ডাম্বুলায় সবশেষ ২০২৪ নারী এশিয়া কাপে ভারতকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল শ্রীলঙ্কা। দুবাইয়ে আজ লঙ্কানদের ৭২ রানে হারিয়ে ভারত নিয়েছে প্রতিশোধ। হারমানপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন ভারতের এই জয়ে নারী এশিয়া কাপে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্যরই প্রমাণ দেখা গেল মরুর বুকে।
শিরোপা জিততে ১৯৫ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪ রানেই ভেঙে যায় শ্রীলঙ্কার উদ্বোধনী জুটি। ইনিংসের চতুর্থ বলে ওপেনার আইমেশা দুলানিকে (৪) বোল্ড করেন ভারতীয় পেসার ক্রান্তি গৌড়। চাপে পড়া শ্রীলঙ্কার হাল ধরেন অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু ও ভিস্মি গুনারত্নে। তবে আতাপাত্তু-গুনারত্নে জুটি গড়তে গিয়ে তাঁরা অনেক বেশি বল খেলেন। ৫৩ বলে গড়েন ৫৮ রানের জুটি। দশম ওভারের তৃতীয় বলে আতাপাত্তুকে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলে জুটি ভাঙেন দীপ্তি। আতাপাত্তু ৩২ বলে ৪ চার এবং ২ ছক্কায় করেন ৩৬ রান।
শ্রীলঙ্কার ইনিংসে আতাপাত্তু-গুনারত্নের ৫৮ রানের জুটিটাই সর্বোচ্চ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা শ্রীলঙ্কা ২০ ওভার খেলে ১১১ রানে অলআউট হয়ে যায়। শেষের দিকে ভারত ক্যাচ মিস, মিস ফিল্ডিং করলেও সেটা তেমন পার্থক্য গড়ে দিতে পারেনি। যেখানে ১১ রানে লঙ্কানরা হারিয়েছে শেষ ৬ উইকেট। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩ রানের জুটি হয়েছে শ্রীলঙ্কার ইনিংসে। চতুর্থ উইকেটে ২৩ বলে ২৩ রানের জুটি গড়েন নিলাক্ষ্মী ডি সিলভা এবং হারশিতা সামারাবিক্রমা।
অধিনায়ক আতাপাত্তুর ৩৬ রানই শ্রীলঙ্কার ইনিংসে সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২ রান করেন নিলাক্ষ্মী ডি সিলভা। ভারতের বাঁহাতি স্পিনার শ্রী চরণী নিয়েছেন ৪ ওভারে ২৪ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। দীপ্তি পেয়েছেন ৩ উইকেট।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাটিং পেয়ে ভারত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে করে ১৮২ রান। উদ্বোধনী জুটিতেই শেফালি ভার্মা-স্মৃতি মান্ধানা ৭৭ বলে ১২৯ রান যোগ করেন। ৩৯ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় শেফালির ৬৮ রানই ভারতের ইনিংসে সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৯ রান করেছেন স্মৃতি। শ্রীলঙ্কার আতাপাত্তু, চামুদি প্রবোদা, মিতালি অযোধ্যা নিয়েছেন একটি করে উইকেট।রান তাড়া করতে নেমে ভারতের উদ্বোধনী জুটির রানই তুলতে পারেনি শ্রীলঙ্কা।
রাকিবুল হাসান চার মারতেই উদযাপন শুরু বাংলাদেশের। পচেফস্ট্রুমের সেনওয়েস পার্কে রাকিবুলের বাঁধভাঙা উদযাপনে যোগ দেন শরীফুল ইসলাম, তাওহীদ হৃদয়, তানজিদ হাসান তামিমরা। সুদূর পচেফস্ট্রুম থেকে সেই রেশ ছড়িয়ে পড়ে পুরো বাংলাদেশে। ছয় বছর আগের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালের কথা বলা হচ্ছে, সেটা অনেকেই বুঝতে পেরেছে
বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। ইংল্যান্ডের কাছে টেস্ট সিরিজে ভরাডুবি হয়েছে পাকিস্তানের। ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই হওয়ার পর সেটার প্রভাব পড়েছে র্যাঙ্কিংয়েও। এখন নিচের সারিতে অবস্থান করছে এশিয়ার এই দল।
কোচিং জগতে একেবারে নতুন নন খালেদ মাহমুদ সুজন। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) দীর্ঘ সময় আবাহনীর প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগেও (বিপিএল) বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির কোচ ছিলেন তিনি। এবার তিনি বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন।
দৈনিক টার্গেট 

























