পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ সেপ্টেম্বর স্থানীয় বিএনপি নেতা কাজী লুৎফুর রহমানের বাড়ির পেছনের পুকুরে তাঁদের পরিবারের নারীরা গোসল করছিলেন। এ সময় একই গ্রামের বাসিন্দা ও বিএনপি নেতা এজারত মিয়ার পক্ষের দুই ছেলে গোপনে ওই নারীদের ছবি তোলেন। পরবর্তীতে ঘটনাটি কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র বিরোধ ও চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এরই জের ধরে রোববার সকালে কাজী লুৎফুর রহমান ও এজারত মিয়ার সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন।
খবর পেয়ে বানিয়াচং থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিন রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হক জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং পুনরায় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
২০২৫ সালের পর টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে ইজতেমা না করার বিষয়ে সা’দপন্থীরা কোনো মুচলেকা দেয়নি বলে দাবি করেছে তাবলীগ জামাত বাংলাদেশ। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মুচলেকা দেওয়ার কথা বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলী পুলিশকে ২০ ভরি সোনা দেওয়ার সময় জানিয়েছেন—বাকি ২০ ভরি সোনা আছে পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনের কাছে। তিনিই সোনার চালানটি নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জাকিরকে জানিয়েছিলেন। সোনা হস্তান্তরের পর জাকির অভিযানের নামে ওই সোনা ছিনিয়ে নেন।
দৈনিক টার্গেট 




















