নিহত সৌরভ রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের মুছাপুর গ্রামের আমির ইসলাম ও রেনু বেগমের একমাত্র ছেলে। তিনি আলসাইম কোম্পানির অধীনে জেদ্দার একটি ব্যাংকে টি-বয় হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
নিহতের পরিবার ও প্রবাসীদের সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ভোরে নিজ বাসার ছাদে অবস্থান করছিলেন সৌরভ। ওই সময় ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র জেদ্দার দিকে আসতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে আসার চেষ্টার সময় পায়ে তাঁর কিংবা রশি পেঁচিয়ে নিচে পড়ে যান। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পান এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। সকালে সঙ্গে থাকা অন্য প্রবাসীরা তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
সেখানে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন সৌরভের সঙ্গে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
মঙ্গলবার বিকেলে সৌদি আরবে থাকা এক ব্যক্তি সৌরভের স্বজনদের ফোন করে তাঁর মৃত্যুর খবর জানান। খবর ছড়িয়ে পড়লে মুছাপুর গ্রামের বাড়িতে শোকের মাতম শুরু হয়।
আজ বুধবার সকালে বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, একমাত্র ছেলের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা রেনু বেগম। স্বজন ও স্থানীয়রাও সেখানে ভিড় করছেন।
নিহতের মা রেনু বেগম বলেন, ‘সৌরভ আমার একমাত্র ছেলে ছিল। ফোনে বারবার আমার খোঁজ নিত। এখন কে আমার খবর নেবে? আমি শেষবারের মতো ছেলের মুখটা দেখতে চাই। নিজের হাতে ছেলেকে মাটি দিতে চাই। সরকারের কাছে আবেদন, দ্রুত আমার ছেলের মরদেহ দেশে এনে দিন।’
সৌরভের বাবা আমির ইসলাম বলেন, ‘মঙ্গলবার বিকেলে সৌদিতে সৌরভের সঙ্গে থাকা একজন ফোন করে তার মৃত্যুর খবর দেন। এখন ছেলের মুখটা দেখতে চাই, নিজের হাতে মাটি দিতে চাই। সরকারের কাছে অনুরোধ, দ্রুত আমার ছেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক।’
সৌরভের স্বজন তৌহিদুল ইসলাম ও কামাল মিয়া বলেন, সৌরভ অত্যন্ত নম্র, ভদ্র ও শান্ত প্রকৃতির ছিলেন। ক্ষেপণাস্ত্রের আতঙ্কে দ্রুত নামতে গিয়ে তিনি দুর্ঘটনার শিকার হন বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তাঁর মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চান তাঁরা।
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা থেকে নিখোঁজের ২৩ দিন পেরিয়ে গেলেও নববধূ হাফসা আক্তারের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাঁর ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা নিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় রয়েছেন মা মুক্তা বেগমসহ স্বজনেরা।
ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, রাজধানীর একটি এলাকা থেকে ওই দুই ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা সরকারের আছে। এই দুর্যোগ প্রাকৃতিক হোক অথবা মানুষের সৃষ্টি করা হোক।’ তিনি বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার পদ্মার চরে বসবাসকারী মানুষের জীবন ও জীবিকার উন্নয়নে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। আমরা চরের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরি….
দৈনিক টার্গেট 























