১১:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ইন্দোনেশিয়ার উত্তর মালুকুতে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়ালেও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই; বাংলাদেশেও আফটারশকে বাড়ছে উদ্বেগ

ইন্দোনেশিয়ার উত্তর মালুকুতে ভূমিকম্প

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:১৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৭৫ বার পঠিত হয়েছে

ভূমিকম্প

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত উত্তর মালুকু প্রদেশের হালমাহেরা দ্বীপে ৫.২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। দেশটির আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূতাত্ত্বিক সংস্থা বিএমকেজি জানিয়েছে, শনিবার স্থানীয় সময় ভোরে অনুভূত হওয়া এ কম্পনটির কেন্দ্রস্থল ছিল ভূমি-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।

সংস্থাটি জানায়, ভূমিকম্পটি তুলনামূলকভাবে অগভীর হলেও এর ফলে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় অধিবাসীরাও শুধু কম্পন অনুভব করা ছাড়া অন্য কোনো বড় ধরনের আতঙ্কজনিত পরিস্থিতির কথা জানাননি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থান করার কারণে ইন্দোনেশিয়া এমন ভূকম্পনীয় অস্থিতিশীলতার মধ্যেই রয়েছে—যেখানে নিয়মিতই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত দেখা যায়।

বাংলাদেশে টানা কম্পন

অন্যদিকে, ইন্দোনেশিয়ার এই ঘটনার মাত্র একদিন আগেই বাংলাদেশে সংঘটিত হয় ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনুভূত হওয়া ওই কম্পনে অন্তত দশজনের প্রাণহানি ঘটে। পরদিন শনিবার আরও তিন দফা হালকা ভূকম্পন রেকর্ড করা হয়, যেগুলোকে বিশেষজ্ঞরা মূল ভূমিকম্পের পরাঘাত বা আফটারশক বলে মনে করছেন।

টানা ভূমিকম্পে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উদ্বেগ বাড়লেও বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এখনও বড় ধরনের ঝুঁকির ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় টার্গেট

গাজার অঙ্গ হারানো ১১৩৪ শিশুকে বিদেশে যেতে দিচ্ছে না ইসরায়েল

ইন্দোনেশিয়ার উত্তর মালুকুতে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়ালেও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই; বাংলাদেশেও আফটারশকে বাড়ছে উদ্বেগ

ইন্দোনেশিয়ার উত্তর মালুকুতে ভূমিকম্প

প্রকাশ: ০৪:১৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত উত্তর মালুকু প্রদেশের হালমাহেরা দ্বীপে ৫.২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। দেশটির আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূতাত্ত্বিক সংস্থা বিএমকেজি জানিয়েছে, শনিবার স্থানীয় সময় ভোরে অনুভূত হওয়া এ কম্পনটির কেন্দ্রস্থল ছিল ভূমি-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।

সংস্থাটি জানায়, ভূমিকম্পটি তুলনামূলকভাবে অগভীর হলেও এর ফলে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় অধিবাসীরাও শুধু কম্পন অনুভব করা ছাড়া অন্য কোনো বড় ধরনের আতঙ্কজনিত পরিস্থিতির কথা জানাননি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থান করার কারণে ইন্দোনেশিয়া এমন ভূকম্পনীয় অস্থিতিশীলতার মধ্যেই রয়েছে—যেখানে নিয়মিতই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত দেখা যায়।

বাংলাদেশে টানা কম্পন

অন্যদিকে, ইন্দোনেশিয়ার এই ঘটনার মাত্র একদিন আগেই বাংলাদেশে সংঘটিত হয় ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনুভূত হওয়া ওই কম্পনে অন্তত দশজনের প্রাণহানি ঘটে। পরদিন শনিবার আরও তিন দফা হালকা ভূকম্পন রেকর্ড করা হয়, যেগুলোকে বিশেষজ্ঞরা মূল ভূমিকম্পের পরাঘাত বা আফটারশক বলে মনে করছেন।

টানা ভূমিকম্পে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উদ্বেগ বাড়লেও বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এখনও বড় ধরনের ঝুঁকির ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।