লিটনকে অধিনায়ক করে শক্তিশালী দলই দিল বাংলাদেশ
-
দৈনিক টার্গেট - প্রকাশ: ০৮:২২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- ১ বার পঠিত হয়েছে
২০তম এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে দল দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচক প্যানেল। লিটন দাসকে অধিনায়ক করে শক্তিশালী দল নিয়ে জাপান যাবে বাংলাদেশ।
২০১০ এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে গোল্ড জিতেছিল বাংলাদেশ। আরও একবার সর্বোচ্চ সাফল্যের লক্ষ্যে শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে বিসিবি।
বাংলাদেশ ছাড়াও এরই মধ্যে এশিয়ান গেমসের জন্য দল দিয়েছে ভারত। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিসিআই) আঞ্চলিক টুর্নামেন্টটির জন্য নিজেদের দলে তারকা ক্রিকেটারদের রেখেছে। শিরোপা জেতার পাশাপাশি এবারের এশিয়ান গেমস হতে যাচ্ছে ২০২৮ অলিম্পিকের ড্রেস রিহার্সেল।
টি-টোয়েন্টি সংস্করণে হতে যাওয়া এশিয়ান গেমসের দলে রাখা হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তকে। সবশেষ ২০২৫ সালের মে মাসে শারজাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি খেলেছিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। ব্যাটিংয়ে শক্তি বাড়াতেই তাঁকে ফিরিয়েছেন নির্বাচকেরা। দলে রাখা হয়নি দুই গতি তারকা তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানাকে।
বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনে আছেন যথারীতি তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, তাওহীদ হৃদয়, মোসাদ্দেক হোসেনরা। বোলিং বিভাগের থাকছেন মোস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, শরিফুল ইসলাম, রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদদের মতো নিয়মিত মুখরা।
নিসশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোর পর্যন্ত এশিয়ান গেমসে ছেলেদের ক্রিকেটের ম্যাচগুলো হবে।
বাংলাদেশ দল: লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, মোহাম্মদ সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয় (সহ-অধিনায়ক), মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, ইয়াসির আলী চৌধুরী, রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, সাইফউদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান ও হাসান মাহমুদ।
চোটাক্রান্ত ক্রিকেটারদের দলে ফেরানোর ক্ষেত্রে আর কোনো ঝুঁকি নিতে চায় না ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। সাম্প্রতিক সময়ে সমালোচনার মুখে পড়ার পর এবার ফিটনেস ইস্যুতে কঠোর হতে যাচ্ছে বিসিসিআই।
চোট নিয়ে বিতর্কের জেরে বড় শাস্তির মুখে পড়তে পারেন ইমাম উল হক। বিষয়টি তদন্তের জন্য উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। অভিযোগ প্রমাণিত হলে এক থেকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞাও হতে পারে এই ওপেনারের—সূত্রের বরাতে এমনটাই জানিয়েছে জিও সুপার।
অস্ট্রেলিয়ায় সবশেষ সফরে বাংলাদেশ ইতিহাস গড়লেও হাসেনি মুশফিকুর রহিমের ব্যাট। তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরি, নাজমুল হোসেন শান্ত-মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটি—সব কিছু থাকলেও মুশফিকের নেই কোনো ফিফটি। তাঁদের মধ্যে শুধু উন্নতি হয়েছে মুশফিকের। সতীর্থদের কারও অবনতি হয়েছে, কেউবা আগের জায়গাতেই আছেন।

























