নিহত ছয়জনের প্রত্যেক পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা এবং আহতের প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়। নিহতদের দাফন ও আহতদের জরুরি চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা হিসেবে এই টাকা দেওয়া হয়েছে।
অনুদান প্রদানের সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান, পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তামারা তাসবিহা ও মালঞ্চি ইউপি চেয়ারম্যান কবির আহমেদ বাবুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
পাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তামারা তাসবিহা জানান, উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের কয়েকজন সোনাপাতিল বিলে বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে গেলে বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় তাঁরা পাশের একটি ছাউনিতে আশ্রয় নিলে সেখানে আকস্মিক বজ্রপাতে ছয়জন মারা যান। এ ঘটনায় তিনজন গুরুতর আহত হন। আহতদের বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ইউএনও বলেন, ‘নিহতদের বাড়ি গিয়ে প্রত্যেকের পরিবারকে দাফন ও জরুরি সহায়তা হিসেবে নগদ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আহত তিনজনকে চিকিৎসার জন্য প্রত্যেক পরিবারের হাতে ২৫ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক স্যার নিজে উপস্থিত থেকে এ অনুদান তুলে দেন। এ ছাড়া স্থানীয় সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এ ব্যাপারে শোক জানানোর পাশাপাশি খোঁজ খবর নিচ্ছেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার নির্দেশনা দিয়েছেন। হতাহত পরিবারের আরও কোনো ধরনের সহায়তা প্রয়োজন হলে সেটিও দেওয়া হবে।’
প্রসঙ্গত, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে মালঞ্চি ইউনিয়নের গোপীনাথপুর এলাকার সোনাপাতিল বিলে বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করতে যায় নয়জন কিশোর তরুণ। এ সময় বজ্রপাতে ছয়জন নিহত হন এবং তিনজন গুরুতর আহত হয়ে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। তবে অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তারা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহতরা হলেন, উপজেলার নলমুড়া গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে রব্বেল হোসেন (২২), শাহজাহান আলীর ছেলে মিজান আলী (১২), মনিরুল ইসলামের ছেলে সাজিদ হোসেন (১০), শাহাদত প্রামাণিকের ছেলে আব্দুল্লাহ প্রামাণিক (১৮), ইবাদুল হোসেনের ছেলে ইমন হোসেন (১৪) ও গঞ্জমতি গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে শাওন হোসেন (২২)।

দৈনিক টার্গেট 






















