ক্লাস চলাকালে ঝাঁজালো গন্ধ, হাতিয়ায় ফের অসুস্থ ২১ শিক্ষার্থী

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:০২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পঠিত হয়েছে

আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার তমরদ্দি জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর একই বিদ্যালয়ে ঝাঁজালো গন্ধে ২৭ শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবার শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সোমবার সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয়ে পাঠদান শুরু হয়। এর প্রায় এক ঘণ্টা পর নবম শ্রেণির দুই ছাত্রী হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পর অন্যান্য শ্রেণিকক্ষেও ১৫ থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ সময় কয়েকজন অজ্ঞান হয়ে যায়।

পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অসুস্থ শিক্ষার্থীদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। দুপুর ২টা পর্যন্ত সেখানে ২১ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়। অসুস্থদের মধ্যে সুমাইয়া (১৪), রিহান (১২), সাকিব (১২), ছায়েম (১৩), আরক দেবী (১৪), আরাফাত হোসেন (১৪), লাইজু (১৩) ও ঐশী (১৩), ফরিদা আক্তারসহ (১৩) আরও অনেকে রয়েছে। তাদের সবার বাড়ি তমরদ্দি জোড়খালী গ্রামে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত উপসহকারী মেডিকেল অফিসার বিমান চন্দ্র আশ্চার্য বলেন, দুপুর ২টা পর্যন্ত হাসপাতালে ২১ জন শিক্ষার্থীকে আনা হয়েছে। তাদের সঙ্গে আসা একজন অভিভাবক ও হাসপাতালের একজন স্টাফও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীমউদ্দিন বলেন, প্রথমে কয়েকজন শিক্ষার্থী অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে আরও কয়েকজন অসুস্থ হলে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে কী কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ বা অজ্ঞান হয়েছে, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রবিউল ইসলাম নিলয় বলেন, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের অবস্থা সংকটাপন্ন কি না, তা ১২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের পর বলা যাবে। অনেকের এখনো পুরোপুরি জ্ঞান ফেরেনি। তাদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। রোগীর অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধ থাকার বিষয়টি জানা গেছে। তবে এর সঙ্গে পরিবেশগত বা মানসিক কোনো বিষয় থাকতে পারে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, সন্ধ্যার পর বিদ্যালয় এলাকায় বহিরাগতদের আনাগোনা ও আড্ডা বেড়ে যায়। এ সময় বিদ্যালয়ের আশপাশে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের ঘটনা ঘটে। তবে এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।

খবর পেয়ে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের দেখতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে যান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন। এ সময় হাসপাতালে স্বজন ও সাধারণ মানুষের ভিড় জমে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাসপাতাল এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

ওসি কবির হোসেন বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে এসেছি। একই ঘটনা বারবার কেন ঘটছে, তা চিকিৎসাবিষয়ক তদন্তের পাশাপাশি এখানে ফৌজদারি কোনো অপরাধ আছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হবে।

‘মোজো’ সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। মানুষের প্রতিটি মুহূর্তের সঙ্গী হওয়ার পাশাপাশি যে কোনো সংকট ও মানবিক বিপর্যয়ে মানুষের পাশে থাকাই মোজো-এর অন্যতম অঙ্গীকার। মানবিক কাজে পাশে থাকার এই দায়বদ্ধতার ধারাবাহিকতায় এবার প্রতিবেশী দেশ নেপালের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের বেভারেজ ব্র্যান্ড ‘মোজো’।

চাঁদপুরের কচুয়ায় ১৩ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে মদিনাতুল উলুম মহিলা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলায় তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া তিনটি বিতর্কিত ঘটনা তদন্তে পৃথক তিনটি কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ডাকসুর ‘ডিইউ ইভ্যালুয়েশন’ নামের একটি নতুন ওয়েবসাইট চালু, অনুমতি ছাড়া ‘নির্ভীক জুলাই’ নামের দুটি স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন…

