সেই কথা রাখলেন ২৯ বছর বয়সী আলেক্সান্দার জভেরেভ। আমেরিকানদের স্বপ্ন সওয়ার হয়ে ফাইনালে ওঠা বেন শেলটনকে ৬-৩, ৭-৬ (৭-২), ৫-৭, ৬-২ গেমে হারিয়ে ইউএস ওপেনের নতুন রাজা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন। ১৩ বছরের ক্যারিয়ারে এটি তাঁর দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্লাম। প্রথম শিরোপাটি জিতেছিলেন এ বছরই ক্লে কোর্টের ফ্রেঞ্চ ওপেনে। ক্লে ও হার্ড কোর্টের এই দুই শিরোপার মাঝে ফাইনাল খেলেছেন ঘাসের কোর্টের গ্র্যান্ড স্লাম উইম্বলডনেও। অর্থাৎ টানা তিনটি গ্র্যান্ড স্লামের ফাইনাল, দুটি শিরোপা—ভাবা যায়! ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উজ্জ্বলতম সময় কাটাচ্ছেন জভেরেভ।
এই সাফল্যকে তাঁর বিলম্বিত পরিস্ফুটন হিসেবেও দেখা হচ্ছে। ২০১৬ সালে হালে ওপেনের সেমিফাইনালে রজার ফেদেরারকে হারিয়ে সবার নজর কেড়েছিলেন জভেরেভ। এরপর ২০১৮ সালে এটিপি ফাইনালসের ফাইনালে যখন নোভাক জোকোভিচকে হারিয়ে জিতলেন শিরোপা। কোর্টে তাঁর কৈশোরীয় চাঞ্চল্য দেখে জার্মান টেনিস গ্রেট তাঁকে ‘ভবিষ্যতের তারকা’ হিসেবে ঘোষণা দিলেন। কিন্তু কোথায় কি? পরের সাত বছরে একটি গ্র্যান্ড স্লামও জিততে পারেননি। এরপর তো টেনিসের ‘না ফোটা কলি’ অপবাদই শুনতে শুরু করেছিলেন তিনি। সেসব দিন পেছনে ফেলে সময় এখন নিজের করে নিয়েছেন জভেরেভ।
পরশুর ফাইনালে জভেরেভের প্রতিপক্ষ শুধু শেলটনই ছিলেন না, ছিলেন গ্যালারির প্রায় চব্বিশ হাজার দর্শকও। একে তো ঘরের ছেলে। তার ওপর দীর্ঘদিন কোনো স্বাগতিক প্রতিযোগী ইউএস ওপেন জেতেন না। শুধু ইউএস ওপেনই বা বলছি কেন, ২০০৩ সালে আমেরিকান অ্যান্ডি রডিকের ইউএস ওপেন জয়ের পর আর কোনো আমেরিকান পুরুষ প্রতিযোগী গ্র্যান্ড স্লামেই সাফল্য পায়নি। বেন শেলটনের কাঁধে ভর করে এই সাফল্য-বন্ধ্যত্ব ঘোচানার আশা করেছিলেন স্থানীয় দর্শকেরা। কিন্তু আমেরিকানদের আশাহত করলেন জভেরেভ।
এরপরই তাঁর মুখাবয়বে খুশির ঝিলিক। দুই হাত ওপরে তুলে উদ্যাপন। ফ্রেঞ্চ ওপেন জয়ের মাত্র তিন মাসের মধ্যে ইউএস ওপেনও জিতে নিলেন জভেরেভ।
১৯৮৯ বরিস বেকারের পর প্রথম জামার্ন পুরুষ প্রতিযোগী হিসেবে ফ্ল্যাশিং মিডোয় শিরোপা জিতলেন জভেরেভ। তাতে জার্মানদের ৩৭ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘুচলেও আমেরিকানদের ২৩ বছরের অপেক্ষা আরও বাড়ল।
দিল্লিতে গত পরশু প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে ভারত। একই মাঠে আজ শ্রেয়াস আইয়ারের নেতৃত্বাধীন ভারত সিরিজ নিশ্চিত করতে খেলতে নামবে। এই সময়ই ধাক্কা খেল ভারত।
২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে টেস্ট খেলতে গিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস গড়ার প্রায় এক মাস হতে চলল। সেই সিরিজে ডারউইনে ৯ উইকেটে জয়ের পর নাজমুল হোসেন শান্ত-হাসান মাহমুদ-মেহেদী হাসান মিরাজদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, রিকি পন্টিংয়ের মতো সাবেকরা। বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমে প্যাট কামিন্স-মারনা
নিউজার্সিতে গত জুলাইয়ে শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে হারের পর অঝোরে কেঁদেছিলেন নেইমার। তখনই একরকম ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, আন্তর্জাতিক ফুটবলে এখানেই তাঁর শেষ। আড়াই মাস পর কোচ কার্লো আনচেলত্তির কণ্ঠেও একই সুর।
দৈনিক টার্গেট 























