পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাঁচজন যুবক ডায়াগনস্টিক সেন্টারটিতে প্রবেশ করেন। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা চায়নিজ কুড়াল দিয়ে বিভিন্ন জিনিসে কোপাতে থাকেন। এ সময় দুটি শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), একটি টেলিভিশন, সামনের দরজার কাচ ও অভ্যর্থনা কাউন্টার ভাঙচুর করা হয়। এর আগে তাঁরা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক কর্মীর কাছ থেকে একটি মুঠোফোন ছিনিয়ে নেন। ফোনটির আনুমানিক দাম ৩০ হাজার টাকা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন বলেন, প্রায় এক মাস আগে টুটপাড়ার নুর আজিম বাহিনীর এক সদস্য আমাকে ফোন করেছিলেন। ফোনে নুর আজিমের কথা বলা হলে—‘আমি তাঁকে চিনিনা বলে জানাই’। এরপর অপর প্রান্ত থেকে ফোন কেটে দেওয়া হয়। ওই ঘটনার এক মাস পর ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা হলো।
ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভেতরে থাকা এক ব্যক্তি বলেন, হামলাকারী পাঁচজনের সবার হাতে চায়নিজ কুড়াল ছিল।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লোকমান হোসেন রিপন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সেখান থেকে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদের আটকে অভিযান চলছে।

দৈনিক টার্গেট 























