কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, মেলেনি মুক্তার ডিএনএ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:২২:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৯ বার পঠিত হয়েছে

আজ সোমবার রাত ৯টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উখিয়া থানার উপপরিদর্শক রিমন ঘোষ। তিনি জানান, সিআইডির ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ঢাকার শ্যামলীর গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তাঁর স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাঁদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬) রয়েছে।

অন্য পরিবারের নিহত ছয়জন হলো মৌলিতা মেহজাবিন আলভি (১৯), লায়লা জাহান নাবিলা (২৫), ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩), ফারিয়ার ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর (৬) ও ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামি (২৪)। তাঁরা ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকার বাসিন্দা।

সিআইডির এক কর্মকর্তা জানান, ২৭ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষক নাসরিন আক্তার মুক্তার ডিএনএর সঙ্গে উদ্ধার হওয়া ১০টি মরদেহের কোনো নমুনার মিল পাওয়া যায়নি। সাভারের আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষক মুক্তা দুই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলেন।

মুক্তার স্বামী দেওয়ান ফয়সালের দাবি, আগুন লাগার সময় তাঁর স্ত্রী রিসোর্টের কক্ষে আটকা পড়েছিলেন। মুক্তার দুই বান্ধবী বের হতে পারলেও তাঁর আর খোঁজ মেলেনি। এর আগে তদন্ত কমিটি জানিয়েছিল, মুক্তার অবস্থান শনাক্তে তাঁর মোবাইল ফোনের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

১৭ অক্টোবর সকাল ৭টার দিকে মেরিন ড্রাইভের পাশে পাটুয়ারটেক সৈকতসংলগ্ন তিনতলা রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। ঘটনায় ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয় ও আহত সাতজন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। নিখোঁজের তালিকায় ১১ জনের নাম থাকায় শুরু থেকেই হিসাবের গরমিল দেখা দেয়।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহানকে প্রধান করে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন এখনো জমা পড়েনি।

এ ঘটনায় ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। রিসোর্টের মালিক মোহাম্মদ তানভীর সুলতান মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক। আরেক মালিক নেওয়াজ মোর্শেদও আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভে অবৈধ রিসোর্ট উচ্ছেদ অভিযান শুরু

কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভে অবৈধ রিসোর্ট উচ্ছেদ অভিযান শুরু

কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ রিসোর্ট, কটেজ ও রেস্তোরাঁ উচ্ছেদে যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরু হয়েছে। উখিয়ার ইনানীতে প্রায় ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চারতলা একটি রিসোর্ট ভবন ভেঙে অভিযান শুরু হয়।

সেন্ট মার্টিনে রাতযাপন নিয়ে যা জানাল পরিবেশ মন্ত্রণালয়

সেন্ট মার্টিনে রাতযাপন নিয়ে যা জানাল পরিবেশ মন্ত্রণালয়

চিঠিতে বলা হয়, ১ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজে সেন্ট মার্টিনে যাতায়াত করতে পারবেন পর্যটকেরা। প্রতিদিন দ্বীপে যাতায়াতকারী পর্যটকের সংখ্যা গড়ে সাড়ে তিন হাজারের বেশি হতে পারবে না। প্রত্যেক পর্যটককে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি হিসেব

অধিকাংশ হোটেল-রিসোর্টে নেই অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ও জরুরি পথ

অধিকাংশ হোটেল-রিসোর্টে নেই অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ও জরুরি পথ

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ-সংলগ্ন টুপটুপ রিসোর্টে ঘুম ভাঙে মেহেরুননেসা মিলার (৩০) আগুনের তাপে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পাশের কক্ষে থাকা স্বজনদের খোঁজ নেওয়ারও সুযোগ পাননি তিনি। জানালার কাচ ভেঙে দোতলা থেকে লাফিয়ে পড়ে প্রাণে বাঁচেন তিনি ও তাঁর স্বামী মাসুদ মিয়া।

