২০২৬ সালে পবিত্র রমজান মাসের সূচনা হতে পারে ফেব্রুয়ারির ১৯ তারিখে (বৃহস্পতিবার) এমনটাই জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। আর রোজার মাস শেষে মুসলিম বিশ্ব ২১ মার্চ, শনিবার উদযাপন করতে পারে ঈদুল ফিতর।
আমিরাত অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির সভাপতি ইব্রাহিম আল-জারওয়ান এক সাক্ষাৎকারে জানান, ১৪৪৭ হিজরি সনের রমজানের চাঁদ ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেখা যেতে পারে। তবে সেদিন সূর্যাস্তের মাত্র এক মিনিট পরই চাঁদ অস্ত যাবে, তাই খালি চোখে চাঁদ দেখা সম্ভব নয়। সে কারণে রমজান গণনা শুরু হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে।
তিনি আরো বলেন, জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী ২০ মার্চ শুক্রবার হবে শাওয়ালের প্রথম দিন, অর্থাৎ সেদিনই মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জারওয়ানের ভাষ্য অনুযায়ী, রমজানের শুরুতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যেমন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মিসর ও কুয়েত এসব অঞ্চলে দৈনিক রোজার সময় হবে গড়ে ১২ ঘণ্টা, যা মাসের শেষ দিকে বাড়তে বাড়তে প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছাবে।
এদিকে, সৌদি গণমাধ্যম আল-আরাবিয়া জানিয়েছে, দেশটির চাঁদ দেখা কমিটি ১৮ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসবে। যদিও সৌদি আরব প্রায়ই তাদের সরকারি ‘উম আল-কুরা ক্যালেন্ডার’ অনুসারে রমজান ও ঈদের তারিখ নির্ধারণ করে।
প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর বাংলাদেশে রোজা ও ঈদ পালিত হয়। সেই হিসাবে, বাংলাদেশে ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হতে পারে ২১ মার্চ, শনিবার যা দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য আনন্দ ও মিলনের দিন হয়ে আসবে।















