জাতীয় কবিকে স্মরণে ফখরুলের শ্রদ্ধা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৫:১৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
  • ৬২ বার পঠিত হয়েছে

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এক বাণীতে তিনি বলেন, নজরুল ছিলেন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য প্রতিভা, যিনি অন্যায়-অবিচার, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সারাজীবন সোচ্চার ছিলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, পারিবারিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা থাকলেও কাজী নজরুল ইসলাম সাহিত্য ও সৃষ্টিশীল কর্মকাণ্ড থেকে কখনও সরে যাননি। কবি, সাহিত্যিক, সুরকার, সাংবাদিক, সম্পাদক ও সৈনিক—প্রতিটি পরিচয়ে তিনি মানুষের অধিকার এবং স্বাধীনতার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। তার রচনা মানুষের মনে জাগরণ সৃষ্টি করে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সাহস জোগায়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে নজরুল তার কলমকে শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। মানুষের মুক্তি, সাম্য ও মানবতার বার্তা তার কবিতা ও গানে বারবার উঠে এসেছে। শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের পক্ষে তার কণ্ঠ ছিল সবসময় উচ্চকিত।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় রণসঙ্গীত ‘চল্ চল্ চল্’ রচনার মাধ্যমে নজরুল জাতির গৌরবের অংশ হয়ে আছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, কবির লেখনী ভবিষ্যতেও নিপীড়িত মানুষের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে এবং সমাজ থেকে বৈষম্য দূর করতে মানুষকে সাহস জোগাবে।

বাণীর শেষাংশে মির্জা ফখরুল জাতীয় কবির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার অবদানকে চিরস্মরণীয় বলে উল্লেখ করেন।

জাতীয় কবিকে স্মরণে ফখরুলের শ্রদ্ধা

প্রকাশ: ০৫:১৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এক বাণীতে তিনি বলেন, নজরুল ছিলেন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য প্রতিভা, যিনি অন্যায়-অবিচার, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সারাজীবন সোচ্চার ছিলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, পারিবারিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা থাকলেও কাজী নজরুল ইসলাম সাহিত্য ও সৃষ্টিশীল কর্মকাণ্ড থেকে কখনও সরে যাননি। কবি, সাহিত্যিক, সুরকার, সাংবাদিক, সম্পাদক ও সৈনিক—প্রতিটি পরিচয়ে তিনি মানুষের অধিকার এবং স্বাধীনতার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। তার রচনা মানুষের মনে জাগরণ সৃষ্টি করে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সাহস জোগায়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে নজরুল তার কলমকে শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। মানুষের মুক্তি, সাম্য ও মানবতার বার্তা তার কবিতা ও গানে বারবার উঠে এসেছে। শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের পক্ষে তার কণ্ঠ ছিল সবসময় উচ্চকিত।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় রণসঙ্গীত ‘চল্ চল্ চল্’ রচনার মাধ্যমে নজরুল জাতির গৌরবের অংশ হয়ে আছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, কবির লেখনী ভবিষ্যতেও নিপীড়িত মানুষের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে এবং সমাজ থেকে বৈষম্য দূর করতে মানুষকে সাহস জোগাবে।

বাণীর শেষাংশে মির্জা ফখরুল জাতীয় কবির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার অবদানকে চিরস্মরণীয় বলে উল্লেখ করেন।