তোফায়েল আহমেদ আর নেই

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
  • ২৩১ বার পঠিত হয়েছে

দেশের রাজনীতির এক পরিচিত মুখ, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ আর নেই। সোমবার বিকেলে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা অবস্থায় তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তোফায়েল আহমেদের নাম বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে উচ্চারিত হয়। ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা তাঁকে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি এনে দেয়। পরবর্তী সময়ে স্বাধীনতা সংগ্রাম, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং দেশের রাজনৈতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিকবার জাতীয় সংসদে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হন। পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করে প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও নিজের দক্ষতার পরিচয় দেন। বিশেষ করে শিল্প খাতের উন্নয়ন ও নীতিনির্ধারণী কর্মকাণ্ডে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে বিবেচিত হয়।

রাজনীতিতে অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দীর্ঘ সংগ্রামী পথচলার কারণে দলীয় ও জাতীয় পর্যায়ে তিনি ছিলেন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। তাঁর মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তোফায়েল আহমেদের প্রস্থান দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে দেখছেন অনেকেই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণআন্দোলনের স্মৃতি এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন বলে মনে করছেন তাঁর সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

তোফায়েল আহমেদ আর নেই

প্রকাশ: ০৪:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

দেশের রাজনীতির এক পরিচিত মুখ, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ আর নেই। সোমবার বিকেলে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা অবস্থায় তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তোফায়েল আহমেদের নাম বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে উচ্চারিত হয়। ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা তাঁকে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি এনে দেয়। পরবর্তী সময়ে স্বাধীনতা সংগ্রাম, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং দেশের রাজনৈতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিকবার জাতীয় সংসদে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হন। পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করে প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও নিজের দক্ষতার পরিচয় দেন। বিশেষ করে শিল্প খাতের উন্নয়ন ও নীতিনির্ধারণী কর্মকাণ্ডে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে বিবেচিত হয়।

রাজনীতিতে অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দীর্ঘ সংগ্রামী পথচলার কারণে দলীয় ও জাতীয় পর্যায়ে তিনি ছিলেন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। তাঁর মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তোফায়েল আহমেদের প্রস্থান দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে দেখছেন অনেকেই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণআন্দোলনের স্মৃতি এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন বলে মনে করছেন তাঁর সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।