জনপ্রিয় টার্গেট

কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, মেলেনি মুক্তার ডিএনএ

প্রকাশ: ১২:২২:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

আজ সোমবার রাত ৯টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উখিয়া থানার উপপরিদর্শক রিমন ঘোষ। তিনি জানান, সিআইডির ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ঢাকার শ্যামলীর গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তাঁর স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাঁদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬) রয়েছে।

অন্য পরিবারের নিহত ছয়জন হলো মৌলিতা মেহজাবিন আলভি (১৯), লায়লা জাহান নাবিলা (২৫), ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩), ফারিয়ার ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর (৬) ও ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামি (২৪)। তাঁরা ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকার বাসিন্দা।

সিআইডির এক কর্মকর্তা জানান, ২৭ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষক নাসরিন আক্তার মুক্তার ডিএনএর সঙ্গে উদ্ধার হওয়া ১০টি মরদেহের কোনো নমুনার মিল পাওয়া যায়নি। সাভারের আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষক মুক্তা দুই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলেন।

মুক্তার স্বামী দেওয়ান ফয়সালের দাবি, আগুন লাগার সময় তাঁর স্ত্রী রিসোর্টের কক্ষে আটকা পড়েছিলেন। মুক্তার দুই বান্ধবী বের হতে পারলেও তাঁর আর খোঁজ মেলেনি। এর আগে তদন্ত কমিটি জানিয়েছিল, মুক্তার অবস্থান শনাক্তে তাঁর মোবাইল ফোনের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

১৭ অক্টোবর সকাল ৭টার দিকে মেরিন ড্রাইভের পাশে পাটুয়ারটেক সৈকতসংলগ্ন তিনতলা রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। ঘটনায় ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয় ও আহত সাতজন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। নিখোঁজের তালিকায় ১১ জনের নাম থাকায় শুরু থেকেই হিসাবের গরমিল দেখা দেয়।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহানকে প্রধান করে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন এখনো জমা পড়েনি।

এ ঘটনায় ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। রিসোর্টের মালিক মোহাম্মদ তানভীর সুলতান মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক। আরেক মালিক নেওয়াজ মোর্শেদও আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভে অবৈধ রিসোর্ট উচ্ছেদ অভিযান শুরু

কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভে অবৈধ রিসোর্ট উচ্ছেদ অভিযান শুরু

কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ রিসোর্ট, কটেজ ও রেস্তোরাঁ উচ্ছেদে যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরু হয়েছে। উখিয়ার ইনানীতে প্রায় ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চারতলা একটি রিসোর্ট ভবন ভেঙে অভিযান শুরু হয়।

সেন্ট মার্টিনে রাতযাপন নিয়ে যা জানাল পরিবেশ মন্ত্রণালয়

সেন্ট মার্টিনে রাতযাপন নিয়ে যা জানাল পরিবেশ মন্ত্রণালয়

চিঠিতে বলা হয়, ১ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজে সেন্ট মার্টিনে যাতায়াত করতে পারবেন পর্যটকেরা। প্রতিদিন দ্বীপে যাতায়াতকারী পর্যটকের সংখ্যা গড়ে সাড়ে তিন হাজারের বেশি হতে পারবে না। প্রত্যেক পর্যটককে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি হিসেব

অধিকাংশ হোটেল-রিসোর্টে নেই অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ও জরুরি পথ

অধিকাংশ হোটেল-রিসোর্টে নেই অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ও জরুরি পথ

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ-সংলগ্ন টুপটুপ রিসোর্টে ঘুম ভাঙে মেহেরুননেসা মিলার (৩০) আগুনের তাপে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পাশের কক্ষে থাকা স্বজনদের খোঁজ নেওয়ারও সুযোগ পাননি তিনি। জানালার কাচ ভেঙে দোতলা থেকে লাফিয়ে পড়ে প্রাণে বাঁচেন তিনি ও তাঁর স্বামী মাসুদ মিয়া।