০৮:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশনের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:৫৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • ৮ বার পঠিত হয়েছে

গত ৫ নভেম্বর রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের কনফারেন্স হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের বিশিষ্ট গবেষক, চিকিৎসক, নীতিনির্ধারক ও উন্নয়ন সহযোগীরা অংশ নেন। সভার মূল লক্ষ্য ছিল দেশে হৃদ্‌রোগ পুনর্বাসন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে গবেষণালব্ধ প্রমাণ, উদ্ভাবন ও অগ্রাধিকারমূলক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম. এ. মুহিত। তিনি দেশে অসংক্রামক রোগের (এনসিডি) ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, দেশে মোট মৃত্যুর ৬৭ শতাংশের জন্য অসংক্রামক রোগ দায়ী, যার মধ্যে হৃদ্‌রোগ অন্যতম প্রধান কারণ। তিনি জানান, সরকার একটি আন্তর্জাতিক মানের, সাশ্রয়ী এবং স্থানীয়ভাবে কার্যকর কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন মডেল বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ নীতি ও কাঠামোগত সহায়তা প্রদান করবে। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, গবেষণার ফলাফল কেবল ল্যাবরেটরি বা জার্নালে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে সাশ্রয়ী, সহজলভ্য ও টেকসই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস (বিইউএইচএস)-এর উপাচার্য অধ্যাপক জে. এম. এ. হান্নান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন হেলথ রিসার্চের অধ্যাপক এবং এসিআরওএসএস-বিডি প্রজেক্টের কো-চিফ ইনভেস্টিগেটর অধ্যাপক রড এস টেইলর এবং পাকিস্তানের জিয়াউদ্দিন ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের অধ্যাপক ও এসিআরওএসএস-বিডি প্রজেক্টের কো-চিফ ইনভেস্টিগেটর অধ্যাপক ইমরান বি. চৌধুরী। তাঁদের উপস্থাপনায় হৃদ্‌রোগ থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীদের জন্য একটি সাশ্রয়ী, সাংস্কৃতিকভাবে উপযোগী এবং হোম-বেইজড (বাসা থেকে) কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন মডেল তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়, যেখানে মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল প্রফেসর ডা. এ কে আজাদ খান (সভাপতি, বিএডিএএস), অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সফিউদ্দিন (সভাপতি, বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি), এবং অধ্যাপক ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী (উপাচার্য, বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি)। তাঁরা সবাই হৃদ্‌রোগ ব্যবস্থাপনায় বহুমুখী সহযোগিতা এবং একটি কার্যকর পুনর্বাসন ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা

এসিআরওএসএস-বিডি প্রজেক্টটি যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর হেলথ অ্যান্ড কেয়ার রিসার্চ (এনআইএইচআর)-এর অর্থায়নে পরিচালিত একটি পাঁচ বছরের আন্তর্জাতিক গবেষণা কর্মসূচি। এই প্রজেক্টে নেতৃত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয় এবং ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশে এটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস (বিইউএইচএস)। এ ছাড়া, বাংলাদেশে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সেন্টার হিসেবে সহযোগিতা করছে বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এবং ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পাকিস্তানের এবং পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব লিভিং অ্যান্ড লার্নিং (পিআইএলএল) সহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

স্টেকহোল্ডার এই সভা দেশের জাতীয় স্বাস্থ্য অগ্রাধিকারের সঙ্গে প্রকল্পের লক্ষ্যকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত করা হচ্ছে।

ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৬৭৪

ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৬৭৪

দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫৮। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৬৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৮০।

যুক্তরাষ্ট্রে ৫ হাজারের বেশি হামের রোগী শনাক্ত, ৩৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ

যুক্তরাষ্ট্রে ৫ হাজারের বেশি হামের রোগী শনাক্ত, ৩৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ

যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত ৫ হাজার ১৮২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অত্যন্ত সংক্রামক হলেও টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধযোগ্য এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ১৯৯১ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

মেলিওডোসিস: মাটির জীবাণু থেকে প্রাণঘাতী সংক্রমণে বাড়ছে উদ্বেগ

মেলিওডোসিস: মাটির জীবাণু থেকে প্রাণঘাতী সংক্রমণে বাড়ছে উদ্বেগ

প্রকৃতির মাটি ও পানিতে এমন কিছু জীবাণু রয়েছে, যা মানুষের শরীরে প্রবেশ করে মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এদের মধ্যে অন্যতম বার্কহোল্ডারিয়া সিউডোম্যালি, যা মেলিওডোসিস নামের একটি গুরুতর সংক্রামক রোগের জন্য দায়ী। বিশেষ করে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে এ রোগ জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ।

জনপ্রিয় টার্গেট

রাস্তা পার হওয়ার সময় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত

বাংলাদেশে সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশনের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ

