কর্ণফুলী নদী রক্ষায় হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা জনস্বার্থের মামলায় ২০২৩ সালের ১৪ নভেম্বর রুল জারির পাশাপাশি নদীর দক্ষিণ ও পূর্ব পাশের সীমানা জরিপের নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। একই সঙ্গে অবৈধ দখলদারদের তালিকা ও জরিপ প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়।
আদালত ওই কাজের জন্য তিন মাস সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। জরিপের ভিত্তিতে নদী রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে নির্দেশনা এখনো পালিত হয়নি।
আদালতের নির্দেশের পরও প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় এইচআরপিবির পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়। রোববার ওই আবেদনের শুনানি শেষে আদালত নতুন করে দুই সপ্তাহ সময় দেন।
এইচআরপিবির পক্ষে শুনানিতে অংশ নেওয়া জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘২০২৩ সালে কর্ণফুলী নদীর সীমানা জরিপ করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত তা আদালতে জমা দেওয়া হয়নি। এ কারণে নদী দখল ও দূষণ অব্যাহত রয়েছে। এই দখল-দূষণ চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের ওপর মারাত্মক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে।’
মামলায় এইচআরপিবির পক্ষে পিটিশনার অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সারওয়ার আহাদ চৌধুরী। বিবাদীদের মধ্যে পরিকল্পনা, নৌপরিবহন, পরিবেশ ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব; চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ মোট ১৯ জন রয়েছেন।
বাদীপক্ষে শুনানিতে আরও অংশ নেন অ্যাডভোকেট সঞ্জয় মণ্ডল। সরকারপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শিহাব উদ্দিন খান।

দৈনিক টার্গেট 






















