

আইআরজিসির তথ্যমতে, ‘অপারেশন ভিক্টরি–২’-এর সময় আটটি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। তাদের দাবি, এর মধ্যে একটি ঘাঁটির বিভিন্ন অবকাঠামো ও বিমান রাখার হ্যাঙ্গারেও আঘাত হানে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র।

ইরানের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, এসব হামলায় বেশ কয়েকটি সামরিক বিমান, হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে। তাদের তালিকায় যুদ্ধবিমান, গোয়েন্দা ড্রোন, সামুদ্রিক নজরদারি বিমান, পরিবহন বিমান এবং আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী উড়োজাহাজের ক্ষতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছিল, সংঘাতে ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। পরে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে সংশোধিত হিসাবে নিহতের সংখ্যা ১৪ জন বলে উল্লেখ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র এদের মধ্যে কয়েকজন সেনার পরিচয়ও প্রকাশ করেছিল।

তবে আইআরজিসির সর্বশেষ দাবির বিষয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি মার্কিন কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সও ইরানের দাবি করা হতাহতের সংখ্যা কিংবা সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংসের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।

ফলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত তথ্যের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য থাকায় সংঘাতের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন রয়ে গেছে।

১৫ দিনে ২০০ মার্কিন সেনা হত্যার দাবি ইরানের

প্রকাশ: ০২:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক ১৫ দিনের সামরিক সংঘাতে দুই শতাধিকের বেশি মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন হতাহতের যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে, তা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে মিলছে না বলেও অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।

ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি বলেন, ‘অপারেশন ভিক্টরি–২’-এ ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি ওয়াশিংটনের প্রকাশিত তথ্যের চেয়ে অনেক বেশি। তার দাবি, হামলায় নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে এবং আহতের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য।

মোহেবি অভিযোগ করেন, প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশ না করে যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টি গোপন করছে। তিনি দাবি করেন, ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে সাংবাদিকদের প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হলে প্রকৃত পরিস্থিতি সামনে চলে আসবে।

আইআরজিসির তথ্যমতে, ‘অপারেশন ভিক্টরি–২’-এর সময় আটটি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। তাদের দাবি, এর মধ্যে একটি ঘাঁটির বিভিন্ন অবকাঠামো ও বিমান রাখার হ্যাঙ্গারেও আঘাত হানে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র।

ইরানের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, এসব হামলায় বেশ কয়েকটি সামরিক বিমান, হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে। তাদের তালিকায় যুদ্ধবিমান, গোয়েন্দা ড্রোন, সামুদ্রিক নজরদারি বিমান, পরিবহন বিমান এবং আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী উড়োজাহাজের ক্ষতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছিল, সংঘাতে ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। পরে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে সংশোধিত হিসাবে নিহতের সংখ্যা ১৪ জন বলে উল্লেখ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র এদের মধ্যে কয়েকজন সেনার পরিচয়ও প্রকাশ করেছিল।

তবে আইআরজিসির সর্বশেষ দাবির বিষয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি মার্কিন কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সও ইরানের দাবি করা হতাহতের সংখ্যা কিংবা সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংসের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।

ফলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত তথ্যের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য থাকায় সংঘাতের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন রয়ে গেছে।