প্রকাশ: ০৭:৫৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

গত ৫ নভেম্বর রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের কনফারেন্স হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের বিশিষ্ট গবেষক, চিকিৎসক, নীতিনির্ধারক ও উন্নয়ন সহযোগীরা অংশ নেন। সভার মূল লক্ষ্য ছিল দেশে হৃদ্‌রোগ পুনর্বাসন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে গবেষণালব্ধ প্রমাণ, উদ্ভাবন ও অগ্রাধিকারমূলক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম. এ. মুহিত। তিনি দেশে অসংক্রামক রোগের (এনসিডি) ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, দেশে মোট মৃত্যুর ৬৭ শতাংশের জন্য অসংক্রামক রোগ দায়ী, যার মধ্যে হৃদ্‌রোগ অন্যতম প্রধান কারণ। তিনি জানান, সরকার একটি আন্তর্জাতিক মানের, সাশ্রয়ী এবং স্থানীয়ভাবে কার্যকর কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন মডেল বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ নীতি ও কাঠামোগত সহায়তা প্রদান করবে। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, গবেষণার ফলাফল কেবল ল্যাবরেটরি বা জার্নালে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে সাশ্রয়ী, সহজলভ্য ও টেকসই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস (বিইউএইচএস)-এর উপাচার্য অধ্যাপক জে. এম. এ. হান্নান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন হেলথ রিসার্চের অধ্যাপক এবং এসিআরওএসএস-বিডি প্রজেক্টের কো-চিফ ইনভেস্টিগেটর অধ্যাপক রড এস টেইলর এবং পাকিস্তানের জিয়াউদ্দিন ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের অধ্যাপক ও এসিআরওএসএস-বিডি প্রজেক্টের কো-চিফ ইনভেস্টিগেটর অধ্যাপক ইমরান বি. চৌধুরী। তাঁদের উপস্থাপনায় হৃদ্‌রোগ থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীদের জন্য একটি সাশ্রয়ী, সাংস্কৃতিকভাবে উপযোগী এবং হোম-বেইজড (বাসা থেকে) কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন মডেল তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়, যেখানে মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল প্রফেসর ডা. এ কে আজাদ খান (সভাপতি, বিএডিএএস), অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সফিউদ্দিন (সভাপতি, বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি), এবং অধ্যাপক ডা. এফ. এম. সিদ্দিকী (উপাচার্য, বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি)। তাঁরা সবাই হৃদ্‌রোগ ব্যবস্থাপনায় বহুমুখী সহযোগিতা এবং একটি কার্যকর পুনর্বাসন ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা

এসিআরওএসএস-বিডি প্রজেক্টটি যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর হেলথ অ্যান্ড কেয়ার রিসার্চ (এনআইএইচআর)-এর অর্থায়নে পরিচালিত একটি পাঁচ বছরের আন্তর্জাতিক গবেষণা কর্মসূচি। এই প্রজেক্টে নেতৃত্ব দিচ্ছে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয় এবং ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশে এটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস (বিইউএইচএস)। এ ছাড়া, বাংলাদেশে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সেন্টার হিসেবে সহযোগিতা করছে বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এবং ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পাকিস্তানের এবং পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব লিভিং অ্যান্ড লার্নিং (পিআইএলএল) সহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

স্টেকহোল্ডার এই সভা দেশের জাতীয় স্বাস্থ্য অগ্রাধিকারের সঙ্গে প্রকল্পের লক্ষ্যকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত করা হচ্ছে।

ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৬৭৪

ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৬৭৪

দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫৮। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৬৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৮০।

যুক্তরাষ্ট্রে ৫ হাজারের বেশি হামের রোগী শনাক্ত, ৩৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ

যুক্তরাষ্ট্রে ৫ হাজারের বেশি হামের রোগী শনাক্ত, ৩৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ

যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত ৫ হাজার ১৮২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অত্যন্ত সংক্রামক হলেও টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধযোগ্য এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ১৯৯১ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

মেলিওডোসিস: মাটির জীবাণু থেকে প্রাণঘাতী সংক্রমণে বাড়ছে উদ্বেগ

মেলিওডোসিস: মাটির জীবাণু থেকে প্রাণঘাতী সংক্রমণে বাড়ছে উদ্বেগ

প্রকৃতির মাটি ও পানিতে এমন কিছু জীবাণু রয়েছে, যা মানুষের শরীরে প্রবেশ করে মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এদের মধ্যে অন্যতম বার্কহোল্ডারিয়া সিউডোম্যালি, যা মেলিওডোসিস নামের একটি গুরুতর সংক্রামক রোগের জন্য দায়ী। বিশেষ করে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে এ রোগ জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ।