হত্যাকাণ্ডটি ঢাকায় সংঘটিত হলেও অপরাধের আলামত আড়াল করতে আসামিরা মরদেহটি একটি প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে গাড়িতে নিয়ে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে শেরপুরের শ্রীবরদীর ওই নির্জন খালে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে পিবিআইয়ের তদন্তে হত্যার আসল কারণ বেরিয়ে আসে। গত ৩১ অক্টোবর রাজধানীর ধানমন্ডিতে এক সাবেক রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী আফিয়া আক্তারকে নিজ ফ্ল্যাটে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। তদন্তে জানা যায়, তাঁর ছেলেই তাঁকে খুন করেন।
রাজধানী থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে চলা এমন মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডগুলো প্রমাণ করে, সমাজে অপরাধপ্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। এই নির্মম বাস্তবতা সংখ্যায় হিসাব করলে তার রূপ আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে।
সংগঠনটি জানিয়েছে, হত্যা ছাড়াও অন্যান্য সহিংসতার চিত্র অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অক্টোবর মাসে মোট ৫১ জন নারী ও কন্যা ধর্ষণের শিকার হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৪ জন কন্যা ও ১৭ জন নারী। দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৬ জন কন্যাসহ ১৬ জন এবং ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছে ২ জন কন্যাসহ ৩ জন। এ ছাড়া ২১ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। রহস্যজনক মৃত্যুর শিকার হয়েছে ২৮ জন। তাদের মধ্যে ৫ জন কন্যা ও ২৩ জন নারী। কন্যা, নারীসহ আত্মহত্যা ও আত্মহত্যার প্ররোচনায় প্রাণ হারিয়েছে মোট ২৪ জন। যৌন সহিংসতার বিভিন্ন ঘটনার শিকার হয়েছে ২১ জন। যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার ৭ জনের মধ্যে ৬ জনকে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি অগ্নিদগ্ধের শিকার ৪ জন, অপহরণের শিকার ২১ জন এবং বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছে আরও অনেকে।

দৈনিক টার্গেট 

-dd793f-256x144.webp)
-e737cb-256x144.webp)

























