০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রিপাবলিকানদের হারের দায় ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের চাপালেন ভ্যান্স, নজর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে?

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:২০:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পঠিত হয়েছে

ভ্যান্সের মন্তব্য পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করেছে। তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ট্রাম্প আগেই জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পক্ষে প্রথম দিকে যাঁরা জোরালো অবস্থান নিয়েছিলেন, হেগসেথ তাঁদের অন্যতম। এ ছাড়া কংগ্রেসের সদস্যদের কাছ থেকেও তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি।

এক্সে ভ্যান্স বলেন, ‘আমরা যে কারণে হেরেছি, তা হলো এই যুদ্ধ। কেউ যদি মনে করেন, এই যুদ্ধের মূল্য হিসেবে আগামী ছয় বছরের জন্য সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারানো সার্থক ছিল, তাহলে তিনি সেই যুক্তি দিতে পারেন।’ ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য শীর্ষ প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত ভ্যান্স আরও বলেন, এর আগে যুদ্ধ শেষ করার পক্ষে যে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, সেটিই ছিল ‘সঠিক পরামর্শ’।

ভ্যান্সের মন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, তাঁর কাছে ভ্যান্সের বক্তব্য ভালো মনে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি জানি, এ বিষয়ে তাঁর অনুভূতি কী।’ তবে এরপরই যুদ্ধের পক্ষে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করা থেকে বিরত রেখেছি।’

হোয়াইট হাউসের এক উপদেষ্টা নাম প্রকাশ না করার শর্তে রয়টার্সকে জানিয়েছেন, প্রশাসনের ভেতরে কিছু কর্মকর্তা ও কর্মী ভ্যান্সের এই পোস্টকে প্রেসিডেন্টের পররাষ্ট্রনীতির অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত হিসেবে দেখেছেন। একই সঙ্গে তাঁরা মনে করছেন, এই পোস্টের মাধ্যমে যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, সেটিও প্রকাশ্যে স্বীকার করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ—কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করেছে। রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিগুলোতে তারা ব্যাপক জয় পেয়েছে, যা কয়েক প্রজন্মের মধ্যে নজিরবিহীন। মাত্র দুই বছর আগে যেসব রক্ষণশীল নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের সমর্থনে ট্রাম্প দ্বিতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন, সেসব এলাকার ভোটাররাই এবার নাটকীয়ভাবে ডেমোক্র্যাটদের দিকে ঝুঁকেছেন। ইরান যুদ্ধ নিয়ে গভীর অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ এবং দেশ পরিচালনায় ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ তাঁদের এই অবস্থান পরিবর্তনের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে।

তবে ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের মতপার্থক্যের বিষয়টি খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন ভ্যান্স। তাঁর দাবি, মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইরান যুদ্ধের কারণে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের বিষয়টি ট্রাম্পও স্বীকার করেছেন। কিন্তু এ বিষয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য ছিল অনেক বেশি সংযত। তাঁর মতে, নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধরনের পরাজয়ের পেছনে ইরান যুদ্ধ ছিল একাধিক কারণের মধ্যে একটি মাত্র।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি সঠিক কাজটিই করেছি। আবারও একই কাজ করতাম।’

২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভ্যান্সের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত মার্কো রুবিও মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর থেকে এ বিষয়ে এখনো নীরব রয়েছেন। এ বিষয়ে রয়টার্সের পক্ষ থেকে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে হোয়াইট হাউস সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি। তবে বুধবার দিনের শুরুতে ইরান যুদ্ধকে মঙ্গলবারের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে ভ্যান্সের মূল্যায়নের সঙ্গে একমত পোষণ করা ট্রাম্পের বক্তব্যের দিকে রয়টার্সকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে হোয়াইট হাউস।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, ভ্যান্সের এই মন্তব্যকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সূচনা হিসেবেও দেখা যেতে পারে।

ভ্যান্সের পোস্ট প্রকাশের আগেই হোয়াইট হাউসের কয়েকজন কর্মকর্তা এ বিষয়ে অবগত ছিলেন। তবে রয়টার্সের প্রশ্নের জবাবে হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পোস্টটি প্রকাশের পর হোয়াইট হাউসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের অধিকাংশ, এমনকি প্রায় সবাই, বিস্মিত হয়েছেন।

