মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণের পর নির্যাতন করে মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার ২

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:০১:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পঠিত হয়েছে

আজ সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গতকাল রোববার উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নের কুন্দেরপাড়াচর থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের ফলিয়া গ্রামের সজল ও সুলাইমান।

অপর দিকে অপহরণ হওয়া শিশু সাইমুন ইসলাম সাইম (১১) সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার আগগয়হাটা গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে। সে গাইবান্ধা সদর উপজেলার ফলিয়া এলাকার আল ইমরান মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে শিশু সাইম মাদ্রাসা থেকে বের হলে তাকে সদর উপজেলার পুলবন্দি বাজারে ডেকে নেন আসামি সুলাইমান। সেখানে চেতনানাশক খাইয়ে অচেতন করে তাকে ধোপাডাঙ্গা গ্রামে আসামি রবিউলের ভাড়া বাসায় নেওয়া হয়। পরে আসামি সজল, রবিউলসহ অজ্ঞাতনামা পাঁচ থেকে সাতজন মিলে শিশু সাইমকে অমানবিক নির্যাতন চালান। একপর্যায়ে তার মা ও দাদির কাছে মোবাইল ফোনে কল করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন আসামিরা।

সাইমের মা তাৎক্ষণিক ঘটনাটি মাদ্রাসার পরিচালক শাহ জালাল হোসেন রোস্তমকে জানালে তিনি কয়েকজনকে নিয়ে ধোপাডাঙ্গা গ্রামে যান। পরে গ্রামের একটি অন্ধকার কক্ষ থেকে সাইমকে হাত-পা বাঁধা ও গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপর সাইমকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনায় শিশু সাইমের মা সুমি বেগম বাদী হয়ে তিনজনের নামোল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা পাঁচ থেকে সাতজনের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা করেন। মামলার পর অভিযান চালিয়ে আসামি সজল ও সুলাইমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সাইমের মা সুমি বেগম বলেন, ‘আসামিরা আমার পরিচিত। তারা পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে অপহরণ করে নির্যাতন করেছে। মুক্তিপণ না দিলে ছেলেকে হত্যার হুমকিও দিয়েছিল। সব আসামিকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।’

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা বলেন, গ্রেপ্তার দুই আসামি জিজ্ঞাসাবাদে ও আদালতে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবির বিষয়টি স্বীকার করেছেন। পরে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ঢাকার কেরানীগঞ্জের হযরতপুরে এক জুয়েলারি দোকানদারকে গুলি করে অন্তত ২৫ ভরি স্বর্ণ ছিনতাইয়ের অভিযোগ করা হয়েছে। অন্তর সরকার (২৮) নামে গুলিবিদ্ধ আহত ব্যবসায়ীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে…

গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি মেরামত কাজের জন্য রাজধানী ঢাকার দক্ষিণ পাইকপাড়াসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকায় আগামীকাল মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) টানা ৫ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। আজ সোমবার তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) গেটসংলগ্ন চারটি রেস্তোরাঁয় আজ সোমবার বিকেলে অভিযান চালিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রাহাতুল ইসলাম এ অভিযান চালান।

জনপ্রিয় টার্গেট

এবার অবসরের ইঙ্গিত দিলেন মেসির সতীর্থ

মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণের পর নির্যাতন করে মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার ২

প্রকাশ: ১২:০১:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজ সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গতকাল রোববার উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নের কুন্দেরপাড়াচর থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের ফলিয়া গ্রামের সজল ও সুলাইমান।

অপর দিকে অপহরণ হওয়া শিশু সাইমুন ইসলাম সাইম (১১) সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার আগগয়হাটা গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে। সে গাইবান্ধা সদর উপজেলার ফলিয়া এলাকার আল ইমরান মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে শিশু সাইম মাদ্রাসা থেকে বের হলে তাকে সদর উপজেলার পুলবন্দি বাজারে ডেকে নেন আসামি সুলাইমান। সেখানে চেতনানাশক খাইয়ে অচেতন করে তাকে ধোপাডাঙ্গা গ্রামে আসামি রবিউলের ভাড়া বাসায় নেওয়া হয়। পরে আসামি সজল, রবিউলসহ অজ্ঞাতনামা পাঁচ থেকে সাতজন মিলে শিশু সাইমকে অমানবিক নির্যাতন চালান। একপর্যায়ে তার মা ও দাদির কাছে মোবাইল ফোনে কল করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন আসামিরা।

সাইমের মা তাৎক্ষণিক ঘটনাটি মাদ্রাসার পরিচালক শাহ জালাল হোসেন রোস্তমকে জানালে তিনি কয়েকজনকে নিয়ে ধোপাডাঙ্গা গ্রামে যান। পরে গ্রামের একটি অন্ধকার কক্ষ থেকে সাইমকে হাত-পা বাঁধা ও গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপর সাইমকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনায় শিশু সাইমের মা সুমি বেগম বাদী হয়ে তিনজনের নামোল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা পাঁচ থেকে সাতজনের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা করেন। মামলার পর অভিযান চালিয়ে আসামি সজল ও সুলাইমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সাইমের মা সুমি বেগম বলেন, ‘আসামিরা আমার পরিচিত। তারা পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে অপহরণ করে নির্যাতন করেছে। মুক্তিপণ না দিলে ছেলেকে হত্যার হুমকিও দিয়েছিল। সব আসামিকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।’

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা বলেন, গ্রেপ্তার দুই আসামি জিজ্ঞাসাবাদে ও আদালতে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবির বিষয়টি স্বীকার করেছেন। পরে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ঢাকার কেরানীগঞ্জের হযরতপুরে এক জুয়েলারি দোকানদারকে গুলি করে অন্তত ২৫ ভরি স্বর্ণ ছিনতাইয়ের অভিযোগ করা হয়েছে। অন্তর সরকার (২৮) নামে গুলিবিদ্ধ আহত ব্যবসায়ীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে…

গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি মেরামত কাজের জন্য রাজধানী ঢাকার দক্ষিণ পাইকপাড়াসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকায় আগামীকাল মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) টানা ৫ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। আজ সোমবার তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) গেটসংলগ্ন চারটি রেস্তোরাঁয় আজ সোমবার বিকেলে অভিযান চালিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রাহাতুল ইসলাম এ অভিযান চালান।