ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ককে দেখা গেলেন উপস্থিত হননি ভারতের দলপতি হারমানপ্রীত কৌর। পরে বিষয়টি পরিষ্কার করেন ভারতের কোচ আমোল মুজুমদার। তিনি বলেন, ‘সিদ্ধান্তটি বিসিসিআই নিয়েছে। আমরা এর পাশে আছি। আমাদের জন্য এই টুর্নামেন্ট শেষ। আমরা চ্যাম্পিয়ন। সেটিই যথেষ্ট।’
বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়াও জানান, নাকভির কাছ থেকে ট্রফি না নেওয়ার সিদ্ধান্তটি আগেই নেওয়া হয়েছিল। বিকল্প হিসেবে এসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান খালিদ আল জারুনির মাধ্যমে ট্রফি দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি। তবে সেই প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত ট্রফি ছাড়াই এশিয়া কাপের শিরোপা উদ্যাপন করে ভারত।
নকভিকে ঘিরে বিতর্ক অবশ্য এখানেই শেষ হয়নি। পুরস্কার বিতরণ শেষে স্টেডিয়াম ছাড়ার সময় দর্শকদের একটি অংশ তাঁকে লক্ষ্য করে ‘ট্রফি চোর, ট্রফি চোর’ স্লোগান দিতে থাকে। এমন কিছু ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন করে আলোচনায় আসে এশিয়া কাপের ট্রফি বিতর্ক।
গত বছরও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। ২০২৫ সালের পুরুষ এশিয়া কাপ জয়ের পর ভারতীয় দল নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি জানায়। সেই ট্রফি এখনো এসিসির কার্যালয়ে রাখা আছে। এবার নারী দলও একই অবস্থান নেওয়ায় টানা দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান বিতর্কে জড়াল।
নকভি একই সঙ্গে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও। ২০২৫ সালের পাহাড়গাম হামলার পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের অবনতি এবং পরবর্তী সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কও নানা বিতর্কে জড়িয়েছে। এবারের এশিয়া কাপের ফাইনালেও সেই উত্তেজনার ছাপ পড়ল ট্রফি বিতরণী অনুষ্ঠানে।
শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে রেকর্ড অষ্টমবারের মতো নারী এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছে ভারত। তবে শিরোপা জয়ের পরও পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে দেখা গেল না হারমানপ্রীত কৌরের দলকে। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাপতি ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নেয়নি তারা।
শিরোপা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল আগেভাগেই। দুবাইয়ে ভারতীয় ক্রিকেটার, ভক্ত-সমর্থকদের সবাই তখন অপেক্ষা করছিলেন, ম্যাচটা কখন শেষ হবে। দীপ্তি শর্মা ইনিংসের শেষ বলে লঙ্কান ব্যাটার কৌশিনি নুথিয়াঙ্গাকে বোল্ড করে সারলেন আনুষ্ঠানিকতা। ভারত অষ্টমবারের মতো জিতল নারী এশিয়া কাপ।
ইমাম-উল-হকের বিরুদ্ধে অভিযোগের যেন শেষ নেই। মিথ্যা চোটের নাটক, ড্রেসিংরুমের তথ্য ফাঁস, শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। এমন ঘটনায় পাকিস্তানি বাঁহাতি ব্যাটার কঠিন শাস্তি পেতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
দৈনিক টার্গেট 























