১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোংলায় প্রধানমন্ত্রী, করবেন বন্দর আধুনিকায়নে ৪০৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১০:৩৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পঠিত হয়েছে

গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় জানায়, আজ বৃহস্পতিবার মোংলা বন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘মোংলা বন্দরের সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন’ শীর্ষক প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ (এমপিএ) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) সহযোগী প্রতিষ্ঠান চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিসিইসিসি) প্রকল্পটির ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন (ইপিসি) ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।

বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে চীন সরকার এক্সিম ব্যাংক অব চায়নার মাধ্যমে প্রায় ৩৩৫ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহজ শর্তের ঋণ সহায়তা দিচ্ছে।

প্রকল্পের আওতায় ৩৬৮ মিটার সম্মিলিত দৈর্ঘ্যের ১০ ও ১১ নম্বর দুটি আধুনিক কনটেইনার জেটি নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় সহায়ক অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। এসব স্থাপনা চালু হলে বছরে প্রায় ৩ লাখ ৯৪ হাজার টিইইউ (টুয়েন্টি-ফিট ইকুইভ্যালেন্ট ইউনিট) কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে।

এ ছাড়া প্রকল্পের আওতায় ৮৭ হাজার ৬০০ বর্গমিটার আয়তনের লোডেড কনটেইনার ইয়ার্ড, ৩৪ হাজার ১৭০ বর্গমিটার আয়তনের খালি কনটেইনার ইয়ার্ড এবং ৪ হাজার ২৬০ বর্গমিটার আয়তনের বিপজ্জনক পণ্য হ্যান্ডলিং ইয়ার্ড নির্মাণ করা হবে। এসব অবকাঠামো বন্দরের পণ্য সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা ও হ্যান্ডলিং কার্যক্রমকে আরও দক্ষ ও গতিশীল করবে।

গত জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরকালে প্রকল্পের অর্থায়নের বিষয়ে চীনের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা (সিআইডিসিএ) এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) মধ্যে একটি ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ১০ অক্টোবর চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে ২ দশমিক ৪০৪ বিলিয়ন চীনা ইউয়ান, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার ৫৯২ কোটি ৯০ লাখ টাকার ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম; নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং সিআরসিসি ও সিসিইসিসির প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এ দিকে, প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেনের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের চীনা প্রতিনিধিদল আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবে। সাক্ষাৎকালে অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্প বিনিয়োগ, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

সাক্ষাৎকালে ইনভেস্ট বাংলাদেশের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। এ সময় ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও সিআরসিসির মধ্যে বিনিয়োগ সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের কথা রয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বৃহৎ অবকাঠামো ও শিল্প উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ ৫ নভেম্বর মোংলা সফর করবেন। এর আগে গত ২২ অক্টোবরও তিনি এ অঞ্চল সফর করেন। স্বল্প সময়ের ব্যবধানে প্রধানমন্ত্রীর এ সফর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর বিষয়ে সরকারের গুরুত্বের প্রতিফলন।

বাংলাদেশকে অভিবাসন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: স্পিকার

বাংলাদেশকে অভিবাসন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: স্পিকার

বাংলাদেশের অভিবাসী শ্রমিকদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে আমাদের সচেতন হতে হবে। নারী শ্রমিকদের অভিবাসন গন্তব্যে অবর্ণনীয় কষ্টের শিকার হতে হয়। আমাদের প্রচলিত আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে অভিবাসন নীতিমালা বাস্তবায়নের সঙ্গে অভিবাসন গন্তব্য দেশগুলোর সঙ্গে অভিবাসী শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণে আলোচনা করতে হবে…

নতুন বেতনকাঠামোয় অসংগতি দূর করতে কমিটি গঠন

নতুন বেতনকাঠামোয় অসংগতি দূর করতে কমিটি গঠন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রীকে কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। আর কমিটিকে সহায়তাদানকারী কর্মকর্তা হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বা সচিব এবং জনপ্রশাসন ও অর্থ বিভাগের সচিব ছাড়াও

