উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে গোয়ালঘর, ঝুঁকি বাড়াচ্ছে রোগীদের

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৫:৩০:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পঠিত হয়েছে

অভিযোগ অনুযায়ী, আশ্রাফুল ইসলাম কয়েস গত ছয় মাস ধরে হাসপাতাল চত্বরের পূর্ব পাশে পুরোনো সরকারি কোয়ার্টারসংলগ্ন এলাকায় ছয়টি গরু পালন করছেন। গরু রাখার জন্য সেখানে টিনের গোয়ালঘর বানানো হয়েছে। পাশাপাশি একটি অংশ বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। হাসপাতাল চত্বরের ভেতরেই গরুগুলোকে ঘাস খাওয়ানো হয়।

হাসপাতালসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আবাসিক কোয়ার্টারের একেবারে পাশে গোয়ালঘর তৈরি করায় নিয়মিত গোবর ও গো-মূত্র জমছে। সেখান থেকে আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। এতে কোয়ার্টারে বসবাসকারী কর্মচারীদের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি হাসপাতালের পরিবেশ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কোয়ার্টারে বসবাসকারী এক কর্মচারী বলেন, ‘হাসপাতালের ভেতরে যেভাবে গরু পালন করা হচ্ছে, তা দেখে মনে হয় জায়গাটি যেন ব্যক্তিগত সম্পত্তি। কারো তোয়াক্কা না করে দিনের পর দিন এভাবে গরু পালন করায় আমরা অতিষ্ঠ।’

স্থানীয় বাসিন্দা মোশারফ হোসেন বলেন, ‘স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও দুর্গন্ধমুক্ত থাকা উচিত। এভাবে হাসপাতাল চত্বরের ভেতরে স্থায়ীভাবে গরু পালন করা ঠিক নয়। গো-মূত্র ও গোবরের দুর্গন্ধে মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে। মশা, মাছি বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে মশা, মাছি বাহিত রোগ বাড়ার ঝুঁকি। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

গরু পালনের অভিযোগের বিষয়ে ইপিআই টেকনিশিয়ান আশ্রাফুল ইসলাম কয়েস বলেন, হাওরে দ্রুত পানি চলে আসায় গরুগুলো রাখার অন্য কোনো জায়গা পাওয়া যাচ্ছিল না। তাই পরিত্যক্ত কোয়ার্টারের পাশে চালা করে গরুগুলো রাখা হয়েছে। সরকারি হাসপাতালের ভেতরে ব্যক্তিগতভাবে গরু পালনের অনুমতি আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “দুই-তিন দিনের মধ্যে গরুগুলো বিক্রি করে দেব।”

দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের ভেতরে গরু পালন করা হলেও বিষয়টি জানতেন না বলে মন্তব্য করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আরিফিন আজিম। ডা. আরিফিন আজিম বলেন, “যেদিকটায় গোয়ালঘর করা হয়েছে, ওই দিকটা হয়তো চোখে পড়ে না। তাই এত দিন খেয়াল করিনি।’ তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।

খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অলিদুজ্জামান বলেন, ‘সরকারি জায়গা ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

নেত্রকোনার জেলা সিভিল সার্জন ডা. গোলাম মাওলা বলেন, ‘এটা দেখার জন্য সেখানকার কর্মকর্তারা রয়েছেন। অভিযোগ পেলে তাঁরা এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন। তারপরও বিষয়টি আমি খোঁজখবর নিয়ে দেখব।’

আড়াই বছর আগে সদর উপজেলার উত্তর ঝিকরহাটি গ্রামের ইরান হাওলাদারের ছেলে আকবর হাওলাদারের সঙ্গে সুমি আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাঁদের মধ্যে খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে কলহ শুরু হয়। সম্প্রতি দুই লাখ টাকা যৌতুকের জন্য সুমিকে চাপ দেন তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

গাজীপুরের জয়দেবপুরে স্যুটকেস ও প্লাস্টিকের বস্তায় নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্যের জট খুলেছে। প্রেমের সম্পর্ক ও আগের বিয়েসহ নানা বিষয় নিয়ে বিরোধের জেরে ডলি আক্তার (৩০) নামে ওই নারীকে হত্যার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে গাজীপুর পিবিআই। এ সময় হত্যায় ব্যবহৃত বটি, দা, মোবাইল ফোন ও জুতা উদ্ধা

ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেল ও অর্থ দাবির অভিযোগে সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় মো. সায়দুর রহমান (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। মেহেরপুর সদর উপজেলার কলেজপাড়া এলাকায় গতকাল রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জনপ্রিয় টার্গেট