নির্বাচনের পর ইরান যুদ্ধ আবারও নতুন করে শুরু হতে পারে—এমন আশঙ্কার মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীরা তাদের প্রচেষ্টা আরও জোরদার করেছেন। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তেহরানের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে আরও বেশি সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন ভ্যান্স। তবে যুক্তরাষ্ট্রের দাবিগুলো মেনে নিতে ইরান আগ্রহী, এমন কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত এখনো পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, ইরানকে তার পারমাণবিক ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে। কিন্তু তেহরান এখন পর্যন্ত এই দাবি মেনে নিতে সম্মত হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখায়নি।

ইরান যুদ্ধই কাল হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের

ইরান যুদ্ধই কাল হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির কাছে নাস্তানাবুদ হলো রিপাবলিকান পার্টি। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—দুটোরই নিয়ন্ত্রণ গেল ডেমোক্র্যাটদের হাতে।

ইরান যুদ্ধে শিগগির সুখবর নেই, সুবিধা পাবে ইউক্রেন

ইরান যুদ্ধে শিগগির সুখবর নেই, সুবিধা পাবে ইউক্রেন

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—দুই কক্ষেরই নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টি। এই জয়ের পর আলোচনায় এসেছে, ইরান ও ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী? এ ছাড়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতি, অভিবাসন নীতির কী হবে, সেটাও রয়েছে আলোচনায়।

নির্বাচনে দল পরাজিত হওয়ায় ট্রাম্পের শুল্ক ও অভিবাসন নীতির কী হবে

নির্বাচনে দল পরাজিত হওয়ায় ট্রাম্পের শুল্ক ও অভিবাসন নীতির কী হবে

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। ফলে আগামী জানুয়ারি থেকে কংগ্রেসে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা ও তাঁর প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারির সুযোগ বাড়বে ডেমোক্র্যাটদের।

জনপ্রিয় টার্গেট

প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে ৪০৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন আজ

রিপাবলিকানদের হারের দায় ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের চাপালেন ভ্যান্স, নজর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে?

প্রকাশ: ০৯:২০:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

ভ্যান্সের মন্তব্য পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করেছে। তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ট্রাম্প আগেই জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পক্ষে প্রথম দিকে যাঁরা জোরালো অবস্থান নিয়েছিলেন, হেগসেথ তাঁদের অন্যতম। এ ছাড়া কংগ্রেসের সদস্যদের কাছ থেকেও তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি।

এক্সে ভ্যান্স বলেন, ‘আমরা যে কারণে হেরেছি, তা হলো এই যুদ্ধ। কেউ যদি মনে করেন, এই যুদ্ধের মূল্য হিসেবে আগামী ছয় বছরের জন্য সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারানো সার্থক ছিল, তাহলে তিনি সেই যুক্তি দিতে পারেন।’ ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য শীর্ষ প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত ভ্যান্স আরও বলেন, এর আগে যুদ্ধ শেষ করার পক্ষে যে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, সেটিই ছিল ‘সঠিক পরামর্শ’।

ভ্যান্সের মন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, তাঁর কাছে ভ্যান্সের বক্তব্য ভালো মনে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি জানি, এ বিষয়ে তাঁর অনুভূতি কী।’ তবে এরপরই যুদ্ধের পক্ষে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করা থেকে বিরত রেখেছি।’

হোয়াইট হাউসের এক উপদেষ্টা নাম প্রকাশ না করার শর্তে রয়টার্সকে জানিয়েছেন, প্রশাসনের ভেতরে কিছু কর্মকর্তা ও কর্মী ভ্যান্সের এই পোস্টকে প্রেসিডেন্টের পররাষ্ট্রনীতির অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত হিসেবে দেখেছেন। একই সঙ্গে তাঁরা মনে করছেন, এই পোস্টের মাধ্যমে যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, সেটিও প্রকাশ্যে স্বীকার করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ—কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করেছে। রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিগুলোতে তারা ব্যাপক জয় পেয়েছে, যা কয়েক প্রজন্মের মধ্যে নজিরবিহীন। মাত্র দুই বছর আগে যেসব রক্ষণশীল নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের সমর্থনে ট্রাম্প দ্বিতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন, সেসব এলাকার ভোটাররাই এবার নাটকীয়ভাবে ডেমোক্র্যাটদের দিকে ঝুঁকেছেন। ইরান যুদ্ধ নিয়ে গভীর অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ এবং দেশ পরিচালনায় ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ তাঁদের এই অবস্থান পরিবর্তনের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে।

