০৫:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘জেদ ছিল গোল দিয়ে প্রমাণ করার’

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:২১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • ১২ বার পঠিত হয়েছে

প্রশ্ন: চার বছর পর জাতীয় দলের হয়ে গোল পেলেন এবং আপনার গোলেই বাংলাদেশ ভুটানকে হারাল। এই অনুভূতিটা কেমন?

প্রশ্ন: জাতীয় দলে আসা যাওয়ার মধ্যে থাকা এবং সেই কঠিন সময়টার মানসিক লড়াই কেমন ছিল?

প্রশ্ন: প্রথমার্ধে বাংলাদেশ গোল পাচ্ছিল না। বদলি হিসেবে নামার পর কোচ কী নির্দেশনা দিয়েছিলেন এবং গোলের মুহূর্তটি কীভাবে তৈরি হলো? ইব্রাহিম: প্রথমার্ধে ডাগআউটে থাকার সময়ও আমার মনে হয়েছিল সুযোগ পেলে সেটা কাজে লাগাতে হবে। তা ছাড়া সতীর্থদের ওপরও ভরসা ছিল, কারণ একা তো আর গোল করা সম্ভব নয়।

কোচ আমাকে নামানোর সময় নাম্বার টেন (১০) পজিশনে খেলতে বলেন। আমি নামার পর শমিতকে স্ট্রাইকার বানিয়ে আমি ১০ নম্বর পজিশনে যাই। কোচ শুধু বলেছিলেন সামনে খেলতে আর ডি-বক্সের আশপাশে বল পেলেই শট নিতে। শমিতের হেডার থেকে বক্সে বলটা পাওয়ার পর আমার আত্মবিশ্বাস ছিল যে শট নিলে গোল হবে। কোচ যেভাবে বলেছিলেন, আমি ঠিক সেটাই মাঠে করার চেষ্টা করেছি।

প্রশ্ন: ফর্টিস এফসিকে এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের মূল পর্বে তোলা এবং জাতীয় দলে গোল—সব মিলিয়ে এটি কি আপনার জন্য একটি নতুন শুরু?

মোহাম্মদ ইব্রাহিম: হ্যাঁ, অবশ্যই এটা এক নতুন শুরুর মতো। কারণ অনেক দিন ধরেই আমি এই সুযোগটার অপেক্ষায় ছিলাম। ফর্টিস এফসিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই আমার লক্ষ্য ছিল কঠোর পরিশ্রম করে সাফের স্কোয়াডে থাকা এবং সুযোগ পেলে গোল করা। আমার ক্লাব ফুটবলের পারফরম্যান্স দেখে কোচ আমাকে সুযোগ দিয়েছেন। আমাদের মূল লক্ষ্য এখন সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়া। আল্লাহর রহমতে আমরা সেই টার্গেট নিয়েই সামনে এগোচ্ছি।

প্রশ্ন: প্রথম ম্যাচে জয় দিয়ে সাফের সূচনা হলো। দলগতভাবে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কেমন দেখছেন?

ক্যারিয়ারের শেষটা মনে রাখার মতো করতে চাই

সাক্ষাৎকার /ক্যারিয়ারের শেষটা মনে রাখার মতো করতে চাই

ঘরের মাঠে সাফ জিতে ২৩ বছরের শিরোপাখরা ঘোচাতে চান জামাল ভূঁইয়া। গতকাল বিকেলে গোপীবাগের ব্রাদার্স ক্লাবের আঙিনায় বাংলাদেশ অধিনায়ক তুলে ধরেছেন তাঁর ব্যক্তিগত, দলীয় স্বপ্ন-লক্ষ্যসহ কিছু প্রাসঙ্গিক বিষয়। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রানা আব্বাস।

‘ভালো না খেললে দলে জায়গা থাকবে না’

‘ভালো না খেললে দলে জায়গা থাকবে না’

কদিন পর ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। সাফের আগে এই মুহূর্তে দলকে নিয়ে টমাস ডুলি করছেন নানা পরিকল্পনা। গত মঙ্গলবার বিকেলে গুলশানের এক রেস্তোরাঁয় বসে সেসব পরিকল্পনা, তাঁর খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স, কদিন আগে সমাপ্ত আসিয়ান কাপের ব্যর্থতা নিয়ে সবিস্তার বললেন বাংলাদেশ কোচ।

‘বাংলাদেশ সমর্থকদের দেশ, ফুটবলার তৈরির নয়’

‘বাংলাদেশ সমর্থকদের দেশ, ফুটবলার তৈরির নয়’

বাংলাদেশ সত্যিই একটি ফুটবলপ্রেমী দেশ। এখানে ফুটবলের সমর্থকগোষ্ঠী বিশাল। বিষয়টি সত্যিই অসাধারণ। তবে অন্য অনেক দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের একটা বড় পার্থক্য আছে। বাংলাদেশ মূলত ফুটবল-সমর্থকদের দেশ, ফুটবলার তৈরির নয়। এই দুইয়ের মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

‘জেদ ছিল গোল দিয়ে প্রমাণ করার’

প্রকাশ: ০৪:২১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

প্রশ্ন: চার বছর পর জাতীয় দলের হয়ে গোল পেলেন এবং আপনার গোলেই বাংলাদেশ ভুটানকে হারাল। এই অনুভূতিটা কেমন?

