হাম-ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জাতীয় পরিকল্পনা ও চিকিৎসাব্যবস্থা নিশ্চিতের দাবি জামায়াতের

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:৩৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০ বার পঠিত হয়েছে

গোলাম পরওয়ার বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় মঙ্গলবার সকাল থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১৫৭ জন এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগী ১১৩ জন শনাক্ত হয়েছে।

হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৪৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৮৫১।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। সরকারের হিসাবে, এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে ২০১ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরে মারা গেছে ১০৪ জন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও সরকারের সময়োপযোগী ও কার্যকর ভূমিকার অভাবে পরিস্থিতি মহামারি আকার ধারণ করেছে। আক্রান্ত শিশুদের পরিবার ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সরকার আক্রান্তের হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা এবং আক্রান্তদের সুষ্ঠু ও উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। হাম নিয়ে সরকারের দায়সারা ভূমিকায় দেশবাসীর সঙ্গে তাঁরাও গভীরভাবে উদ্বিগ্ন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

হামের পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সী মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে বলে দাবি করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান করলেও মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান পদক্ষেপ বা কার্যক্রম শুরু হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।

সরকার ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দায়সারা ও লোকদেখানো পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়। লুটপাট ও নগ্ন দলীয়করণের কারণে মশকনিধন কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে এবং লার্ভা ধ্বংসে ব্যর্থ হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সরকারের উদাসীনতা ও অব্যবস্থাপনায় দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভগ্নদশায় পড়েছে বলে অভিযোগ করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে নাগরিকদের জীবন রক্ষায় অবিলম্বে হাম ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

হাম ও ডেঙ্গুতে মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতীয় পার্টির (একাংশ) মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, সরকারকে যেকোনো মূল্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে হবে। একই সঙ্গে হাম নিয়ন্ত্রণেও দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ক্ষেত্রে ব্যর্থতার কোনো অবকাশ নেই।

পলাতক ফ্যাসিস্ট ভারতে গিয়ে সেইখান থেকে কলকাঠি নেড়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাচ্ছে। আর দেশের ভেতরে থাকা গুপ্ত ও সুপ্তরা তালের পাখা দিয়ে বাতাস করছে…

দেশের মানুষ যখন নানা সংকটের মধ্যে রয়েছে, তখন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্যদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে তার বিরোধিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

জনপ্রিয় টার্গেট

হাম-ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জাতীয় পরিকল্পনা ও চিকিৎসাব্যবস্থা নিশ্চিতের দাবি জামায়াতের

প্রকাশ: ১২:৩৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গোলাম পরওয়ার বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় মঙ্গলবার সকাল থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১৫৭ জন এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগী ১১৩ জন শনাক্ত হয়েছে।

হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৪৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৮৫১।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। সরকারের হিসাবে, এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে ২০১ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরে মারা গেছে ১০৪ জন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও সরকারের সময়োপযোগী ও কার্যকর ভূমিকার অভাবে পরিস্থিতি মহামারি আকার ধারণ করেছে। আক্রান্ত শিশুদের পরিবার ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সরকার আক্রান্তের হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা এবং আক্রান্তদের সুষ্ঠু ও উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। হাম নিয়ে সরকারের দায়সারা ভূমিকায় দেশবাসীর সঙ্গে তাঁরাও গভীরভাবে উদ্বিগ্ন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

হামের পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সী মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে বলে দাবি করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান করলেও মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান পদক্ষেপ বা কার্যক্রম শুরু হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।

সরকার ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দায়সারা ও লোকদেখানো পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়। লুটপাট ও নগ্ন দলীয়করণের কারণে মশকনিধন কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে এবং লার্ভা ধ্বংসে ব্যর্থ হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সরকারের উদাসীনতা ও অব্যবস্থাপনায় দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভগ্নদশায় পড়েছে বলে অভিযোগ করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে নাগরিকদের জীবন রক্ষায় অবিলম্বে হাম ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

হাম ও ডেঙ্গুতে মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতীয় পার্টির (একাংশ) মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, সরকারকে যেকোনো মূল্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে হবে। একই সঙ্গে হাম নিয়ন্ত্রণেও দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ক্ষেত্রে ব্যর্থতার কোনো অবকাশ নেই।

পলাতক ফ্যাসিস্ট ভারতে গিয়ে সেইখান থেকে কলকাঠি নেড়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাচ্ছে। আর দেশের ভেতরে থাকা গুপ্ত ও সুপ্তরা তালের পাখা দিয়ে বাতাস করছে…

দেশের মানুষ যখন নানা সংকটের মধ্যে রয়েছে, তখন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্যদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে তার বিরোধিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।