শিক্ষা, মানবসম্পদ ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে গোয়ালঘর, ঝুঁকি বাড়াচ্ছে রোগীদের

প্রকাশ: ০৫:৩০:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অভিযোগ অনুযায়ী, আশ্রাফুল ইসলাম কয়েস গত ছয় মাস ধরে হাসপাতাল চত্বরের পূর্ব পাশে পুরোনো সরকারি কোয়ার্টারসংলগ্ন এলাকায় ছয়টি গরু পালন করছেন। গরু রাখার জন্য সেখানে টিনের গোয়ালঘর বানানো হয়েছে। পাশাপাশি একটি অংশ বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। হাসপাতাল চত্বরের ভেতরেই গরুগুলোকে ঘাস খাওয়ানো হয়।

হাসপাতালসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আবাসিক কোয়ার্টারের একেবারে পাশে গোয়ালঘর তৈরি করায় নিয়মিত গোবর ও গো-মূত্র জমছে। সেখান থেকে আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। এতে কোয়ার্টারে বসবাসকারী কর্মচারীদের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি হাসপাতালের পরিবেশ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কোয়ার্টারে বসবাসকারী এক কর্মচারী বলেন, ‘হাসপাতালের ভেতরে যেভাবে গরু পালন করা হচ্ছে, তা দেখে মনে হয় জায়গাটি যেন ব্যক্তিগত সম্পত্তি। কারো তোয়াক্কা না করে দিনের পর দিন এভাবে গরু পালন করায় আমরা অতিষ্ঠ।’

স্থানীয় বাসিন্দা মোশারফ হোসেন বলেন, ‘স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও দুর্গন্ধমুক্ত থাকা উচিত। এভাবে হাসপাতাল চত্বরের ভেতরে স্থায়ীভাবে গরু পালন করা ঠিক নয়। গো-মূত্র ও গোবরের দুর্গন্ধে মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে। মশা, মাছি বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে মশা, মাছি বাহিত রোগ বাড়ার ঝুঁকি। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

গরু পালনের অভিযোগের বিষয়ে ইপিআই টেকনিশিয়ান আশ্রাফুল ইসলাম কয়েস বলেন, হাওরে দ্রুত পানি চলে আসায় গরুগুলো রাখার অন্য কোনো জায়গা পাওয়া যাচ্ছিল না। তাই পরিত্যক্ত কোয়ার্টারের পাশে চালা করে গরুগুলো রাখা হয়েছে। সরকারি হাসপাতালের ভেতরে ব্যক্তিগতভাবে গরু পালনের অনুমতি আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “দুই-তিন দিনের মধ্যে গরুগুলো বিক্রি করে দেব।”

দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের ভেতরে গরু পালন করা হলেও বিষয়টি জানতেন না বলে মন্তব্য করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আরিফিন আজিম। ডা. আরিফিন আজিম বলেন, “যেদিকটায় গোয়ালঘর করা হয়েছে, ওই দিকটা হয়তো চোখে পড়ে না। তাই এত দিন খেয়াল করিনি।’ তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।

খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অলিদুজ্জামান বলেন, ‘সরকারি জায়গা ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

নেত্রকোনার জেলা সিভিল সার্জন ডা. গোলাম মাওলা বলেন, ‘এটা দেখার জন্য সেখানকার কর্মকর্তারা রয়েছেন। অভিযোগ পেলে তাঁরা এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন। তারপরও বিষয়টি আমি খোঁজখবর নিয়ে দেখব।’

আড়াই বছর আগে সদর উপজেলার উত্তর ঝিকরহাটি গ্রামের ইরান হাওলাদারের ছেলে আকবর হাওলাদারের সঙ্গে সুমি আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাঁদের মধ্যে খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে কলহ শুরু হয়। সম্প্রতি দুই লাখ টাকা যৌতুকের জন্য সুমিকে চাপ দেন তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

গাজীপুরের জয়দেবপুরে স্যুটকেস ও প্লাস্টিকের বস্তায় নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্যের জট খুলেছে। প্রেমের সম্পর্ক ও আগের বিয়েসহ নানা বিষয় নিয়ে বিরোধের জেরে ডলি আক্তার (৩০) নামে ওই নারীকে হত্যার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে গাজীপুর পিবিআই। এ সময় হত্যায় ব্যবহৃত বটি, দা, মোবাইল ফোন ও জুতা উদ্ধা

ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেল ও অর্থ দাবির অভিযোগে সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় মো. সায়দুর রহমান (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। মেহেরপুর সদর উপজেলার কলেজপাড়া এলাকায় গতকাল রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।