অন্যদিকে, আরব বংশোদ্ভূত ইসরায়েলিদের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো পেতে পারে রেকর্ড ১৯টি আসন। তাদের সমর্থকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভোটার উপস্থিতি এ ফলাফলে ভূমিকা রেখেছে। ভোট গণনা চলতে থাকায় ফল পরিবর্তনের সম্ভাবনা থাকলেও নির্বাচনের আগে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস দেওয়া জরিপগুলোর তুলনায় বিরোধী জোট প্রত্যাশার চেয়ে কম আসন পেয়েছে।
এই অবস্থায় নেতানিয়াহুর জোট নেসেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালেও তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরাতে বিরোধীদের আরব দলগুলোর সমর্থন নিতে হবে। তবে ইসরায়েলের অনেক ইহুদি নেতা এ ধরনের সমঝোতার বিরোধী। ফলে নতুন সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আগামী বছর নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত কিংবা জোট গঠনের আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত নেতানিয়াহু অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
আজ ভোরে জেরুজালেমে নিজ দল লিকুদের কর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে নেতানিয়াহু একটি ‘শক্তিশালী ডানপন্থী জাতীয় সরকার’ গঠনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি ইসরায়েলের সামরিক সাফল্যের কথা তুলে ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মিলে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও যৌথ সামরিক অভিযান চালানোর সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেন।
নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের অস্তিত্বগত হুমকি স্থায়ীভাবে দূর করার ক্ষেত্রে ইসরায়েলের সামনে ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে অন্য কোনো উদ্দেশ্য যেন এ লক্ষ্য থেকে তাঁদের বিচ্যুত না করে, সে বিষয়েও সতর্ক করেন তিনি।
ট্রাম্পও নির্বাচনে নেতানিয়াহুর সমর্থনে প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থন জানানোয় নির্বাচনে তিনি উপকৃত হয়েছেন।

দৈনিক টার্গেট 

























