আজ বুধবার সকালে ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত নির্মিত ৩ দশমিক ৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ দুই লেনের পৃথক সার্ভিস সেতু দুটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।
ধউর সেতুর ওপর আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সেতু দুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
এ সময় সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের ৬৫-৭০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। গত ছয় মাসে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি অগ্রগতি হয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যে আরও বড় একটা অংশের কাজ শেষ হবে। আগামী ১ বছরের মধ্যে মূল প্রকল্পকে প্রায় সমাপ্তির পর্যায়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’
একসময় প্রকল্পটির কাজ স্থবির হয়ে পড়েছিল উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর মধ্যে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও বরাদ্দ নিশ্চিত করায় প্রকল্পের বাস্তবায়ন কার্যক্রম গতিশীল হয়েছে।’
চীনের সহযোগিতার প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে চীনের প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও জাতীয় স্বার্থ ও পারস্পরিক উন্নয়নের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন ও ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। এ ছাড়া সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রকল্প পরিচালক, প্রকৌশলী, ঠিকাদারি ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, আকস্মিক বন্যা, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, দাবদাহ ও খরার মতো দুর্যোগের প্রকোপ ও তীব্রতা বাড়ছে।
আইন, বিচার ও সংসদ মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিচারব্যবস্থার সামনে নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এআইয়ের প্রভাব ও অপব্যবহার থেকে বিচারব্যবস্থাকে সুরক্ষিত রাখতে বিচারকদের এআই সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং নিজস্ব প্রজ্ঞা ও বিচারিক বিচক্ষণতা প্রয়োগ করা প্রয়োজন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে হওয়া ‘মক্কা চুক্তি’কে তারা তেহরানের বিরুদ্ধে কোনো উদ্যোগ হিসেবে দেখছে না। একই সঙ্গে এই চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার আগ্রহ বা সিদ্ধান্ত নিয়েও ইরানের কোনো উদ্বেগ নেই। বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদন থেকে…
দৈনিক টার্গেট 























