পুলিশ জানিয়েছে, আতিয়ার রহমান পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি এবং মাদকাসক্ত। স্ত্রীর সঙ্গে অন্য পুরুষের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ করতেন তিনি। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে আজ সকালে শাহানারাকে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা শাহানারাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
তাঁদের (নিহত ও অভিযুক্ত) ছেলে রায়হান জানায়, বৃহস্পতিবার রাতেও তার মা-বাবার মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। সকালে আরেকবার কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বাবা ক্ষিপ্ত হয়ে তার মাকে মারধর করেন। পরে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধে তার বাবা তার মাকে হত্যা করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা রীমা খাতুন জানান, আতিয়ারের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর ঝামেলা ছিল। শাহানারার সঙ্গে অন্য কারও পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ করতেন আতিয়ার। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিচ্ছেদও হয়েছিল। পরে তাঁদের ছেলে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে মাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনে। সকালে তিনি জানতে পারেন, শাহানারাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
যশোর পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম জানান, স্ত্রীর সঙ্গে অন্য পুরুষের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে—এমন সন্দেহ থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে শাহানারাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আতিয়ার রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মরদেহ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

দৈনিক টার্গেট 