প্রশ্ন: জাতীয় দলে আসা যাওয়ার মধ্যে থাকা এবং সেই কঠিন সময়টার মানসিক লড়াই কেমন ছিল?

প্রশ্ন: প্রথমার্ধে বাংলাদেশ গোল পাচ্ছিল না। বদলি হিসেবে নামার পর কোচ কী নির্দেশনা দিয়েছিলেন এবং গোলের মুহূর্তটি কীভাবে তৈরি হলো? ইব্রাহিম: প্রথমার্ধে ডাগআউটে থাকার সময়ও আমার মনে হয়েছিল সুযোগ পেলে সেটা কাজে লাগাতে হবে। তা ছাড়া সতীর্থদের ওপরও ভরসা ছিল, কারণ একা তো আর গোল করা সম্ভব নয়।

কোচ আমাকে নামানোর সময় নাম্বার টেন (১০) পজিশনে খেলতে বলেন। আমি নামার পর শমিতকে স্ট্রাইকার বানিয়ে আমি ১০ নম্বর পজিশনে যাই। কোচ শুধু বলেছিলেন সামনে খেলতে আর ডি-বক্সের আশপাশে বল পেলেই শট নিতে। শমিতের হেডার থেকে বক্সে বলটা পাওয়ার পর আমার আত্মবিশ্বাস ছিল যে শট নিলে গোল হবে। কোচ যেভাবে বলেছিলেন, আমি ঠিক সেটাই মাঠে করার চেষ্টা করেছি।

প্রশ্ন: ফর্টিস এফসিকে এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের মূল পর্বে তোলা এবং জাতীয় দলে গোল—সব মিলিয়ে এটি কি আপনার জন্য একটি নতুন শুরু?

মোহাম্মদ ইব্রাহিম: হ্যাঁ, অবশ্যই এটা এক নতুন শুরুর মতো। কারণ অনেক দিন ধরেই আমি এই সুযোগটার অপেক্ষায় ছিলাম। ফর্টিস এফসিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই আমার লক্ষ্য ছিল কঠোর পরিশ্রম করে সাফের স্কোয়াডে থাকা এবং সুযোগ পেলে গোল করা। আমার ক্লাব ফুটবলের পারফরম্যান্স দেখে কোচ আমাকে সুযোগ দিয়েছেন। আমাদের মূল লক্ষ্য এখন সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়া। আল্লাহর রহমতে আমরা সেই টার্গেট নিয়েই সামনে এগোচ্ছি।

প্রশ্ন: প্রথম ম্যাচে জয় দিয়ে সাফের সূচনা হলো। দলগতভাবে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কেমন দেখছেন?

ক্যারিয়ারের শেষটা মনে রাখার মতো করতে চাই

সাক্ষাৎকার /ক্যারিয়ারের শেষটা মনে রাখার মতো করতে চাই

ঘরের মাঠে সাফ জিতে ২৩ বছরের শিরোপাখরা ঘোচাতে চান জামাল ভূঁইয়া। গতকাল বিকেলে গোপীবাগের ব্রাদার্স ক্লাবের আঙিনায় বাংলাদেশ অধিনায়ক তুলে ধরেছেন তাঁর ব্যক্তিগত, দলীয় স্বপ্ন-লক্ষ্যসহ কিছু প্রাসঙ্গিক বিষয়। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রানা আব্বাস।

‘ভালো না খেললে দলে জায়গা থাকবে না’

‘ভালো না খেললে দলে জায়গা থাকবে না’

কদিন পর ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। সাফের আগে এই মুহূর্তে দলকে নিয়ে টমাস ডুলি করছেন নানা পরিকল্পনা। গত মঙ্গলবার বিকেলে গুলশানের এক রেস্তোরাঁয় বসে সেসব পরিকল্পনা, তাঁর খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স, কদিন আগে সমাপ্ত আসিয়ান কাপের ব্যর্থতা নিয়ে সবিস্তার বললেন বাংলাদেশ কোচ।

‘বাংলাদেশ সমর্থকদের দেশ, ফুটবলার তৈরির নয়’

‘বাংলাদেশ সমর্থকদের দেশ, ফুটবলার তৈরির নয়’

বাংলাদেশ সত্যিই একটি ফুটবলপ্রেমী দেশ। এখানে ফুটবলের সমর্থকগোষ্ঠী বিশাল। বিষয়টি সত্যিই অসাধারণ। তবে অন্য অনেক দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের একটা বড় পার্থক্য আছে। বাংলাদেশ মূলত ফুটবল-সমর্থকদের দেশ, ফুটবলার তৈরির নয়। এই দুইয়ের মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে।