কেটি পেরি ও তাঁর বোন অ্যাঞ্জেলা লার্চ তাঁদের অলাভজনক সংস্থা ফায়ারওয়ার্ক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ‘গ্র্যাটিচ্যুড ক্যানিয়ন’ নামের এই প্রকল্প তৈরি করতে চাইছেন। মূলত ১১ থেকে ১৩ বছর বয়সী সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের শিল্প, সংগীত ও প্রকৃতির সঙ্গে যুক্ত করতেই এই ক্যাম্পের পরিকল্পনা। ১১০ একরের এই সম্পত্তিতে ৮টি কেবিন, ডাইনিং হল, জিমনেসিয়াম, সুইমিংপুল, টেনিস কোর্ট, অ্যাম্ফিথিয়েটার এবং একটি রেকর্ডিং স্টুডিও নির্মাণের কথা রয়েছে।
তবে কেটি পেরির ফাউন্ডেশনের দাবি, পুরো জায়গার মাত্র ৩ শতাংশে স্থাপনা থাকবে, বাকি ৯৭ শতাংশই উন্মুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশ হিসেবে সংরক্ষিত রাখা হবে। ফায়ার সেফটি ও শব্দদূষণ রোধে বিশেষজ্ঞ এবং অগ্নিনির্বাপণ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করেই পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে।
গ্র্যাটিচ্যুড ক্যানিয়ন প্রকল্পটি এখন কাউন্টি কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ার পরিবেশগত আইনের অধীনে এর প্রভাব মূল্যায়ন এবং আগামী বছর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণশুনানির পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সিব মিলিয়ে এবং বিপুলসংখ্যক মানুষের আপত্তির মুখে কেটি পেরির এই স্বপ্নের প্রজেক্ট শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
-3c2e4d-256x144.webp)
দৈনিক টার্গেট 



