তবে ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের মতপার্থক্যের বিষয়টি খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন ভ্যান্স। তাঁর দাবি, মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইরান যুদ্ধের কারণে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের বিষয়টি ট্রাম্পও স্বীকার করেছেন। কিন্তু এ বিষয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য ছিল অনেক বেশি সংযত। তাঁর মতে, নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধরনের পরাজয়ের পেছনে ইরান যুদ্ধ ছিল একাধিক কারণের মধ্যে একটি মাত্র।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি সঠিক কাজটিই করেছি। আবারও একই কাজ করতাম।’

২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভ্যান্সের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত মার্কো রুবিও মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর থেকে এ বিষয়ে এখনো নীরব রয়েছেন। এ বিষয়ে রয়টার্সের পক্ষ থেকে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে হোয়াইট হাউস সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি। তবে বুধবার দিনের শুরুতে ইরান যুদ্ধকে মঙ্গলবারের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে ভ্যান্সের মূল্যায়নের সঙ্গে একমত পোষণ করা ট্রাম্পের বক্তব্যের দিকে রয়টার্সকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে হোয়াইট হাউস।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, ভ্যান্সের এই মন্তব্যকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সূচনা হিসেবেও দেখা যেতে পারে।

ভ্যান্সের পোস্ট প্রকাশের আগেই হোয়াইট হাউসের কয়েকজন কর্মকর্তা এ বিষয়ে অবগত ছিলেন। তবে রয়টার্সের প্রশ্নের জবাবে হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পোস্টটি প্রকাশের পর হোয়াইট হাউসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের অধিকাংশ, এমনকি প্রায় সবাই, বিস্মিত হয়েছেন।

নির্বাচনের পর ইরান যুদ্ধ আবারও নতুন করে শুরু হতে পারে—এমন আশঙ্কার মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীরা তাদের প্রচেষ্টা আরও জোরদার করেছেন। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তেহরানের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে আরও বেশি সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন ভ্যান্স। তবে যুক্তরাষ্ট্রের দাবিগুলো মেনে নিতে ইরান আগ্রহী, এমন কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত এখনো পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, ইরানকে তার পারমাণবিক ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে। কিন্তু তেহরান এখন পর্যন্ত এই দাবি মেনে নিতে সম্মত হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখায়নি।

ইরান যুদ্ধই কাল হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের

ইরান যুদ্ধই কাল হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির কাছে নাস্তানাবুদ হলো রিপাবলিকান পার্টি। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—দুটোরই নিয়ন্ত্রণ গেল ডেমোক্র্যাটদের হাতে।

ইরান যুদ্ধে শিগগির সুখবর নেই, সুবিধা পাবে ইউক্রেন

ইরান যুদ্ধে শিগগির সুখবর নেই, সুবিধা পাবে ইউক্রেন

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—দুই কক্ষেরই নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টি। এই জয়ের পর আলোচনায় এসেছে, ইরান ও ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী? এ ছাড়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতি, অভিবাসন নীতির কী হবে, সেটাও রয়েছে আলোচনায়।

নির্বাচনে দল পরাজিত হওয়ায় ট্রাম্পের শুল্ক ও অভিবাসন নীতির কী হবে

নির্বাচনে দল পরাজিত হওয়ায় ট্রাম্পের শুল্ক ও অভিবাসন নীতির কী হবে

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। ফলে আগামী জানুয়ারি থেকে কংগ্রেসে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা ও তাঁর প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারির সুযোগ বাড়বে ডেমোক্র্যাটদের।