সচিবালয় বিলুপ্তি জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা: শিশির

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০২:১৯:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • ৬২ বার পঠিত হয়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে তা আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তকে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। দলটির নেতারা বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ দেশের বিচারব্যবস্থাকে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের দিকে ঠেলে দিতে পারে এবং এতে জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার আস্থা দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির।

তিনি বলেন, স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা বহু রাজনৈতিক দলের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। বিশেষ করে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক শক্তিগুলো বিচার বিভাগের স্বতন্ত্র কাঠামো নিশ্চিত করার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত সেই প্রত্যাশার বিপরীত বার্তা দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শিশির মনিরের ভাষ্য অনুযায়ী, বিচার বিভাগের প্রশাসনিক কার্যক্রম সরাসরি আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যুক্ত হলে বিচারকদের স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনে চাপ তৈরি হতে পারে। তিনি দাবি করেন, বিচার বিভাগকে আরও কার্যকর ও নিরপেক্ষ করার পরিবর্তে এটিকে নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদও একই ধরনের আশঙ্কার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অতীতের সরকারগুলো বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করার যেসব নজির তৈরি করেছিল, বর্তমান সিদ্ধান্তে তার পুনরাবৃত্তির ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিচার বিভাগের মর্যাদা ও স্বচ্ছতা রক্ষায় বিতর্কিত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।

দলটির নেতারা আরও বলেন, বিচার বিভাগের ওপর জনগণের আস্থা ধরে রাখতে হলে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় ন্যায়বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

সচিবালয় বিলুপ্তি জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা: শিশির

প্রকাশ: ০২:১৯:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে তা আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তকে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। দলটির নেতারা বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ দেশের বিচারব্যবস্থাকে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের দিকে ঠেলে দিতে পারে এবং এতে জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার আস্থা দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির।

তিনি বলেন, স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা বহু রাজনৈতিক দলের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। বিশেষ করে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক শক্তিগুলো বিচার বিভাগের স্বতন্ত্র কাঠামো নিশ্চিত করার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত সেই প্রত্যাশার বিপরীত বার্তা দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শিশির মনিরের ভাষ্য অনুযায়ী, বিচার বিভাগের প্রশাসনিক কার্যক্রম সরাসরি আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যুক্ত হলে বিচারকদের স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনে চাপ তৈরি হতে পারে। তিনি দাবি করেন, বিচার বিভাগকে আরও কার্যকর ও নিরপেক্ষ করার পরিবর্তে এটিকে নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদও একই ধরনের আশঙ্কার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অতীতের সরকারগুলো বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করার যেসব নজির তৈরি করেছিল, বর্তমান সিদ্ধান্তে তার পুনরাবৃত্তির ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিচার বিভাগের মর্যাদা ও স্বচ্ছতা রক্ষায় বিতর্কিত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।

দলটির নেতারা আরও বলেন, বিচার বিভাগের ওপর জনগণের আস্থা ধরে রাখতে হলে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় ন্যায়বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।