নিবন্ধনহীন মোটরসাইকেল আটক করায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসপি কার্যালয় ঘেরাও ছাত্রদলের

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৮:৫৬:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত হয়েছে

পুলিশ জানায়, সোমবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনের কাগজপত্র যাচাই করছিল পুলিশ। এ সময় জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান আক্তারের মোটরসাইকেল থামিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হয়। মোটরসাইকেলটির নিবন্ধন না থাকায় সেটি আটক করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা।

এ সময় মোটরসাইকেল আটক করা নিয়ে টিএসআই উজ্জ্বল কুমারের সঙ্গে আক্তারুজ্জামানের বাগবিতণ্ডা হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ছাত্রদলের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী রাতের দিকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে অবস্থান নেন। তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। প্রধান ফটকে অবস্থান নেওয়ায় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা পুলিশ সদস্যরা কিছু সময়ের জন্য অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে ঘটনাস্থলে থাকা গণমাধ্যমকর্মীরা ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী তাতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধারণ করা ভিডিও মুছে ফেলতে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর চাপ দেওয়ার অভিযোগও ওঠে।

খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, আক্তারুজ্জামানের মোটরসাইকেলটির কাগজপত্র ছিল না। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে টিএসআই উজ্জ্বল কুমার চেকপোস্টে মোটরসাইকেলটি থামার সংকেত দেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে আক্তারুজ্জামানের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মোটরসাইকেলটি আটক করা হয়। এর প্রতিবাদে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন।

তিনি বলেন, ‘সেখানে ৫০ থেকে ৬০ জন ছাত্রদল নেতাকর্মী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ কিছুটা বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করেন এবং পুলিশের সঙ্গে খারাপ ভাষায় কথা বলেন। পরে তাঁদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।’

গণমাধ্যমকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মীম ফজলে আজিম বলেন, মোটরসাইকেল আটক করা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। পরে আলোচনার ভিত্তিতে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এ সময় গণমাধ্যমকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটে থাকলে সেটিও ভুল হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন।

নাজমার ভাষ্য, আগুন লাগার পর হাসপাতালের ভেতরে লোকজন ছোটাছুটি শুরু করলে কুলসুম ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার চেষ্টা করেন। মিম আগে বের হয়ে যায়। পরে ফিরে এসে দেখে, লোকজন তাঁর ভাই স্বাধীনকে টেনে বের করছেন; কিন্তু মাকে পাওয়া যাচ্ছে না।

রাজধানী ঢাকায় প্রায় প্রতিদিনই অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধার হচ্ছে। পরে পরিচয় শনাক্ত হওয়া মরদেহ মর্গ থেকে নিয়ে যান স্বজনেরা। পরিচয় শনাক্ত না হওয়া মরদেহগুলো পড়ে থাকে মর্গে ‘বেওয়ারিশ’ হিসেবে। পরে এসব মরদেহ দাফন ও সৎকারের জন্য হস্তান্তর করা হয় আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে।

‘হাকালুকি হাওরে আগের মতো মাছ মেলে না। হাওরের পানির নিচে হাত দিলেই শুধু প্লাস্টিক হাতে আসে। হাওরের গভীরতা অনেকটাই কমে গেছে। আগে যে জায়গায় ১৫-২০ ফুট গভীর পর্যন্ত পানি ছিল, এখন সেই জায়গায় মাত্র ৫-৭ ফুট। পলিমাটি ও বালু এসে ধীরে ধীরে বিলগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। সরকারিভাবে হাওর রক্ষার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

জনপ্রিয় টার্গেট

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাল্কহেডের সঙ্গে সংঘর্ষে স্পিডবোটের ২ যাত্রী নিহত

নিবন্ধনহীন মোটরসাইকেল আটক করায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসপি কার্যালয় ঘেরাও ছাত্রদলের

প্রকাশ: ০৮:৫৬:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পুলিশ জানায়, সোমবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনের কাগজপত্র যাচাই করছিল পুলিশ। এ সময় জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান আক্তারের মোটরসাইকেল থামিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হয়। মোটরসাইকেলটির নিবন্ধন না থাকায় সেটি আটক করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা।

এ সময় মোটরসাইকেল আটক করা নিয়ে টিএসআই উজ্জ্বল কুমারের সঙ্গে আক্তারুজ্জামানের বাগবিতণ্ডা হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ছাত্রদলের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী রাতের দিকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে অবস্থান নেন। তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। প্রধান ফটকে অবস্থান নেওয়ায় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা পুলিশ সদস্যরা কিছু সময়ের জন্য অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে ঘটনাস্থলে থাকা গণমাধ্যমকর্মীরা ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী তাতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধারণ করা ভিডিও মুছে ফেলতে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর চাপ দেওয়ার অভিযোগও ওঠে।

খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, আক্তারুজ্জামানের মোটরসাইকেলটির কাগজপত্র ছিল না। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে টিএসআই উজ্জ্বল কুমার চেকপোস্টে মোটরসাইকেলটি থামার সংকেত দেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে আক্তারুজ্জামানের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মোটরসাইকেলটি আটক করা হয়। এর প্রতিবাদে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন।

তিনি বলেন, ‘সেখানে ৫০ থেকে ৬০ জন ছাত্রদল নেতাকর্মী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ কিছুটা বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করেন এবং পুলিশের সঙ্গে খারাপ ভাষায় কথা বলেন। পরে তাঁদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।’

গণমাধ্যমকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মীম ফজলে আজিম বলেন, মোটরসাইকেল আটক করা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। পরে আলোচনার ভিত্তিতে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এ সময় গণমাধ্যমকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটে থাকলে সেটিও ভুল হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন।

নাজমার ভাষ্য, আগুন লাগার পর হাসপাতালের ভেতরে লোকজন ছোটাছুটি শুরু করলে কুলসুম ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার চেষ্টা করেন। মিম আগে বের হয়ে যায়। পরে ফিরে এসে দেখে, লোকজন তাঁর ভাই স্বাধীনকে টেনে বের করছেন; কিন্তু মাকে পাওয়া যাচ্ছে না।

রাজধানী ঢাকায় প্রায় প্রতিদিনই অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধার হচ্ছে। পরে পরিচয় শনাক্ত হওয়া মরদেহ মর্গ থেকে নিয়ে যান স্বজনেরা। পরিচয় শনাক্ত না হওয়া মরদেহগুলো পড়ে থাকে মর্গে ‘বেওয়ারিশ’ হিসেবে। পরে এসব মরদেহ দাফন ও সৎকারের জন্য হস্তান্তর করা হয় আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে।

‘হাকালুকি হাওরে আগের মতো মাছ মেলে না। হাওরের পানির নিচে হাত দিলেই শুধু প্লাস্টিক হাতে আসে। হাওরের গভীরতা অনেকটাই কমে গেছে। আগে যে জায়গায় ১৫-২০ ফুট গভীর পর্যন্ত পানি ছিল, এখন সেই জায়গায় মাত্র ৫-৭ ফুট। পলিমাটি ও বালু এসে ধীরে ধীরে বিলগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। সরকারিভাবে হাওর রক্ষার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।