জনপ্রিয় টার্গেট

মোংলায় প্রধানমন্ত্রী, করবেন বন্দর আধুনিকায়নে ৪০৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

প্রকাশ: ১০:৩৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় জানায়, আজ বৃহস্পতিবার মোংলা বন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘মোংলা বন্দরের সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন’ শীর্ষক প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ (এমপিএ) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) সহযোগী প্রতিষ্ঠান চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিসিইসিসি) প্রকল্পটির ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন (ইপিসি) ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।

বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে চীন সরকার এক্সিম ব্যাংক অব চায়নার মাধ্যমে প্রায় ৩৩৫ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহজ শর্তের ঋণ সহায়তা দিচ্ছে।

প্রকল্পের আওতায় ৩৬৮ মিটার সম্মিলিত দৈর্ঘ্যের ১০ ও ১১ নম্বর দুটি আধুনিক কনটেইনার জেটি নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং সরঞ্জাম ও প্রয়োজনীয় সহায়ক অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। এসব স্থাপনা চালু হলে বছরে প্রায় ৩ লাখ ৯৪ হাজার টিইইউ (টুয়েন্টি-ফিট ইকুইভ্যালেন্ট ইউনিট) কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে।

এ ছাড়া প্রকল্পের আওতায় ৮৭ হাজার ৬০০ বর্গমিটার আয়তনের লোডেড কনটেইনার ইয়ার্ড, ৩৪ হাজার ১৭০ বর্গমিটার আয়তনের খালি কনটেইনার ইয়ার্ড এবং ৪ হাজার ২৬০ বর্গমিটার আয়তনের বিপজ্জনক পণ্য হ্যান্ডলিং ইয়ার্ড নির্মাণ করা হবে। এসব অবকাঠামো বন্দরের পণ্য সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা ও হ্যান্ডলিং কার্যক্রমকে আরও দক্ষ ও গতিশীল করবে।

গত জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরকালে প্রকল্পের অর্থায়নের বিষয়ে চীনের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা (সিআইডিসিএ) এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) মধ্যে একটি ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ১০ অক্টোবর চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে ২ দশমিক ৪০৪ বিলিয়ন চীনা ইউয়ান, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার ৫৯২ কোটি ৯০ লাখ টাকার ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম; নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং সিআরসিসি ও সিসিইসিসির প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এ দিকে, প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেনের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের চীনা প্রতিনিধিদল আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবে। সাক্ষাৎকালে অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্প বিনিয়োগ, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

সাক্ষাৎকালে ইনভেস্ট বাংলাদেশের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। এ সময় ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও সিআরসিসির মধ্যে বিনিয়োগ সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের কথা রয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বৃহৎ অবকাঠামো ও শিল্প উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ ৫ নভেম্বর মোংলা সফর করবেন। এর আগে গত ২২ অক্টোবরও তিনি এ অঞ্চল সফর করেন। স্বল্প সময়ের ব্যবধানে প্রধানমন্ত্রীর এ সফর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর বিষয়ে সরকারের গুরুত্বের প্রতিফলন।

বাংলাদেশকে অভিবাসন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: স্পিকার

বাংলাদেশকে অভিবাসন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: স্পিকার

বাংলাদেশের অভিবাসী শ্রমিকদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে আমাদের সচেতন হতে হবে। নারী শ্রমিকদের অভিবাসন গন্তব্যে অবর্ণনীয় কষ্টের শিকার হতে হয়। আমাদের প্রচলিত আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে অভিবাসন নীতিমালা বাস্তবায়নের সঙ্গে অভিবাসন গন্তব্য দেশগুলোর সঙ্গে অভিবাসী শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণে আলোচনা করতে হবে…

নতুন বেতনকাঠামোয় অসংগতি দূর করতে কমিটি গঠন

নতুন বেতনকাঠামোয় অসংগতি দূর করতে কমিটি গঠন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রীকে কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। আর কমিটিকে সহায়তাদানকারী কর্মকর্তা হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বা সচিব এবং জনপ্রশাসন ও অর্থ বিভাগের সচিব ছাড়াও