তৌফিক মিয়া ওই গ্রামের মৃত তবি খাঁর ছেলে। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
এর আগে মঙ্গলবার সকালে গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় শিন শিন জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি গাজীপুরের মির্জাপুর মাস্টারবাড়ী এলাকার লায়লা স্টাইল গার্মেন্টসে লাইনম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে তৌফিকের বাবা মারা যান। অভাবের সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে লেখাপড়া ছেড়ে জীবিকার সন্ধানে গাজীপুরে পাড়ি জমান তিনি। সেখানে একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেন।
স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন তৌফিক। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে হামলাকারীরা তাঁর ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
আন্দোলনরত অন্য শ্রমিকেরা তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।

দৈনিক টার্গেট 
