জনপ্রিয় টার্গেট

শিবিরের কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় অতিথি জাল সনদে চাকরি হারানো সেই জাহাঙ্গীর

ক্লাস চলাকালে ঝাঁজালো গন্ধ, হাতিয়ায় ফের অসুস্থ ২১ শিক্ষার্থী

প্রকাশ: ০৯:০২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার তমরদ্দি জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর একই বিদ্যালয়ে ঝাঁজালো গন্ধে ২৭ শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবার শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সোমবার সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয়ে পাঠদান শুরু হয়। এর প্রায় এক ঘণ্টা পর নবম শ্রেণির দুই ছাত্রী হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পর অন্যান্য শ্রেণিকক্ষেও ১৫ থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ সময় কয়েকজন অজ্ঞান হয়ে যায়।

পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অসুস্থ শিক্ষার্থীদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। দুপুর ২টা পর্যন্ত সেখানে ২১ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়। অসুস্থদের মধ্যে সুমাইয়া (১৪), রিহান (১২), সাকিব (১২), ছায়েম (১৩), আরক দেবী (১৪), আরাফাত হোসেন (১৪), লাইজু (১৩) ও ঐশী (১৩), ফরিদা আক্তারসহ (১৩) আরও অনেকে রয়েছে। তাদের সবার বাড়ি তমরদ্দি জোড়খালী গ্রামে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত উপসহকারী মেডিকেল অফিসার বিমান চন্দ্র আশ্চার্য বলেন, দুপুর ২টা পর্যন্ত হাসপাতালে ২১ জন শিক্ষার্থীকে আনা হয়েছে। তাদের সঙ্গে আসা একজন অভিভাবক ও হাসপাতালের একজন স্টাফও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীমউদ্দিন বলেন, প্রথমে কয়েকজন শিক্ষার্থী অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে আরও কয়েকজন অসুস্থ হলে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে কী কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ বা অজ্ঞান হয়েছে, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রবিউল ইসলাম নিলয় বলেন, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের অবস্থা সংকটাপন্ন কি না, তা ১২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের পর বলা যাবে। অনেকের এখনো পুরোপুরি জ্ঞান ফেরেনি। তাদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। রোগীর অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধ থাকার বিষয়টি জানা গেছে। তবে এর সঙ্গে পরিবেশগত বা মানসিক কোনো বিষয় থাকতে পারে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, সন্ধ্যার পর বিদ্যালয় এলাকায় বহিরাগতদের আনাগোনা ও আড্ডা বেড়ে যায়। এ সময় বিদ্যালয়ের আশপাশে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের ঘটনা ঘটে। তবে এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।

খবর পেয়ে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের দেখতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে যান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন। এ সময় হাসপাতালে স্বজন ও সাধারণ মানুষের ভিড় জমে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাসপাতাল এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

ওসি কবির হোসেন বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে এসেছি। একই ঘটনা বারবার কেন ঘটছে, তা চিকিৎসাবিষয়ক তদন্তের পাশাপাশি এখানে ফৌজদারি কোনো অপরাধ আছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হবে।

‘মোজো’ সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। মানুষের প্রতিটি মুহূর্তের সঙ্গী হওয়ার পাশাপাশি যে কোনো সংকট ও মানবিক বিপর্যয়ে মানুষের পাশে থাকাই মোজো-এর অন্যতম অঙ্গীকার। মানবিক কাজে পাশে থাকার এই দায়বদ্ধতার ধারাবাহিকতায় এবার প্রতিবেশী দেশ নেপালের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের বেভারেজ ব্র্যান্ড ‘মোজো’।

চাঁদপুরের কচুয়ায় ১৩ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে মদিনাতুল উলুম মহিলা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলায় তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া তিনটি বিতর্কিত ঘটনা তদন্তে পৃথক তিনটি কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ডাকসুর ‘ডিইউ ইভ্যালুয়েশন’ নামের একটি নতুন ওয়েবসাইট চালু, অনুমতি ছাড়া ‘নির্ভীক জুলাই’ নামের দুটি স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন…