৩১ আগস্ট জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত জানান মেসি। আবেগঘন এক চিঠিতে তিনি বলেন, ‘এটি এমন একটি সিদ্ধান্ত, যা আমাকে কষ্ট দিয়েছে এবং এখনো গভীরভাবে কষ্ট দেয়। কিন্তু আমি বুঝতে পারছি, এটাই সঠিক সময়।’ এর মধ্য দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে ২১ বছরের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক অধ্যায়েরও ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
মেসির অবসরের প্রভাব পড়েছে আর্জেন্টিনার আসন্ন ফিফা আন্তর্জাতিক বিরতির পরিকল্পনাতেও। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে আন্তর্জাতিক উইন্ডো। এই সময়ে সর্বোচ্চ চারটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে পারবে আর্জেন্টিনা। এর আগে চীন সফরের কথা বিবেচনা করছিল এএফএ, তবে মেসির অবসরের পর সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে।
বর্তমানে বিকল্প সূচি নিয়ে কাজ করছে এএফএ। ধারণা করা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক বিরতিতে অন্তত একটি ম্যাচ আর্জেন্টিনার মাটিতে আয়োজন করা হবে। সেই ম্যাচকে মেসির বিদায়ী ম্যাচ হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তবে এ ক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৬ বিশ্বকাপে বিভিন্ন ঘটনার কারণে ফিফার শাস্তির আওতায় রয়েছে আর্জেন্টিনা। পরবর্তী দুটি হোম ম্যাচে সীমিত দর্শক উপস্থিতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রথম ম্যাচটি স্টেডিয়ামের ৫০ শতাংশ দর্শক নিয়ে আয়োজন করতে হবে, আর দ্বিতীয় ম্যাচটি স্থগিত রয়েছে।
টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আর্জেন্টিনার সমর্থকদের সামনে মেসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানোর একটি পরিকল্পনা রয়েছে এএফএর। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। শেষ পর্যন্ত মেসি কী চান, সেটিই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
একটি বিষয় অবশ্য নিশ্চিত—মেসির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনা দলকে নতুন এক যুগে প্রবেশ করতে হবে। তার আগে দেশের মাটিতে কিংবদন্তি অধিনায়ককে সম্মানের সঙ্গে বিদায় জানানোর সুযোগ তৈরি করতে চাইছে এএফএ।
লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর মধ্য দিয়ে নতুন এক অধ্যায় শুরু হলো আর্জেন্টিনার। তাঁর বিদায় শুধু একজন খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতি নয়; এটি আলবিসেলেস্তদের দীর্ঘদিনের খেলার কাঠামো ও নেতৃত্বের একটি বড় পরিবর্তন। তবে তাঁর জায়গায় সরাসরি কাউকে দিয়ে সেই শূন্যতা পূরণ করা সম্ভব নয়। বরং নতুন প্রজন্মের এক
সেদিনের সেই কৌতূহলই ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছে স্বপ্নে। যা তাকে এখন নিয়ে যাচ্ছে জাপানে। এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের হয়ে সার্ফিংয়ে অংশ নেবে ফাতিমা। মাল্টি ইভেন্টের গেমসে প্রথম নারী সার্ফার হিসেবে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে কক্সবাজারের এই কিশোরী।
লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের সিদ্ধান্তে গভীরভাবে আঘাত পেয়েছে তাঁর পরিবার। দীর্ঘ ও গৌরবময় এক অধ্যায়ের সমাপ্তির বেদনার মধ্যেও অবশ্য ছেলের সুখকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন মেসির মা সেলিয়া।
দৈনিক টার্গেট 
























