আবু বকর (রা.) ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন যেভাবে

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:১৫:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত হয়েছে

সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী ও কঠিন এক পরিবেশে নবুওয়াতের দায়িত্ব পেয়ে প্রিয় নবী (সা.) কিছুটা শঙ্কিত ও চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন। কীভাবে এবং কাকে ইসলামের সুমহান বাণীর দিকে আহ্বান করবেন—এ নিয়ে তাঁর মনে গভীর চিন্তার উদয় হয়েছিল।

ঠিক সেই সংকটময় মুহূর্তে প্রিয় নবী (সা.)-কে পরম সান্ত্বনা ও সাহস জুগিয়েছিলেন মমতাময়ী স্ত্রী আম্মাজান হজরত খাদিজা (রা.)। তিনিই সর্বপ্রথম কোনো দ্বিমত ছাড়াই রাসুল (সা.)-এর নবুওয়াতের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে ইসলাম গ্রহণ করেন। এরপর কিশোর আলী (রা.) ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আসেন।

পরিবারের পর রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও কাছের মানুষদের ইসলামের পথে আহ্বান জানানোর সিদ্ধান্ত নেন। বন্ধুদের মধ্যে তিনি সর্বপ্রথম নিঃস্বার্থ, পরম সুহৃদ ও আন্তরিক বন্ধু হজরত আবু বকর (রা.)-কে নির্বাচন করেন। আল্লাহর রাসুল (সা.) ইসলাম গ্রহণের আহ্বান জানানোর সঙ্গে সঙ্গেই আবু বকর (রা.) বিন্দুমাত্র চিন্তা-ভাবনা বা দ্বিধা-সংশয় ছাড়াই প্রথম আহ্বানেই ইসলাম গ্রহণ করেন।

হজরত আবু বকর (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণের এই অনন্য ঘটনা প্রসঙ্গে প্রিয় নবী (সা.) এক হাদিসে ইরশাদ করেছেন—

হজরত আবু বকর (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে ঐতিহাসিক বর্ণনায় এসেছে—নবুয়তপ্রাপ্তির কিছুদিন পূর্বে আবু বকর (রা.) কোনো এক ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ইয়েমেনে গিয়েছিলেন। ইয়েমেন থেকে মক্কায় ফিরে এসেই তিনি শুনতে পেলেন যে রাসুলুল্লাহ (সা.) নবুওয়াত লাভ করেছেন।

সংবাদটি শুনেই তিনি সরাসরি নবীজির কাছে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনি কি আপনার বাপ-দাদার ধর্ম ত্যাগ করেছেন?’

উত্তরে প্রিয় নবী (সা.) তাঁকে বললেন, ‘হে আবু বকর! আমি আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে সমগ্র মানবজাতির জন্য নবী হিসেবে প্রেরিত হয়েছি। অতএব, তুমি এক আল্লাহ ও আমার নবুওয়াতের ওপর ইমান আনো।’

এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই আবু বকর (রা.) অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে বলে উঠলেন—

ইতিহাসে বর্ণিত আছে, অন্তরঙ্গ বন্ধু ও পরম বিশ্বস্ত সাহাবি হজরত আবু বকর (রা.)-এর এই ইসলাম গ্রহণের ঘটনায় আল্লাহর রাসুল (সা.) অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছিলেন। (উসদুল গাবাহ: ৩/২০৮-২০৯)

তওবা করার সঠিক নিয়ম, পদ্ধতি ও দোয়া

তওবা করার সঠিক নিয়ম, পদ্ধতি ও দোয়া

পাপমুক্ত জীবন গঠন ও মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হলো তওবা। ‘তওবা’ একটি আরবি শব্দ, যার শাব্দিক অর্থ ফিরে আসা বা প্রত্যাবর্তন করা। ইসলামি পরিভাষায়, পাপের পথ ছেড়ে দিয়ে লজ্জাবোধ ও অনুতপ্ত হৃদয়ে আল্লাহর পথে ফিরে আসাকেই তওবা বলা হয়।

ক্ষমা করলে যেভাবে মর্যাদা বাড়ে

ক্ষমা করলে যেভাবে মর্যাদা বাড়ে

প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও যিনি ক্ষমা করেন, তিনি দুর্বল নন। বরং তিনিই প্রকৃত শক্তিমান। কারণ, ক্ষমার পথ বেছে নিতে প্রয়োজন হয় গভীর আত্মসংযম, উদারতা ও মনের বিশালতা।

