গত ৩১ অক্টোবর ভোরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার চরচারতলা এলাকার সরকারবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ইখতারা ওই এলাকার ঈদন সরকারের মেয়ে। স্বামী জাহাঙ্গীর মিয়ার বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায়।
প্রায় ১৫ বছর আগে ইখতারা ও জাহাঙ্গীরের বিয়ে হয়। তাঁদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।
নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, প্রায় এক বছর ধরে জাহাঙ্গীর মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। এ নিয়ে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকত। জাহাঙ্গীর প্রায়ই ইখতারাকে মারধর করতেন। দেড় মাস আগে মারধরের শিকার হয়ে দুই বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন ইখতারা।
স্বজনদের দাবি, ঘটনার আগের দিন শুক্রবার ছোট ছেলেকে নিতে শ্বশুরবাড়ি আসেন জাহাঙ্গীর। এ সময় স্ত্রীর সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাঁকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি।
স্বজনদের অভিযোগ, পরদিন ভোরে ইখতারার মা ফজরের নামাজ পড়তে ঘর থেকে বের হলে জাহাঙ্গীর ঘরে ঢোকেন। এ সময় বিছানায় ঘুমিয়ে থাকা ইখতারার শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন তিনি।
ইখতারার চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁর গলা ও কণ্ঠনালিসহ শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ পুড়ে যায়। পরে তাঁকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান বলেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর পলাতক। তাঁকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

দৈনিক টার্গেট 






