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৪ নভেম্বর ২০২৬

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৪ নভেম্বর ২০২৬

নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।

জনপ্রিয় টার্গেট

কোহলির ব্যাটিং তাণ্ডবে ২২ ওভারে জিতল ভারত

আবু বকর (রা.) ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন যেভাবে

প্রকাশ: ০৪:১৫:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী ও কঠিন এক পরিবেশে নবুওয়াতের দায়িত্ব পেয়ে প্রিয় নবী (সা.) কিছুটা শঙ্কিত ও চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন। কীভাবে এবং কাকে ইসলামের সুমহান বাণীর দিকে আহ্বান করবেন—এ নিয়ে তাঁর মনে গভীর চিন্তার উদয় হয়েছিল।

ঠিক সেই সংকটময় মুহূর্তে প্রিয় নবী (সা.)-কে পরম সান্ত্বনা ও সাহস জুগিয়েছিলেন মমতাময়ী স্ত্রী আম্মাজান হজরত খাদিজা (রা.)। তিনিই সর্বপ্রথম কোনো দ্বিমত ছাড়াই রাসুল (সা.)-এর নবুওয়াতের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে ইসলাম গ্রহণ করেন। এরপর কিশোর আলী (রা.) ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আসেন।

পরিবারের পর রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও কাছের মানুষদের ইসলামের পথে আহ্বান জানানোর সিদ্ধান্ত নেন। বন্ধুদের মধ্যে তিনি সর্বপ্রথম নিঃস্বার্থ, পরম সুহৃদ ও আন্তরিক বন্ধু হজরত আবু বকর (রা.)-কে নির্বাচন করেন। আল্লাহর রাসুল (সা.) ইসলাম গ্রহণের আহ্বান জানানোর সঙ্গে সঙ্গেই আবু বকর (রা.) বিন্দুমাত্র চিন্তা-ভাবনা বা দ্বিধা-সংশয় ছাড়াই প্রথম আহ্বানেই ইসলাম গ্রহণ করেন।

হজরত আবু বকর (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণের এই অনন্য ঘটনা প্রসঙ্গে প্রিয় নবী (সা.) এক হাদিসে ইরশাদ করেছেন—

হজরত আবু বকর (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে ঐতিহাসিক বর্ণনায় এসেছে—নবুয়তপ্রাপ্তির কিছুদিন পূর্বে আবু বকর (রা.) কোনো এক ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ইয়েমেনে গিয়েছিলেন। ইয়েমেন থেকে মক্কায় ফিরে এসেই তিনি শুনতে পেলেন যে রাসুলুল্লাহ (সা.) নবুওয়াত লাভ করেছেন।

সংবাদটি শুনেই তিনি সরাসরি নবীজির কাছে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনি কি আপনার বাপ-দাদার ধর্ম ত্যাগ করেছেন?’

উত্তরে প্রিয় নবী (সা.) তাঁকে বললেন, ‘হে আবু বকর! আমি আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে সমগ্র মানবজাতির জন্য নবী হিসেবে প্রেরিত হয়েছি। অতএব, তুমি এক আল্লাহ ও আমার নবুওয়াতের ওপর ইমান আনো।’

এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই আবু বকর (রা.) অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে বলে উঠলেন—

ইতিহাসে বর্ণিত আছে, অন্তরঙ্গ বন্ধু ও পরম বিশ্বস্ত সাহাবি হজরত আবু বকর (রা.)-এর এই ইসলাম গ্রহণের ঘটনায় আল্লাহর রাসুল (সা.) অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছিলেন। (উসদুল গাবাহ: ৩/২০৮-২০৯)

তওবা করার সঠিক নিয়ম, পদ্ধতি ও দোয়া

তওবা করার সঠিক নিয়ম, পদ্ধতি ও দোয়া

পাপমুক্ত জীবন গঠন ও মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হলো তওবা। ‘তওবা’ একটি আরবি শব্দ, যার শাব্দিক অর্থ ফিরে আসা বা প্রত্যাবর্তন করা। ইসলামি পরিভাষায়, পাপের পথ ছেড়ে দিয়ে লজ্জাবোধ ও অনুতপ্ত হৃদয়ে আল্লাহর পথে ফিরে আসাকেই তওবা বলা হয়।

ক্ষমা করলে যেভাবে মর্যাদা বাড়ে

ক্ষমা করলে যেভাবে মর্যাদা বাড়ে

প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও যিনি ক্ষমা করেন, তিনি দুর্বল নন। বরং তিনিই প্রকৃত শক্তিমান। কারণ, ক্ষমার পথ বেছে নিতে প্রয়োজন হয় গভীর আত্মসংযম, উদারতা ও মনের বিশালতা।

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৪ নভেম্বর ২০২৬

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৪ নভেম্বর ২০২৬

নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।